• ঢাকা
  • ঢাকা, শুক্রবার, ০৩ জুলাই, ২০২৬
  • শেষ আপডেট ১ মিনিট পূর্বে
এহসানুল হক মিয়া
ফরিদপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ০৩ জুলাই, ২০২৬, ০৩:৫৫ দুপুর

কাজী সিরাজুল ইসলাম মহিলা কলেজ অধ্যক্ষের পদ ফিরে পেতে রাষ্ট্রের কাছে আকুতি

ছবি: প্রতিনিধি, বিডি২৪লাইভ

নিজের প্রতি অন্যায়, অবিচার ও জুলুমের প্রতিবাদ এবং স্বপদে পুনর্বহালের দাবিতে ফরিদপুরের বোয়ালমারী পৌর সদরস্থ কাজী সিরাজুল ইসলাম মহিলা কলেজের সাময়িক বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ মোহাম্মদ ফরিদ আহমেদ পদ ফিরে পেতে রাষ্ট্রের কাছে আকুতি জানিয়েছেন।

তিনি শুক্রবার সকালে বোয়ালমারী বাজারের একটি রেস্টুরেন্টে এক সংবাদ সম্মেলন করেন। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র, শিক্ষকদের আন্তঃকোন্দল আর প্রশাসনিক হেয়ালিপনার বলি হয়ে তিনি চাকরি জীবনে ফিরতে পারছেন না। সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সাময়িক বরখাস্তাদেশ অনির্দিষ্টকালের জন্য ঝুলিয়ে রেখে তাকে গভীর অন্ধকারের মুখে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে বলে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন ফরিদ আহমেদ।

তিনি বলেন, গত ৫ আগস্টের পর কলেজ শিক্ষকদের একটি অংশের উস্কানিতে বহিরাগত কিছু শিক্ষার্থী মব সৃষ্টি করে তার বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির মনগড়া অভিযোগ তুলে তার পদত্যাগ দাবি করেন। এ প্রেক্ষিতে তৎকালীন কলেজ প্রশাসন ২৮ নভেম্বর ফরিদ আহমেদকে সাময়িক বরখাস্ত করলেও এ বিষয়ে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া থেকে রহস্যজনকভাবে বিরত থাকেন। অর্থাৎ ফরিদ আহমেদের বিরুদ্ধে আনীত দুর্নীতি-অনিয়মের অভিযোগ প্রমাণে কোনো তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়নি।

বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি কলেজ শিক্ষক-কর্মচারীদের নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকেও। ফলে সাময়িক বরখাস্ত হবার পর ৬০ কার্য দিবসের মধ্যে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের বিধান থাকলেও কৌশলে তা এড়িয়ে যাওয়া হয়। ফলে সঠিক কোনো তথ্য-প্রমাণ ছাড়াই দুর্নীতির কাল্পনিক অভিযোগে ঝুলে যায় ফরিদ আহমেদের চাকরি জীবন। একপর্যায়ে তার বেতন-ভাতা বন্ধ করে দেওয়া হয়। আটকে দেওয়া হয় তার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট। আয়ের পথ রুদ্ধ হয়ে যাওয়ায় পরিবার-পরিজন নিয়ে জীবন-জীবিকার তীব্র সংকটের মুখে পড়েন ফরিদ আহমেদ। এ পর্যায়ে আদালতের শরণাপন্ন হন তিনি। হাইকোর্টের আদেশে ফরিদ আহমেদ চাকরি, বেতন-ভাতা ফিরে পেলেও তাকে চেয়ারে বসতে দিচ্ছে না শিক্ষক আর ম্যানেজিং কমিটির একটি অংশের যৌথ সিন্ডিকেট। বরং তারা উচ্চ আদালতে পাল্টা রিট করে ফের আটকে দিয়েছেন ফরিদ আহমেদের পদ।

পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের শিকার ফরিদ আহমেদ সংবাদ সম্মেলনে দাবি করে বলেন, আমি নির্দোষ। আমার নীতি, আদর্শ, সততায় ঈর্ষান্বিত হয়ে শিক্ষকদের একটি অংশ ষড়যন্ত্র করে আমাকে ফাঁসিয়েছে। কলেজ থেকে আমাকে দূরে সরিয়ে আমার পদ দখল করেছে। কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়েছে। বাসা-বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর, লুটপাট করেছে। পরিবারের সদস্যদের মারধর করেছে। এর জন্য কলেজের বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ডক্টর হোসনেয়ারা বেগম, সহকারী অধ্যাপক আব্দুল মান্নান-মো. আজহার আলী, প্রভাষক সৈয়দা দিল আশরাফি, সেকশন অফিসার কামরুল ইসলাম ও অফিস সহায়ক মানিক হোসেনকে দায়ী করে তাদের বিচার দাবি করেন ফরিদ আহমেদ।

আবেগঘন কণ্ঠে রাষ্ট্রের কাছে স্বপদে পুনর্বহালের আকুতি জানিয়ে তিনি বলেন, আমি এখন বয়োবৃদ্ধ। চাকরির বয়স আর মাত্র দুই মাস বাকি আছে। এই মুহূর্তে চাকরিটা ফিরে না পেলে অবসরজনিত প্রাপ্য নিয়ে কঠিন সমস্যার মুখে পড়তে হবে। তাই এ বিষয়ে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেন বৃদ্ধ কলেজ শিক্ষক ফরিদ আহমেদ।

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পাঠকের মন্তব্য:

BD24LIVE.COM
bd24live.com is not only a online news portal. We are a family and work together for giving the better news around the world. We are here to give a nice and colorful media for Bangladesh and for the world. We are always going fast and get the live news from every each corner of the country. What ever the news we reached there and with our correspondents go there who are worked for bd24live.com.
BD24Live.com © ২০২০ | নিবন্ধন নং- ৩২
Developed by | EMPERORSOFT
এডিটর ইন চিফ: আমিরুল ইসলাম আসাদ
বাড়ি#৩৫/১০, রোড#১১, শেখেরটেক, ঢাকা ১২০৭
ই-মেইলঃ [email protected]
ফোনঃ (০২) ৫৮১৫৭৭৪৪
নিউজ রুমঃ ০৯৬০৩২০২৪৩৪
মফস্বল ডেস্কঃ ০১৫৫২৫৯২৫০২
বার্তা প্রধানঃ ০৯৬০৩১৫৭৭৪৪
ইমেইলঃ [email protected]