ভুয়া অর্ডারের কারণে তার পরিচালিত আম ব্যবসায় উল্লেখযোগ্য ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন আমজনতার দলের সদস্য সচিব মো. তারেক রহমান । এ ধরনের হয়রানির জন্য তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-এর কর্মীদের দায়ী করেছেন।
বুধবার নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব অভিযোগ করেন। পোস্টে তারেক রহমান জানান, একসময় তিনি তথ্যপ্রযুক্তি (আইসিটি) খাতে ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। সরকারি চাকরির জন্য একাধিকবার চেষ্টা করেও সফল না হওয়ায় জীবিকার তাগিদে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমভিত্তিক এফ-কমার্স প্ল্যাটফর্মে আমের ব্যবসা শুরু করেন।
তিনি লিখেছেন, শুরুতে ক্যাশ অন ডেলিভারি ভিত্তিতে কোনো অগ্রিম ছাড়াই অর্ডার গ্রহণ করতেন। এতে অর্ডারের পরিমাণ বাড়লেও প্রায় ১০ শতাংশ অর্ডার ভুয়া ছিল। অনেক গ্রাহক পণ্য গ্রহণ করতেন না বা যোগাযোগ বন্ধ করে দিতেন। পরে ৫০০ টাকা অগ্রিম নেওয়ার নিয়ম চালু করলে অর্ডার কিছুটা কমে গেলেও ক্ষতি কমে আসে।

তারেক রহমান দাবি করেন, রাজনৈতিক বিরোধের জেরে জামায়াতের কর্মীরা ইচ্ছাকৃতভাবে ভুয়া অর্ডার দিয়ে তাকে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।
একটি ঘটনার উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, এক গ্রাহক প্রথমে গোপালভোগ আম অর্ডার করে আকার নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। পরে একই ব্যক্তি দুই মণ আম অর্ডার দেন। অগ্রিম না নিয়েই তিনি পণ্য সরবরাহ করলেও গ্রাহক তা গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানান।
তিনি জানান, বিষয়টি থানায় জানানো হলে পুলিশ উভয় পক্ষকে ডেকে সমাধানের চেষ্টা করে। পরে সমঝোতার মাধ্যমে কিছু আম রেখে বাকি অংশের মূল্য পরিশোধ করা হয়।
ঘটনাটি ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এফ-কমার্স ব্যবসায় ভুয়া অর্ডারজনিত ঝুঁকি ও করণীয় নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
সাজু/নিএ
সর্বশেষ খবর
অন্যান্য... এর সর্বশেষ খবর