• ঢাকা
  • ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬
  • শেষ আপডেট ১৪ সেকেন্ড পূর্বে
আবু সাইদ
রৌমারি, কুডিগ্রাম প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ১৬ জুন, ২০২৬, ০৯:৪২ রাত

সীমান্তে আটকে পড়া দম্পতি জানালেন তারা কোন দেশের বাসিন্দা 

ছবি: প্রতিনিধি, বিডি২৪লাইভ

রৌমারী উপজেলার দুটি সীমান্ত এলাকা দিয়ে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) কর্তৃক পুশইন করা ৯জন এখনও নোম্যান্স ল্যান্ডে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। এ ঘটনায় সীমান্তে উত্তেজনা বিরাজ করলেও বিজিবি-বিএসএফের পতাকা বৈঠকে এখন পর্যন্ত কোনো সমাধান মেলেনি।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) দুপুর ২টা ৩০মিনিট পর্যন্ত ওই দম্পতি ও তাদের দুই শিশু সন্তানসহ ৬ নাগরিক গয়টাপাড়া সীমান্তের শূন্যরেখার কাছে অবস্থান করছিলেন। তাদের ঘিরে দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদস্যরা অতন্দ্র পাহারায় রয়েছেন।

জানা গেছে, গত ১৪ জুন ভোর আনুমানিক ৫টার দিকে ভারতীয় বিএসএফ রৌমারীর গয়টাপাড়া ১০৬০/১-এস সীমান্ত ও মানকারচর ১০৬৬ সীমান্ত পিলার এলাকা দিয়ে পৃথক দুটি দলে মোট ৯ জনকে সীমান্তে এনে রেখে যায়। এর মধ্যে গয়টাপাড়া সীমান্ত দিয়ে ৬ জন এবং মানকারচর সীমান্ত দিয়ে ৩ জন।

আটকে পড়া দম্পতি সুমি আক্তার ও বেলালের দাবি, তারা বাংলাদেশের ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার বিরুনিয়া ইউনিয়নের কংশেরকুল গ্রামের বাসিন্দা। সিলেট সীমান্তপথে তারা ভারতে পাড়ি জমান। পরে বিএসএফ তাদের ধরে নিয়ে গত রবিবার ভোরে রৌমারী উপজেলার গয়টাপাড়া সীমান্তের কাঁটাতার পার করে দেয়। কিন্তু বিজিবি ও স্থানীয়দের বাধায় তারা বাংলাদেশের ভূখণ্ডে প্রবেশ করতে পারেননি।

গয়টাপাড়া সীমান্তে গিয়ে দেখা গেছে, সীমান্তের শূন্যরেখার একদিকে বিএসএফ, আরেকদিকে বিজিবি। মাঝখানে দুই শিশু সন্তান নিয়ে অসহায় বসে আছেন সুমি আক্তার-বেলাল হোসেন দম্পতি। খোলা আকাশের নিচে আজ তৃতীয় দিনের মতো এভাবে বসে আছেন তারা। বাংলাদেশের স্থানীয় বাসিন্দারা মাঝে মাঝে তাদের কাছে গিয়ে কখনও পানি আবার কখনও খাবার সরবরাহ করছেন।

বিজিবি জানায়, বিএসএফ সীমান্ত আইন লঙ্ঘন করে রৌমারীর দুই সীমান্তপথে ৯ জনকে বাংলাদেশের ভূখণ্ডে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করে। ঠেলে দেওয়া ব্যক্তিরা কাঁটাতারের এপারে শূন্যরেখার কাছে ভারতীয় ভূখণ্ডে অবস্থান করলেও তাদের ফেরত নেয়নি বিএসএফ। বিজিবিও তাদেরকে বাংলাদেশ ভূখণ্ডে প্রবেশ করতে দেয়নি।

বিজিবি আরও জানায়, পুশইন চেষ্টার পরপর রবিবার দুপুরে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠক হয়। তবে কোনও সিদ্ধান্ত ছাড়াই বৈঠক শেষ হয়। ঠেলে দেওয়ার ব্যক্তিরা বাংলাদেশি কি না তা নিশ্চিত হওয়ার চেষ্টা চলছে।

বিজিবির ভাষ্য, আন্তর্জাতিক সীমান্ত আইন অনুযায়ী এভাবে কাউকে ঠেলে দিতে পারে না বিএসএফ।

স্থানীয় ইউপি সদস্য সোনা মিয়া বলেন, আমরা চাই এই বিষয়টি যেন দ্রুত সমাধান হয়। বাচ্চা গুলোর মুখের দিকে তাকানো যায়না। এই প্রচণ্ড গরমে তারা মানবেতর জীবন যাপন করছে।

রোহান/সা.এ.

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পাঠকের মন্তব্য:

BD24LIVE.COM
bd24live.com is not only a online news portal. We are a family and work together for giving the better news around the world. We are here to give a nice and colorful media for Bangladesh and for the world. We are always going fast and get the live news from every each corner of the country. What ever the news we reached there and with our correspondents go there who are worked for bd24live.com.
BD24Live.com © ২০২০ | নিবন্ধন নং- ৩২
Developed by | EMPERORSOFT
এডিটর ইন চিফ: আমিরুল ইসলাম আসাদ
বাড়ি#৩৫/১০, রোড#১১, শেখেরটেক, ঢাকা ১২০৭
ই-মেইলঃ [email protected]
ফোনঃ (০২) ৫৮১৫৭৭৪৪
নিউজ রুমঃ ০৯৬০৩২০২৪৩৪
মফস্বল ডেস্কঃ ০১৫৫২৫৯২৫০২
বার্তা প্রধানঃ ০৯৬০৩১৫৭৭৪৪
ইমেইলঃ [email protected]