• ঢাকা
  • ঢাকা, শুক্রবার, ২৬ জুন, ২০২৬
  • শেষ আপডেট ৩৪ সেকেন্ড পূর্বে
নিউজ ডেস্ক
বিডি২৪লাইভ, ঢাকা
প্রকাশিত : ২৬ জুন, ২০২৬, ১২:০১ রাত
রয়টার্সের প্রতিবেদন

ইরান চুক্তিতে সবচেয়ে বড় ধাক্কা নেতানিয়াহুর

ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সাময়িক সমঝোতা চুক্তি ইসরায়েলের ইরাননীতি নয়, বরং প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অবস্থানকেই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষক, সাবেক মার্কিন কর্মকর্তা ও কূটনীতিকরা।

দীর্ঘদিন ধরে নেতানিয়াহু নিজেকে এমন একজন নেতা হিসেবে উপস্থাপন করে আসছিলেন, যিনি ওয়াশিংটনকে ইসরায়েলের কৌশলগত অবস্থানের সঙ্গে একই পথে রাখতে সক্ষম। রিপাবলিকানদের সমর্থনকে কাজে লাগিয়ে তিনি দাবি করতেন, ইরানকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সামরিক চাপই একমাত্র কার্যকর উপায়।

তবে বিশ্লেষকদের মতে, ফেব্রুয়ারিতে শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের সংঘাতের পর ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার সাম্প্রতিক সমঝোতা সেই ধারণাকে উল্টে দিয়েছে। এখন যুক্তরাষ্ট্রের নীতিকে প্রভাবিত করার পরিবর্তে নেতানিয়াহুকেই প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কূটনৈতিক উদ্যোগ মেনে নিতে হচ্ছে।

সাবেক মার্কিন কর্মকর্তা ডেনিস রস বলেন, নেতানিয়াহু বর্তমানে এক কঠিন রাজনৈতিক বাস্তবতার মুখোমুখি। একদিকে সংঘাত বন্ধে আগ্রহী ট্রাম্প প্রশাসন, অন্যদিকে আপসের বিরোধী তার নিজস্ব রাজনৈতিক সমর্থকগোষ্ঠী। ফলে তিনি অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক—দুই দিক থেকেই চাপে রয়েছেন।

নেতানিয়াহুর সাবেক উপদেষ্টা আভিভ বুশিনস্কি বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি নেতানিয়াহুর জন্য বড় ধাক্কা। তিনি শুধু ইরানের সঙ্গে রাজনৈতিক লড়াইয়েই পিছিয়ে পড়েননি, বরং ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবেও আগের অবস্থান হারিয়েছেন।”

তবে নেতানিয়াহুর কার্যালয় এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি। সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ট্রাম্পের সঙ্গে তার সম্পর্ক অংশীদারত্বের, যেখানে অনেক বিষয়ে তারা একমত হন, আবার কিছু বিষয়ে মতপার্থক্যও থাকে।

হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা বলেছেন, ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মধ্যে এখনও শক্তিশালী সম্পর্ক রয়েছে এবং ইরানের সামরিক সক্ষমতা দুর্বল করার ক্ষেত্রে ইসরায়েল গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে কাজ করেছে।

এদিকে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, ইসরায়েলের নিরাপত্তার প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিশ্রুতি ‘অটুট’ রয়েছে এবং এতে কোনো পরিবর্তন আসছে না।

বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্প প্রশাসনের মূল লক্ষ্য এখন মধ্যপ্রাচ্যে নতুন যুদ্ধ এড়িয়ে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা। অন্যদিকে নেতানিয়াহু ইরান ও হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে চাপ অব্যাহত রাখাকে ইসরায়েলের নিরাপত্তার জন্য অপরিহার্য মনে করেন। এই ভিন্ন অবস্থান দুই মিত্র দেশের মধ্যে কৌশলগত দূরত্ব তৈরি করেছে।

গালফ অঞ্চলের কূটনৈতিক সূত্রগুলোর মতে, গাজা যুদ্ধ, পশ্চিম তীর ইস্যু এবং আঞ্চলিক রাজনীতির পরিবর্তিত বাস্তবতায় সৌদি আরবসহ কয়েকটি দেশ ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার বিষয়ে আগের তুলনায় বেশি সতর্ক অবস্থান নিয়েছে। একই সঙ্গে তারা তেহরানের সঙ্গেও নতুন করে যোগাযোগ বাড়ানোর চেষ্টা করছে।

বিশ্লেষকদের ধারণা, যে যুদ্ধ নেতানিয়াহু নিজের রাজনৈতিক উত্তরাধিকারকে আরও শক্তিশালী করবে বলে আশা করেছিলেন, সেটিই শেষ পর্যন্ত তার সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক দুর্বলতায় পরিণত হতে পারে।

সূত্র: রয়টার্স।

সাজু/নিএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পাঠকের মন্তব্য:


BD24LIVE.COM
bd24live.com is not only a online news portal. We are a family and work together for giving the better news around the world. We are here to give a nice and colorful media for Bangladesh and for the world. We are always going fast and get the live news from every each corner of the country. What ever the news we reached there and with our correspondents go there who are worked for bd24live.com.
BD24Live.com © ২০২০ | নিবন্ধন নং- ৩২
Developed by | EMPERORSOFT
এডিটর ইন চিফ: আমিরুল ইসলাম আসাদ
বাড়ি#৩৫/১০, রোড#১১, শেখেরটেক, ঢাকা ১২০৭
ই-মেইলঃ [email protected]
ফোনঃ (০২) ৫৮১৫৭৭৪৪
নিউজ রুমঃ ০৯৬০৩২০২৪৩৪
মফস্বল ডেস্কঃ ০১৫৫২৫৯২৫০২
বার্তা প্রধানঃ ০৯৬০৩১৫৭৭৪৪
ইমেইলঃ [email protected]