• ঢাকা
  • ঢাকা, বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২৬
  • শেষ আপডেট ১৬ মিনিট পূর্বে
নিউজ ডেস্ক
বিডি২৪লাইভ, ঢাকা
প্রকাশিত : ২১ মে, ২০২৬, ০৪:০৫ দুপুর

রামিসা হত্যাকাণ্ড: দ্রুত বিচার দাবিতে পল্লবী থানা ঘেরাও

ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে ৭ বছর বয়সী শিশু রামিসা ধ*র্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ক্ষোভে ফুঁসছে পুরো দেশ। ইতোমধ্যে নানা মহল থেকে নৃশংস এ ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবি উঠেছে। এই অবস্থায় বর্বরোচিত এ ঘটনায় জড়িত অপরাধীর দ্রুত বিচার নিশ্চিতে পল্লবী থানা ঘেরাও করেছেন এলাকাবাসী।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকালে পল্লবীতে শিশু রামিসার সহপাঠী ছাড়াও এলাকাবাসীরা তার বাসার সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করেন। ওই সময় বর্বরোচিত এ ঘটনার দ্রুত বিচার নিশ্চিতের আহ্বান জানান তারা।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে, বৃহস্পতিবার সকালে শিশু রামিসার হত্যাকাণ্ডের দ্রুত ও সুষ্ঠু বিচার দাবিতে পল্লবী থানার সামনে রামিসার সহপাঠী ও এলাকাবাসীরা বিক্ষোভ করেন। বিক্ষোভকারীরা একপর্যায়ে থানার ভেতরেও প্রবেশ করেন এবং প্রধান আসামি সোহেল রানাকে কারাগারে না রেখে দ্রুত ফাঁসির দাবি জানান।

অন্যদিকে, শিশু রামিসা ধ*র্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত বিচারের পাশাপাশি সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে রাজধানীতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর উত্তরের মহিলা বিভাগ বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছে। বক্তারা দ্রুত ফাঁসির দাবিও জানান।

রাজধানী ছাড়াও নোয়াখালীতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়। শিশু রামিসার গ্রামের শেরপুরে স্বেচ্ছাসেবী একটি সংগঠনও ব্যানারের মাধ্যমে একই দাবি তুলে ধরেছে।

বুধবার (২০ মে) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা ধর্ষণ ও হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। পরে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে সোহেল রানা জানায়, মঙ্গলবার (১৯ মে) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে শিশু রামিসা ঘর থেকে বের হলে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার তাকে রুমের ভেতরে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে বাথরুমে নিয়ে তাকে ধর্ষণ করে সোহেল। এতে শিশু রামিসা জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। এর মধ্যেই তার মা রামিসার খোঁজে তাদের দরজায় কড়া নাড়তে থাকেন।

ওই সময় গ্রেপ্তার সোহেল রানা ছোট্ট রামিসাকে গলা কেটে হত্যা করেন। এরপর মরদেহ গুম করার উদ্দেশ্যে তার মাথা ধারালো ছুরি দিয়ে কেটে শরীর থেকে আলাদা করেন। সেই সঙ্গে দুই হাত কাঁধ থেকে আংশিক বিচ্ছিন্ন করে মরদেহ বাথরুম থেকে শয়নকক্ষে এনে খাটের নিচে রাখে। একই সময় শিশুটির সংবেদনশীল অঙ্গ ক্ষতবিক্ষত করা হয়। ঘটনার সময় সোহেলের স্ত্রী একই রুমে ছিল। পরে জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যায় সোহেল।

স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে সোহেল আদালতকে জানায়, ঘটনার আগে সে ইয়াবা সেবন করেছিল। এছাড়া ভুক্তভোগী শিশুটির পরিবারের সঙ্গে তার কোনো পূর্ব-শত্রুতা ছিল না বলেও আদালতকে জানায় সোহেল।

এর আগে বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পৃথক দু’টি আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান। পরবর্তীতে পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিকেল সোয়া ৩টার দিকে হাজতখানা থেকে কড়া নিরাপত্তার মধ্যদিয়ে সোহেল রানাকে আদালতে হাজির করা হয়। ওই সময় আদালত প্রাঙ্গণে উপস্থিত কয়েকজন তাকে উদ্দেশ্য করে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

পরে সোহেল রানাকে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাঈদের আদালতে হাজির করা হলে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেন শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ডের প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা। এরপর তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত। এছাড়া অপর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আশরাফুল হকের আদালত গ্রেপ্তার সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

কুশল/সাএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পাঠকের মন্তব্য:


BD24LIVE.COM
bd24live.com is not only a online news portal. We are a family and work together for giving the better news around the world. We are here to give a nice and colorful media for Bangladesh and for the world. We are always going fast and get the live news from every each corner of the country. What ever the news we reached there and with our correspondents go there who are worked for bd24live.com.
BD24Live.com © ২০২০ | নিবন্ধন নং- ৩২
Developed by | EMPERORSOFT
এডিটর ইন চিফ: আমিরুল ইসলাম আসাদ
বাড়ি#৩৫/১০, রোড#১১, শেখেরটেক, ঢাকা ১২০৭
ই-মেইলঃ [email protected]
ফোনঃ (০২) ৫৮১৫৭৭৪৪
নিউজ রুমঃ ০৯৬০৩২০২৪৩৪
মফস্বল ডেস্কঃ ০১৫৫২৫৯২৫০২
বার্তা প্রধানঃ ০৯৬০৩১৫৭৭৪৪
ইমেইলঃ [email protected]