রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দিতে বিরোধের জেরে জনসাধারণের চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে ঘর উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে। এতে কয়েকটি পরিবারের চলাচলসহ পেঁয়াজ উত্তোলন মৌসুমে মাঠ থেকে বাড়িতে পেঁয়াজ নিয়ে যেতে পারছেন না। ভুক্তভোগীরা দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
স্থানীয় ভুক্তভোগী নাসির খানসহ অন্যান্যরা জানিয়েছেন, বালিয়াকান্দি উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের সাঙ্গুড়া গ্রামের প্রধান সড়ক থেকে ছান্নাফ মোল্লার বাড়ি থেকে উত্তর দিকে ৩০০ ফুট ডালু রাস্তাটি জামালপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মৃত টুটুল মেম্বার জীবিত থাকাকালে মাটির কাজ করে দেন। এই রাস্তাটি ব্যবহার করে চারটি পরিবারের অনেক সদস্য বছরের পর বছর চলাচল করে আসছেন। সম্প্রতি বিরোধের জেরে সাঙ্গুড়া গ্রামের আলি মোল্যা ও তার ছেলে হুসাইন মোল্যা রাস্তা বন্ধ করে দিয়েছেন। তারা রাস্তার উপর ঘর উত্তোলন করে যাতায়াত বন্ধ করে দিয়েছেন। স্থানীয় লোকজন তাদের অনুরোধ করলেও তারা রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করতে দিচ্ছেন না। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় একাধিকবার আলোচনা হলেও আলি মোল্যা কোনো কথা শোনেননি, উল্টো মামলা দিয়ে হয়রানি করছেন। এতে চারটি পরিবারের যাতায়াতের জন্য বিকল্প রাস্তা না থাকায় তারা বিপাকে পড়েছেন।
এ বিষয়ে বালিয়াকান্দি উপজেলা নির্বাহী অফিসার, থানার অফিসার ইনচার্জ ও জামালপুর ইউনিয়ন পরিষদে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন সাঙ্গুড়া গ্রামের নাসির খান।
সাবেক ইউপি সদস্য টিটুল বলেন, একটি মারামারির ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাস্তার উপর ঘর উত্তোলন করে চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে আলি মোল্যা ও তার ছেলে হুসাইন মোল্যা। স্থানীয়ভাবে বসে বিষয়টি মীমাংসা করার চেষ্টা করা হলেও তারা কিছুই শুনছেন না।
সাঙ্গুড়া গ্রামের অভিযুক্ত আলি মোল্যা বলেন, আমার জমির উপর দিয়ে চলাচল করতে দিতাম। এখন আর দেবো না। তাদের পায়ে হেঁটে যেতে দেবো, কোনো গাড়ি নেওয়ার পথ দেবো না।
আলি মোল্যার ছেলে হুসাইন মোল্যা হুমকি দিয়ে বলেন, বিষ খেয়ে মারা যাবো তবুও রাস্তার জায়গা দেবো না। প্রয়োজনে বাড়ির জমি অন্য মানুষের কাছে বিক্রি করে চলে যাবো, তবুও রাস্তা দেবো না। কেউ রাস্তা নিতে পারবে না।
বালিয়াকান্দি উপজেলা নির্বাহী অফিসার চৌধুরী মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, বিষয়টি তদন্তপূর্বক উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সর্বশেষ খবর