ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী Islamic Revolutionary Guard Corps (আইআরজিসি) দাবি করেছে, মার্কিন বিমানবাহী রণতরী USS Gerald R. Ford-এর পশ্চিম এশিয়া অঞ্চল থেকে হঠাৎ প্রত্যাহার যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক দুর্বলতার প্রমাণ।
আইআরজিসি এক বিবৃতিতে জানায়, চলমান সংঘাতের মধ্যে এই রণতরীর সরে যাওয়া এবং অঞ্চলে অবস্থানরত মার্কিন বাহিনীকে সহায়তা না করা “অহংকারী শক্তির ফাঁপা ক্ষমতা”কে উন্মোচিত করেছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বড় ধরনের প্রচারণা ও সামরিক উপস্থিতির দাবি সত্ত্বেও উত্তেজনার চূড়ান্ত সময়ে নীরবে প্রত্যাহার বাস্তবতা তুলে ধরেছে—যা মার্কিন ও ইসরায়েলি যুদ্ধ পরিকল্পনাকারীদের দুর্বলতা নির্দেশ করে।
আইআরজিসি প্রশ্ন তোলে, “১৩ বিলিয়ন ডলারের একটি যুদ্ধজাহাজ কেন স্বল্প খরচের ছোট নৌযানের আশঙ্কায় পিছু হটবে?” তারা আরও দাবি করে, এই রণতরীটি Bab al-Mandeb Strait এড়িয়ে মার্কিন ঘাঁটির দিকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
এছাড়া, ভারত মহাসাগরে অবস্থানরত আরেকটি মার্কিন রণতরী USS Abraham Lincoln-এর ক্ষেত্রেও অস্থিতিশীলতার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে বলে দাবি করা হয়।
বিবৃতিতে Donald Trump-এর সমালোচনা করে বলা হয়, তিনি আগে ইরানের নৌক্ষমতা ধ্বংসের দাবি করলেও এখন এসব যুদ্ধজাহাজকে ওমান সাগর বা লোহিত সাগরের মতো গুরুত্বপূর্ণ সংঘাতপূর্ণ এলাকায় পাঠাতে দ্বিধা করছেন।
আইআরজিসি আরও দাবি করে, তারা মার্কিন বাহিনীর বিরুদ্ধে সম্ভাব্য নৌযুদ্ধের জন্য প্রস্তুত রয়েছে এবং অতীতের অভিজ্ঞতা, বিশেষ করে Saddam Hussein-এর বিরুদ্ধে দীর্ঘ যুদ্ধের উদাহরণ তুলে ধরে নিজেদের সক্ষমতার কথা উল্লেখ করে।
বিবৃতির শেষে Benjamin Netanyahu ও ট্রাম্পের প্রতি ইঙ্গিত করে বলা হয়, তাদের জন্যও একই পরিণতি অপেক্ষা করছে এবং “শহীদ হওয়া বা বিজয়—দুই পথই সম্মানের”।
সূত্র: তাসনিম নিউজ এজেন্সি
সাজু/নিএ
সর্বশেষ খবর