• ঢাকা
  • ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ, ২০২৬
  • শেষ আপডেট ২ সেকেন্ড পূর্বে
শাহীন মাহমুদ রাসেল
কক্সবাজার প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ২৪ মার্চ, ২০২৬, ০৭:২৪ বিকাল

পা ফেলার জায়গা নেই, কানায় কানায় পূর্ণ কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত

ছবি: প্রতিনিধি, বিডি২৪লাইভ

ঈদের টানা ছুটিতে দেশের পর্যটন রাজধানী কক্সবাজার যেন রূপ নেয় এক বিশাল জনসমুদ্রে। মাত্র তিন দিনেই বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকতে ভিড় করেছেন অন্তত সাড়ে তিন লাখ পর্যটক। ঈদের আনন্দ, অবকাশ আর সমুদ্রের টানে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছুটে আসা মানুষের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে পুরো উপকূল।

কক্সবাজার আবাসিক হোটেল-মোটেল ও গেস্ট হাউস মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম মঙ্গলবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তার ভাষ্য, ২২ থেকে ২৪ মার্চ- ঈদের ছুটির এই তিন দিনেই পর্যটকের এই বিপুল সমাগম ঘটে। মঙ্গলবার থেকে ভিড় কিছুটা কমতে শুরু করলেও সপ্তাহের শেষ পর্যন্ত পর্যটক উপস্থিতি থাকবে বলে আশা সংশ্লিষ্টদের।

মঙ্গলবার দুপুরে সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্টে গিয়ে দেখা যায়, ছুটি শেষের মুখেও ভিড়ের ঘনত্ব কমেনি তেমন। লাবণী থেকে কলাতলী পর্যন্ত পুরো সৈকতজুড়েই মানুষের ঢল। বালিয়াড়িতে হাঁটাহাঁটি, বিচবাইক আর ঘোড়ার দৌড়, জেটস্কির ছুটে চলা- সব মিলিয়ে এক প্রাণচঞ্চল পরিবেশ।

অনেকে সাগরের লোনাজলে নেমে ক্লান্তি দূর করছেন, কেউবা নীরবে বসে উপভোগ করছেন হিমেল বাতাস। আর স্মৃতিকে ধরে রাখতে ব্যস্ত প্রায় সবাই- ক্যামেরা আর মুঠোফোনে ছবি আর সেলফিতে।

ঢাকা থেকে আসা পর্যটক গোলাম মুর্তজা বলেন, ঈদের পরদিন ২২ মার্চ এখানে এসেছি, আজ রাতেই ফিরব। কিন্তু সৈকতে এসে দেখি পা ফেলার জায়গা নেই। এত মানুষের ভিড় এর আগে কখনো দেখিনি।

সিলেট থেকে সাত বন্ধুর একটি দল এসেছে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে। তাদের একজন নাজমুল তুষার ড্রোন ওড়াতে ব্যস্ত ছিলেন। আকাশ থেকে দৃশ্য ধারণ করতে গিয়ে বিস্মিত হয়ে তিনি বলেন, ড্রোন যত ওপরে তুলছি, ততই মানুষের সারি বাড়ছে। মনে হচ্ছিল, একসঙ্গে দুই লাখের কাছাকাছি মানুষ সৈকতে অবস্থান করছে।

রাজশাহী থেকে পরিবার নিয়ে আসা গৃহিণী শারমিন আক্তার বলেন, বাচ্চাদের নিয়ে প্রথমবার কক্সবাজারে এলাম। ভিড় অনেক, তবুও আনন্দটা অন্যরকম। সাগরের ঢেউ আর পরিবেশ সব ক্লান্তি দূর করে দেয়

চট্টগ্রাম থেকে আসা কলেজশিক্ষার্থী তানভীর হাসান বলেন, বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরতে এসেছি। ভিড় থাকলেও নিরাপত্তা মোটামুটি ভালো। রাতে সৈকতে বসে সময় কাটানোটা সবচেয়ে ভালো লেগেছে।

ঢাকার মিরপুর থেকে পরিবার নিয়ে আসা ব্যাংকার আব্দুস সোবহান বলেন, ঈদের দিন বৃষ্টির কারণে তেমন ঘোরা হয়নি। তবে আজকের আবহাওয়া দারুণ। পরিবারের সঙ্গে সময়টা খুব উপভোগ করছি।

এত বিপুল পর্যটক সমাগমের মধ্যেও বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটেনি বলে জানিয়েছে সি-সেইফ লাইফগার্ড সংস্থা।

সংস্থাটির প্রজেক্ট কর্মকর্তা মো. ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, প্রতিদিন লাখের বেশি পর্যটক সমুদ্রে নামছেন। অথচ নিরাপত্তায় রয়েছে মাত্র ২৭ জন কর্মী। সীমিত জনবল নিয়েও আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি।

পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে মাঠে সক্রিয় ছিল ট্যুরিস্ট পুলিশও। কক্সবাজার জোনের পরিদর্শক জাহেদ হোসেন জানান, সৈকত এলাকা, হোটেল-মোটেল জোন ও আশপাশের বিনোদনকেন্দ্রে সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করেছে পুলিশ সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, মূল সৈকতের পাশাপাশি মেরিন ড্রাইভ, হিমছড়ি, ইনানী সমুদ্র সৈকত, মহেশখালীর আদিনাথ মন্দির এবং ডুলাহাজারা বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কসহ জেলার বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্রেও ছিল দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড়। কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।

সালাউদ্দিন/সাএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পাঠকের মন্তব্য:

BD24LIVE.COM
bd24live.com is not only a online news portal. We are a family and work together for giving the better news around the world. We are here to give a nice and colorful media for Bangladesh and for the world. We are always going fast and get the live news from every each corner of the country. What ever the news we reached there and with our correspondents go there who are worked for bd24live.com.
BD24Live.com © ২০২০ | নিবন্ধন নং- ৩২
Developed by | EMPERORSOFT
এডিটর ইন চিফ: আমিরুল ইসলাম আসাদ
বাড়ি#৩৫/১০, রোড#১১, শেখেরটেক, ঢাকা ১২০৭
ই-মেইলঃ info@bd24live.com
ফোনঃ (০২) ৫৮১৫৭৭৪৪
নিউজ রুমঃ ০৯৬০৩২০২৪৩৪
মফস্বল ডেস্কঃ ০১৫৫২৫৯২৫০২
বার্তা প্রধানঃ ০৯৬০৩১৫৭৭৪৪
ইমেইলঃ office.bd24live@gmail.com