কুমিল্লার লাকসামে মসজিদের শৌচাগার থেকে মোরশেদ আলম (২৪) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
রোববার (২২ মার্চ) দিবাগত রাতে উপজেলার মুদাফরগঞ্জ (দক্ষিণ) ইউনিয়নের শ্রীয়াং মিয়াজী বাড়ি জামে মসজিদের শৌচাগার থেকে ওই যুবকের মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত ওই যুবক মনোহরগঞ্জ উপজেলার বাইশগাঁও ইউনিয়নের ডাবুরিয়া গ্রামের মো. মোস্তফার ছেলে। নিহতের মরদেহের সুরতহাল শেষে সোমবার (২৩ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ (কুমেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে লাকসাম থানা পুলিশ।
লাকসাম থানা পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার দিন রাতে শ্রীয়াং গ্রামের কয়েকজন মুসল্লি নামাজ পড়তে মিয়াজী বাড়ি মসজিদে যান। এসময় একজন মুসল্লি প্রাকৃতিক ডাকে সাড়া দিতে মসজিদের শৌচাগারে যান। এসময় তিনি শৌচাগারের ভেতর ওই যুবকের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে চিৎকার দেন। তার চিৎকার শুনে অন্যান্য মুসল্লিরা গিয়ে শৌচাগারে মরদেহটি পড়ে থাকতে দেখে লাকসাম থানা পুলিশকে অবহিত করেন। সংবাদ পেয়ে পুলিশ রাতেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধারের পর সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে থানায় নিয়ে আসে।
লাকসাম থানা পুলিশ জানায়, উদ্ধারকৃত মরদেহটিতে বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। পুলিশ প্রাথমিক তদন্ত শুরু করেছে। ঘটনাস্থলসহ আশপাশের এলাকার লোকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন। এ ছাড়া, আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহের চেষ্টা চলছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে কাজ করছেন।
লাকসাম থানার ওসি (তদন্ত) মনিরুজ্জামান বলেন, ‘ঘটনাটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর। উদ্ধার মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল (কুমেক) মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন প্রাপ্তি সাপেক্ষ হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যাবে। এই ঘটনায় থানায় একটি হত্যা মামলা রুজু প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তাছাড়া, ঘটনার রহস্য উদঘাটনে অত্যন্ত নিবিড় পর্যবেক্ষণসহ সুক্ষ্ম তদন্ত চলছে।’
মাসুম/সাএ
সর্বশেষ খবর