• ঢাকা
  • ঢাকা, বুধবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৬
  • শেষ আপডেট ৬ সেকেন্ড পূর্বে
প্রচ্ছদ / জাতীয় / বিস্তারিত
মো: সাইফুল আলম সরকার
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
প্রকাশিত : ২৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৫৭ দুপুর

কর্মক্ষেত্রে পরিচ্ছন্নতাকর্মীর মৃত্যুতে ২০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি

ছবি: প্রতিনিধি, বিডি২৪লাইভ

মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচাস্থ ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির শফিকুল কবির মিলনায়তনে ‘পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের পেশাগত স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও করনীয়’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশ্ব দিবস-২০২৬ উপলক্ষে পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের বিভিন্ন সংকট, সমস্যা ও পেশাগত স্বাস্থ্যঝুঁকি বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ এবং তা সমাধানে করণীয় নির্ধারণের উদ্দেশ্যে নাগরিক উদ্যোগ ও বাংলাদেশ দলিত ও বঞ্চিত জনগোষ্ঠী অধিকার আন্দোলন (বিডিইআরএম) এই সভার আয়োজন করে। আলোচনা সভা থেকে কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনায় পরিচ্ছন্নতাকর্মীর মৃত্যুতে এককালীন ২০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করা হয়।

আলোচক হিসেবে সভায় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট ফর লেবার স্টাডিজ (বিলস্) এর নির্বাহী পরিচালক সৈয়দ সুলতান উদ্দিন আহমেদ, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এর সহকারী প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মোঃ শফিকুল ইসলাম, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) এর সহকারী সাধারণ সম্পাদক রাজেকুজ্জামান রতন, জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও বাংলাদেশ জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (বাংলাদেশ জাসদ) এর স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. মুশতাক হোসেন, বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড এন্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (ব্লাস্ট) এর নির্বাহী পরিচালক (সাম্মানিক) ব্যারিস্টার সারা হোসেন, ব্লাস্টের পরিচালক (আইন) এডভোকেট মোঃ বরকত আলী, দলিত নারী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক মনি রানী দাস এবং স্যানিটেশন ওয়ার্কার্স ফোরাম এর আহবায়ক গগণ লাল। স্বাগত বক্তব্য রাখেন নাগরিক উদ্যোগ এর প্রধান নির্বাহী জাকির হোসেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন বিডিইআরএম এর সভাপতি উত্তম কুমার ভক্ত।

সভার শুরুতে মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন বিডিইআরএম এর সাধারণ সম্পাদক শিপন কুমার রবিদাস। মুক্ত আলোচনা পর্বে বক্তব্য রাখেন ওয়ারী সিটি কলোনীর প্রতিনিধি আনন্দ, গাবতলী সিটি কলোনীর প্রতিনিধি এম. রাজা, তেলুগু কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি’র সাধারণ সম্পাদক ইউ.কে. নন্দন জয়, গোপীবাগ সিটি কলোনীর প্রতিনিধি মনি রাণী, বাংলাদেশ স্যানিটেশন ওয়ার্কার্স ফোরামের সদস্য মো: কুদ্দুস ফরাজী, বাংলাদেশ রবিদাস ফোরাম (বিআরএফ) এর সভাপতি চাঁনমোহন রবিদাস, জাত-পাত বিলোপ জোট এর সদস্য এডভোকেট উৎপল বিশ্বাসসহ বিভিন্ন নাগরিক সংগঠনের প্রতিনিধি এবং সরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত পরিচ্ছন্নতাকর্মীগণ। এ বছর ‘কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশ্ব দিবস’ এর মূল প্রতিপাদ্য হলো “নিরাপদ কাজ, স্বাস্থ্যকর কর্মক্ষেত্র: কর্মক্ষেত্রে মনস্তাত্ত্বিক ঝুঁকি মোকাবেলা”, অর্থাৎ সকলের জন্য একটি স্বাস্থ্যকর মনস্তাত্ত্বিক কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা।

স্বাগত বক্তব্যে নাগরিক উদ্যোগ এর প্রধান নির্বাহী জাকির হোসেন বলেন, পরিচ্ছন্নতাকর্মীগণ অমানবিক পরিশ্রম করলেও এখনও শ্রমিক হিসেবে স্বীকৃতি পান না। সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে কর্মরত পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের অধিকাংশই এখনও অস্থায়ী কর্মী হিসেবে কাজ করেন। শ্রমিক হিসেবে স্বীকৃতি না থাকার কারণে তারা কর্মক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হন।

পাবনা, জয়পুরহাট, গাইবান্ধা, নীলফামারী এবং লালমনিরহাটসহ বাংলাদেশের আরো কিছু জেলায় পরিচ্ছন্নতাকমীর্গণ সনাতন পদ্ধতিতে অর্থাৎ হাত ব্যবহার করে মনুষ্য বর্জ্য অপসারণের কাজ করে থাকেন, যা তাদের স্বাস্থ্য ঝুঁকি বহুগুণে বাড়িয়ে দেয়। তিনি বলেন, এর বিরুদ্ধে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে আইন প্রণয়ন করা হলেও বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত কোনো আইন নেই। টেকসই উন্নয়ন অভীষ্টে কাউকে পিছিয়ে না রাখার কথা বলা হলেও বাংলাদেশের দলিত পরিচ্ছন্নতাকর্মীগণ এখনও অনেকটাই পিছিয়ে।

বিডিইআরএম এর সাধারণ সম্পাদক শিপন কুমার রবিদাস তার প্রাথমিক বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশে প্রায় ৭৫ লক্ষ দলিত জনগোষ্ঠীর একটি বৃহৎ অংশ সিটি করপোরেশন, পৌরসভাসহ বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবে নিয়োজিত আছেন।

অধিকাংশ ক্ষেত্রেই পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবে নিয়োজিত ব্যক্তিরা বাংলাদেশের শ্রম আইন অনুসারে শ্রমিকের যে অধিকার তা থেকে বঞ্চিত হয়ে আসছেন। পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবে তারা প্রতিনিয়ত পেশাগত স্বাস্থ্যঝুঁকি, আইনি জটিলতা, আবাসন সমস্যা, মজুরী, কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তাহীনতা এবং সামাজিক বঞ্চনার মধ্যে কাজ করেন। শিপন রবিদাস পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের পেশাগত স্বাস্থ্য সুরক্ষায় কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যুর ক্ষেত্রে নিহতের পরিবারকে একালীন কমপক্ষে ২০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ প্রদানের দাবি জানান।

এছাড়াও পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের পেশাগত স্বাস্থ্য সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় সুরক্ষা উপকরণ সরবরাহ, চাকুরি স্থায়ীকরণ, নারী পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের জন্য উপযুক্ত কর্মপরিবেশ নিশ্চিতকরণ, মাতৃত্বকালীন ছুটির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ শ্রম আইনের প্রতিপালন, তাদের আবাসনের নিশ্চয়তাসহ প্রত্যেক পরিচ্ছন্নতাকর্মীর জন্য স্বাস্থ্যসেবা কার্ড প্রদানের সুপারিশ জানানো হয়। রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানে নিয়োজিত পরিচ্ছন্নতাকর্মীগণ বলেন, এমন ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নিয়োজিত থাকা সত্ত্বেও তাদের জন্য কোনো স্বাস্থ্যবীমার ব্যবস্থা নেই। অধিকাংশ পরিচ্ছন্নতাকর্মীকে প্রয়োজনীয় সুরক্ষা উপকরণ ব্যবহার ছাড়াই ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে কাজ করতে হয়। এমনকি তারা প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা থেকেও বঞ্চিত। স্থায়ী পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের জন্য অবসর গ্রহণের পর পেনশন ভাতার ব্যবস্থা থাকলেও অস্থায়ী পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের ক্ষেত্রে কোনো সুযোগ-সুবিধা প্রদান করা হয় না। সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মী না হবার কারণে তারা সরকারি আবাসিক সুবিধা থেকেও বঞ্চিত। অনেক স্থানে কোনো রকম পুনর্বাসন ছাড়াই পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের উচ্ছেদ করে দেওয়া হয়।

অধিকাংশ কলোনীগুলোতে মানসম্মত স্যানিটেশন ব্যবস্থার অভাবে তারা নানা স্বাস্থ্য সমস্যায় ভোগেন। পরিচ্ছন্নতাকর্মীগণ সমস্যাগুলোর দ্রুত সমাধানের জোর দাবি জানান।

বাংলাদেশ স্যানিটেশন ওয়ার্কার্স ফোরাম এর আহ্বায়ক গগণ লাল বলেন, বাংলাদেশের স্যানিটেশন ওয়ার্কাররা সবচেয়ে বেশি বৈষম্যের শিকার। পরিচ্ছন্নতাকর্মীগণ কর্মক্ষেত্রে যেমন বৈষম্যের শিকার হন তেমনি আবাসনের ক্ষেত্রেও তাদের সাথে চরম বৈষম্য করা হয়। শহরের অধিকাংশ কলোনীগুলো অস্বাস্থ্যকর। ফলে কলোনীর পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা প্রতিনিয়ত বিভিন্ন রোগে ভোগেন।

দলিত নারী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক মনি রাণী দাস বলেন, নারী পরিচ্ছন্নতাকর্মীগণ সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মধ্যে কাজ করে থাকেন। উপরন্তু তাদের কর্মক্ষেত্রের আশেপাশে কোনো প্রকার টয়লেট এর ব্যবস্থা না থাকায় অধিকাংশ সময় তাদের টয়লেট চেপে রাখতে হয়। ফলে তাদের মধ্যে নানা স্বাস্থ্যগত জটিলতা তৈরি হয়। তিনি বলেন, কাজ শেষ করার পর তাদের পরিচ্ছন্নতার জন্য আগে সাবানের ব্যবস্থা থাকলেও এখন তা দেওয়া হয় না। ব্লাস্ট এর পরিচালক (আইন) এডভোকেট মো: বরকত আলী বলেন, পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যুর ফলে যে ক্ষতিপূরণের কথা শ্রম আইনে উল্লেখ আছে তা পর্যাপ্ত নয়। পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের যে সুরক্ষা সামগ্রীগুলো দেওয়া হয় সেগুলো বাংলাদেশের আবহাওয়ায় ব্যবহারের উপযুক্ত নয়। ফলে তারা সেগুলো ব্যবহার করতে চায় না। তিনি পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের জন্য বাংলাদেশের আবহাওয়া উপযোগী সুরক্ষা উপকরণ সরবরাহের আহ্বান জানান। এছাড়া তিনি পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের শ্রমিক হিসেবে স্বীকৃতি প্রদানের জন্য জোর দাবি জানান।

বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) এর সহকারী সাধারণ সম্পাদক রাজেকুজ্জামান রতন বলেন, পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের অবহেলা করলে বা তারা রোগাক্রান্ত হলে তার প্রভাব আমাদের সমাজে পড়ে। সুতরাং তাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় আমাদের দায়িত্ব নিতে হবে। তিনি এমপ্লয়মেন্ট ইনজুরি স্কিম চালু করার দাবি জানান। এছাড়াও তাদের সামাজিক নিরাপত্তা তহবিল এবং শ্রম কল্যাণ তহবিলে অন্তর্ভুক্তির জন্য তিনি সুপারিশ করেন।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও বাংলাদেশ জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (বাংলাদেশ জাসদ) এর স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. মুশতাক হোসেন বলেন, কর্মক্ষেত্রে শারীরিক সক্ষমতার পাশাপাশি মানসিক প্রশান্তির বিষয়টিও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু স্বাস্থ্যের মধ্যে আমরা মনস্তত্ত্বকে গুরুত্ব দেই না।

তিনি রোগ আরোগ্যের চেয়ে প্রতিরোধের উপর অধিক গুরুত্ব আরোপ করে বলেন, কর্মক্ষেত্রে যাতে দুর্ঘটনা না ঘটে সে ব্যাপারে আমাদের আরো সচেতন হওয়া প্রয়োজন। তিনি পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের উপযুক্ত সুরক্ষা উপকরণ প্রদানের সুপারিশ করেন। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এর সহকারী প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মো: শফিকুল ইসলাম বলেন, সিটি করপোরেশনের অধীন প্রায় ৫,০০০ পরিচ্ছন্নতাকর্মী কাজ করে। পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের পেশাগত স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সিটি করপোরেশন বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের জন্য বিভিন্ন স্থানে টয়লেট নির্মাণ। তাদের স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের জন্য ৩টি মহানগর হাসপাতাল রয়েছে, ৬টি নগর স্বাস্থ্য কেন্দ্র রয়েছে এবং ৩১টি প্রাইমারী স্বাস্থ্য কেন্দ্র রয়েছে।

তিনি আরো বলেন, বর্ষাকালে নির্বিঘ্নে কাজ করার জন্য পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের রেইন কোট প্রদান করা হয়েছে। ৫৯ বছর বয়সে অবসর গ্রহণের সময় তাদের এককালীন ৪ লক্ষ টাকা প্রদান করা হয়। এক হাজার পরিচ্ছন্নতাকর্মীকে স্বাস্থ্য কার্ড প্রদানের জন্য সাজেদা ফাউন্ডেশনের সাথে ইতোমধ্যে সিটি করপোরেশন একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। তিনি বলেন, পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের মধ্যে সচেতনতার অভাব রয়েছে। তিনি তাদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান জানান।

ব্লাস্ট এর নির্বাহী পরিচালক (সাম্মানিক) ব্যারিস্টার সারা হোসেন বলেন, পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের ক্ষেত্রে সিটি করপোরেশন থেকে যে পেনশন প্রদান করা হয় তা পর্যাপ্ত নয়। এর পরিমাণ বাড়ানো প্রয়োজন। কারণ তারা অনেক কম বেতনে চাকরি করেন। পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের আবাসন একটি বড় সমস্যা। এখনও তারা উচ্ছেদ আতঙ্কে থাকেন। বাংলাদেশের সকল পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের তিনি উন্নত আবাসনের আওতায় আনার সুপারিশ জানান। সনাতন পদ্ধতিতে মনুষ্য বর্জ্য অপসারণ একটি অমানবিক কাজ। এটি বন্ধে আইনগত সহায়তা নেওয়ার ব্যাপারে তিনি সংশ্লিষ্ট সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট ফর লেবার স্টাডিজ (বিলস্) এর নির্বাহী পরিচালক সৈয়দ সুলতান উদ্দিন আহমেদ বলেন, আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে ম্যানুয়াল স্ক্যাভেঞ্জিং আইনের মাধ্যমে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

আমরা প্রযুক্তিগত উন্নয়নের মাধ্যমে খুব সহজেই ম্যানুয়াল স্ক্যাভেঞ্জিং থেকে বেরিয়ে আসতে পারি। তিনি বলেন, ম্যানুয়াল স্ক্যাভেঞ্জিং বন্ধে কঠোর আইন থাকতে হবে এবং তা কঠোরভাবে প্রয়োগ করতে হবে। নারী পরিচ্ছন্নতাকর্মীগণ কোনো মাতৃত্বকালীন ছুটি পান না। এ ব্যাপারে আইনে প্রয়োজনীয় সংশোধন আনার আহ্বান জানান। বিডিইআরএম সভাপতি উত্তম কুমার ভক্ত তার সমাপনী বক্তব্যে বলেন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এর ৫,০০০ পরিচ্ছন্নতাকর্মীর মধ্যে মাত্র ৩০৮ জন স্থায়ী কর্মী। অর্থাৎ অধিকাংশ পরিচ্ছন্নতাকর্মীর চাকরির কোনো নিশ্চয়তা নেই। তাদের স্থায়ী করার জন্য তিনি সুপারিশ জানান।

এছাড়াও দলিত পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের মধ্যে বেতন বৈষম্য দূর করতে আন্দোলন গড়ে তোলার জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানান।

সালাউদ্দিন/সাএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পাঠকের মন্তব্য:

BD24LIVE.COM
bd24live.com is not only a online news portal. We are a family and work together for giving the better news around the world. We are here to give a nice and colorful media for Bangladesh and for the world. We are always going fast and get the live news from every each corner of the country. What ever the news we reached there and with our correspondents go there who are worked for bd24live.com.
BD24Live.com © ২০২০ | নিবন্ধন নং- ৩২
Developed by | EMPERORSOFT
এডিটর ইন চিফ: আমিরুল ইসলাম আসাদ
বাড়ি#৩৫/১০, রোড#১১, শেখেরটেক, ঢাকা ১২০৭
ই-মেইলঃ [email protected]
ফোনঃ (০২) ৫৮১৫৭৭৪৪
নিউজ রুমঃ ০৯৬০৩২০২৪৩৪
মফস্বল ডেস্কঃ ০১৫৫২৫৯২৫০২
বার্তা প্রধানঃ ০৯৬০৩১৫৭৭৪৪
ইমেইলঃ [email protected]