জামিনে মুক্তি পাওয়ার পরপরই ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়ে আলোচনায় উঠে এসেছেন নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের এক নেতা।
জুলাই মাসে মামলায় জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ধারাবাহিক পোস্ট দিয়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেন। বিশেষ করে ব্যারিস্টার সুমনের ছবি ব্যবহার করে ফেসবুকে প্রচারণা চালাতে দেখা গেছে তাকে। একই সঙ্গে তিনি ২ নম্বর চৌমুহনী ইউনিয়নে আসন্ন ইউপি নির্বাচনে বিএনপির হেভিওয়েট প্রার্থী মাহবুবুর রহমান সোহাগের বিপরীতে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।
এছাড়া ব্যারিস্টার সুমনের মুক্তির দাবিতে সামাজিক মাধ্যমে সরব রয়েছেন বলেও জানা গেছে। রাজনৈতিক বিভিন্ন ইস্যুতে তার সক্রিয় অবস্থান স্থানীয়ভাবে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
আলোচিত নেতা আতাউস সামাদ বাবু মাধবপুর উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক এবং সাবেক এমপি ব্যারিস্টার সুমনের ঘনিষ্ঠ সহচর হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তার বাড়ি উপজেলার চৌমুহনী ইউনিয়নের চৈতন্যপুর গ্রামে। তিনি স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা ও প্যানেল চেয়ারম্যান আব্দুর রউফের ছেলে।
এ বিষয়ে তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘আমি কোনো অন্যায়ের সঙ্গে জড়িত নই। মানুষের জন্য রাজনীতি করি। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও শেখ হাসিনা আমার আদর্শ।’
এদিকে উপজেলা বিএনপির একাধিক নেতার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বর্তমান পরিস্থিতিতে তার এমন সরব উপস্থিতি রাজনৈতিক অস্থিরতা বাড়াতে পারে। তারা মনে করেন, এই মুহূর্তে তার কিছুটা নীরব থাকা উচিত।
মাসুম/সাএ
সর্বশেষ খবর
জেলার খবর এর সর্বশেষ খবর