বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর আসনের সাবেক এমপি হারুনুর রশিদ বলেছেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি গোলাম পরওয়ার পরাজিত হওয়ার পাশাপাশি ঢাকার জামায়াতের আমিরও হেরে গিয়েছিলেন।
গত শনিবার (৭ মার্চ) স্থানীয় বিএনপি আয়োজিত এক ইফতার মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন।
হারুনুর রশিদ বলেন, এনসিপির প্রধান নাহিদ ইসলামও নির্বাচনে পরাজিত হয়েছিলেন বলে তিনি গণমাধ্যমে দেখেছেন। পরে তাকে অল্প ব্যবধানে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে। তার মতে, এমন আশঙ্কা ছিল যে, যদি জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরা এসব আসনে হেরে যায়, তাহলে তাদের সংসদে যাওয়াই অনিশ্চিত হয়ে পড়তে পারে। সে কারণে সরকার পরিকল্পিতভাবে বিরোধী দলকে সংসদে নেওয়ার চেষ্টা করেছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
নিজের পরাজয়ের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলাকে এখন বাইরে “রাজাকারদের জেলা” হিসেবে পরিচিত করা হচ্ছে। এই জেলার তিনটি আসনেই জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরা বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন।
এ বিষয়ে তিনি বলেন, নবাবগঞ্জ ও শিবগঞ্জ এলাকায় জামায়াতের কিছু ভোটব্যাংক রয়েছে—এটা সত্য। কিন্তু নাচোল, গোমস্তাপুর ও ভোলাহাট এলাকায় সাধারণত জামায়াত তৃতীয় অবস্থানে থাকে। তারপরও সেখানে তাদের বিজয়ী করা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
তিনি আরও বলেন, সরকারের কোনো পরিকল্পিত নকশা ছিল কি না তা এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। তবে ভবিষ্যতে বিষয়টি পরিষ্কার হবে বলে তিনি মনে করেন। সামনে স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলোতে কত শতাংশ ভোট পড়ে, কারা নির্বাচিত হন এবং কীভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়—সেগুলো পর্যবেক্ষণের বিষয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি পরিসংখ্যান তুলে ধরে বলেন, নির্বাচনে পৌর এলাকায় জামায়াত ৬৯ হাজার ভোট পেয়েছে আর ধানের শীষ পেয়েছে ৩৬ হাজার। এই ভোট প্রাপ্তিকে তিনি আকাশচুম্বী ব্যবধান হিসেবে মন্তব্য করেন।
কুশল/সাএ
সর্বশেষ খবর
রাজনীতি এর সর্বশেষ খবর