ইরানের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা পরিষদের প্রধান আলি লারিজানি দাবি করেছেন, চলমান যুদ্ধে গত কয়েক দিনে ৫০০-এর বেশি মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন। তিনি এ সংঘাতকে ইরানের বিরুদ্ধে “অন্যায্য যুদ্ধ” হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। খবর আনাদোলু এজেন্সির
বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (X) দেওয়া এক পোস্টে লারিজানি বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু-এর “ভাঁড়ামোপূর্ণ আচরণে” প্রভাবিত হয়ে আমেরিকান জনগণকে এই যুদ্ধে জড়িয়েছেন।
তিনি লেখেন, “মাত্র কয়েক দিনে ৫০০-র বেশি মার্কিন সেনা নিহত হওয়ার পর ট্রাম্পকে হিসাব কষতে হবে—আমেরিকা কি এখনও সবার আগে, নাকি ইসরায়েল?”
লারিজানি আরও সতর্ক করে বলেন, “এই কাহিনি এখানেই শেষ নয়।” তিনি ইঙ্গিত দেন, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লাহ আলি খামেনি-এর হত্যার “কঠিন মূল্য” দিতে হবে।
গত শনিবার যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলার মাধ্যমে এ যুদ্ধের সূচনা হয়। ওই হামলায় তেহরানের কেন্দ্রস্থলে নিজ বাসভবনে খামেনি নিহত হন বলে ইরান জানায়। তার পরিবারের কয়েকজন সদস্যও হামলায় প্রাণ হারান।
ইরান সরকারের হিসাব অনুযায়ী, চার দিনের লড়াইয়ে এখন পর্যন্ত প্রায় ১ হাজার ৫০ জন ইরানি নিহত হয়েছেন। দক্ষিণাঞ্চলীয় মিনাব শহরে ১৬৫ জন স্কুলশিশুর মৃত্যুর ঘটনায় দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।
ইরানি নেতৃত্ব খামেনির হত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার ঘোষণা দিয়ে ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে।
সোমবার এক বিবৃতিতে লারিজানি বলেন, ইরান “দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত।” একই সঙ্গে তিনি ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আল-বুসাইদি-র মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার প্রস্তাবও নাকচ করে দেন।
সাজু/নিএ
সর্বশেষ খবর
সারাবিশ্ব এর সর্বশেষ খবর