ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জাতিসংঘের মহাসচিব ও নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতিকে একটি চিঠি লিখেছেন, যেখানে তিনি জানিয়েছেন যে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ও ইসরায়েলি সব ঘাঁটি, স্থাপনা ও সম্পদ ইরানের কাছে “বৈধ সামরিক লক্ষ্য” হিসেবে বিবেচিত হবে। দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা IRIB নিউজ এজেন্সি–এর রিপোর্ট অনুযায়ী, চিঠিতে উল্লেখিত মূল বিষয়গুলো হলো—
ইরান আক্রমণ অব্যাহত থাকাকালীন তার “স্ব-রক্ষার অধিকার” পূর্ণ ও সিদ্ধান্তমূলকভাবে প্রয়োগ করবে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিমান হামলা হলো জাতিসংঘ চার্টার–এর অনুচ্ছেদ ২, ধারা ৪–এর স্পষ্ট লঙ্ঘন এবং ইরানের বিরুদ্ধে সশস্ত্র আগ্রাসনের উদাহরণ।
এই আগ্রাসনার জবাবে ইরান তার স্ব-রক্ষার অধিকার ব্যবহার করবে, যা জাতিসংঘ চার্টারের আর্টিকেল ৫১–এর আওতায় বৈধ।
ইসলামিক রিপাবলিকের সশস্ত্র বাহিনী সব প্রয়োজনীয় প্রতিরক্ষা সামর্থ্য ও অবকাঠামো ব্যবহার করবে আগ্রাসন রোধ এবং শত্রুৎমূলক কার্যক্রম নিরসনে।
ফলস্বরূপ, মধ্যপ্রাচ্যে থাকা সকল শত্রু ঘাঁটি, স্থাপনা ও সম্পদ ইরানের দৃষ্টিতে বৈধ সামরিক লক্ষ্য হিসেবে গণ্য হবে এবং দেশটি তার স্ব-রক্ষার অধিকার অব্যাহতভাবে প্রয়োগ করবে যতক্ষণ না আগ্রাসন সম্পূর্ণ ও শর্তবিহীনভাবে থেমে যায়।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই চিঠি ইরানের অবস্থানকে জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক মঞ্চে স্পষ্টভাবে উপস্থাপন করেছে এবং মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উত্তেজনা আরও তীব্র হওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
সূত্র- আলজাজিরা।
সাজু/নিএ
সর্বশেষ খবর