বৈঠকের শুরুতেই চীন সফরে ডাকসু প্রতিনিধিদলকে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ডাকসু নেতৃবৃন্দ। পাশাপাশি, চীন সফরে বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী স্থাপনা, স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়, সুশৃঙ্খল নগর ব্যবস্থাপনা, সুসংহত নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং প্রযুক্তিনির্ভর প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনের মাধ্যমে অর্জিত অভিজ্ঞতার আলোকে নিজ মাতৃভূমিকে আরও সমৃদ্ধ ও আধুনিকভাবে গড়ে তোলার আগ্রহ ব্যক্ত করেন তারা।
সোমবার (৮ জুন) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে তা জানানো হয়। এতে বলা হয়, ওই সফর থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে বাংলাদেশ ও চীনের শিক্ষার্থী এবং গবেষকদের মধ্যকার সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে ডাকসু নেতৃবৃন্দ দূতাবাসের কাছে কয়েকটি সহযোগিতামূলক উদ্যোগের প্রস্তাব তুলে ধরেন।
প্রস্তাবগুলোর মধ্যে রয়েছে: চীন-বাংলাদেশ যৌথ ফেলোশিপ প্রোগ্রাম, দীর্ঘমেয়াদি সেমিস্টার/বর্ষব্যাপী একাডেমিক বিনিময় কর্মসূচি, স্বল্পমেয়াদি একাডেমিক বিনিময় কর্মসূচি, ডাকসু ও চীনের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রনেতাদের মধ্যে সংলাপ, বাংলাদেশ-চীন যুব গবেষণা উদ্যোগ, বৃত্তিমূলক ও কারিগরি দক্ষতা বিনিময় কর্মসূচি এবং চীনা ভাষা ও সংস্কৃতি বিনিময় কর্মসূচি।
এছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিবেশবান্ধব ও টেকসই ক্যাম্পাস পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে চীনা দূতাবাসের নিকট ইকো-ফ্রেন্ডলি ইলেকট্রিক বাস ও ইলেকট্রিক কার্ট সরবরাহের একটি প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়। এ উদ্যোগ ক্যাম্পাসে কার্বন নিঃসরণ হ্রাস, সবুজ পরিবেশ সংরক্ষণ এবং শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মচারীদের জন্য আধুনিক ও টেকসই যাতায়াত ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
চীনা দূতাবাসের কালচারাল সেক্রেটারি লি শাওপেং ডাকসু নেতৃবৃন্দের প্রস্তাবসমূহ গভীর মনোযোগসহকারে শোনেন এবং আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, এসব প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশ ও চীনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও গভীর, শক্তিশালী ও অর্থবহ হয়ে উঠবে।
সালাউদ্দিন/সাএ
সর্বশেষ খবর
ক্যাম্পাস এর সর্বশেষ খবর