পলিটিকোর বিশ্লেষণ অনুযায়ী, যদিও ওয়াশিংটনের আনুষ্ঠানিক অবস্থান এখনও অনমনীয় বলেই মনে হচ্ছে, কিন্তু পর্দার আড়ালে ট্রাম্প এই অচলাবস্থা থেকে বেরিয়ে আসার জন্য এমন সব ছাড় মেনে নিতে ইচ্ছুক যা আগে তার রেড লাইন হিসেবে বিবেচিত হতো।
পার্সটুডে জানিয়েছে, পলিটিকো, পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলোর নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে লিখেছে যে, যুদ্ধ শেষ করার প্রবল ইচ্ছার কারণে ট্রাম্প প্রয়োজনে আরও ছাড় দিয়ে হলেও সমঝোতা মেনে নেবেন।
পলিটিকোর মতে, জনমত জরিপের ফলাফলে জনপ্রিয়তা হ্রাস এবং অভ্যন্তরীণ ব্যয় বৃদ্ধির সম্মুখীন ডোনাল্ড ট্রাম্প এখন ইরানের সঙ্গে সংঘাত শেষ করতে আগের চেয়ে অনেক বেশি আগ্রহী। সংবাদমাধ্যমটি উল্লেখ করেছে যে, ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে অস্থায়ী যুদ্ধবিরতির ঘোষণাটি আসলে তেহরানের সঙ্গে একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর পথে প্রধান বাধাগুলো দূর করার জন্য ট্রাম্পের প্রথম পদক্ষেপ ছিল।
প্রতিবেদনে জোর দেওয়া হয়েছে যে, মার্কিন আলোচক দলের 'চূড়ান্ত প্রস্তাব' পেশ করার দাবি সত্ত্বেও, বৈশ্বিক মন্দার ঝুঁকি এবং জ্বালানি বাজারের ওপর চাপের মতো অর্থনৈতিক বাস্তবতা ট্রাম্পকে দুর্বল অবস্থানে ফেলেছে।
পলিটিকো আরও উল্লেখ করেছে যে, অতীতের মতো নয়, বরং সাম্প্রতিক বিবৃতিতে ট্রাম্প ভবিষ্যতে ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের অধিকারকে নির্দিষ্টভাবে নাকচ করেননি এবং শুধুমাত্র পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন না করার ওপরই মনোযোগ দিয়েছেন, যা ইরানের মাটিতে বেসামরিক ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ মেনে নেওয়ার ক্ষেত্রে নমনীয়তার একটি লক্ষণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সাজু/নিএ
সর্বশেষ খবর