হাইকোর্ট নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগের প্রেক্ষিতে রাজশাহী-৪ ও পাবনা-৪ আসনের ব্যালট পেপার ও ফলাফলের রেজাল্ট শিট ইলেকশন কমিশনের হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছে। একই সঙ্গে এ বিষয়ে পরবর্তী শুনানির জন্য ১১ মে দিন ধার্য করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিচারপতি জাকির হোসেনের নেতৃত্বাধীন নির্বাচনি আপিল ট্রাইব্যুনাল আবেদনগুলো গ্রহণ করে এ আদেশ দেন।
এদিকে, জামায়াতে ইসলামী ঢাকা-৬, ঢাকা-৭ ও গাইবান্ধা-৪ আসনে কারচুপির অভিযোগ করে হাইকোর্টে আবেদন করেছে। আর শেরপুরের একটি আসনে এই ধরনের অভিযোগসহ আবেদন করেছে বিএনপি।
আদালত ওই আসনগুলোর নির্বাচনি সরঞ্জামাদি ইসির হেফাজতে রাখার পাশাপাশি বিজয়ী প্রার্থীদের নোটিশও জারি করেছে। বিষয়টি অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে ঢাকা-৬, ৭ ও গাইবান্ধা-৪ শেরপুরের-১ আসনে কারচুপির অভিযোগ এনে আসনগুলোর পরাজিত প্রার্থীরা হাইকোর্টে আবেদন করেন। আবেদনে ভোটের ফলাফল পুনঃগণনা চাওয়া হয়।
গত ১৯ ফেব্রুয়ারি গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশ ৪৯ ধারা অনুযায়ী নির্বাচনি অনিয়মের বিরুদ্ধে ‘নির্বাচনি’ আবেদনপত্র শুনানির জন্য হাইকোর্টে নির্বাচনি ট্রাইব্যুনালে গঠন করা হয়। বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের নেতৃত্বে একক বেঞ্চ এসব আবেদনের ওপর শুনানি গ্রহণ করবেন।
কুশল/সাএ
সর্বশেষ খবর