• ঢাকা
  • ঢাকা, রবিবার, ০৫ জুলাই, ২০২৬
  • শেষ আপডেট ২৪ সেকেন্ড পূর্বে
নিউজ ডেস্ক
বিডি২৪লাইভ, ঢাকা
প্রকাশিত : ০৫ জুলাই, ২০২৬, ০৪:১২ দুপুর

নিজেদের করা আইনেই আওয়ামী লীগের বিচার হবে: চিফ প্রসিকিউটর

ছবি: সংগৃহীত

আওয়ামী লীগের বিচার করতে নতুন আইনের প্রয়োজন নেই, দলটির প্রণীত আইনেই বিচার সম্ভব বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। তার ভাষ্য, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন-১৯৭৩ ও সন্ত্রাসবিরোধী আইন-২০০৯—দুটিই আওয়ামী লীগ সরকারের প্রণীত, আর এসব আইনেই কোনো সংগঠনের বিচার করার বিধান রয়েছে।

রোববার (৫ জুলাই) দুপুরে নিজ কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থেকে আওয়ামী লীগ দলগতভাবে নানা ধরনের অপরাধে জড়িয়েছে। একই সঙ্গে ‘সুপিরিয়র রেসপনসিবিলিটি’ নীতির আওতায় দলটির শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধেও অভিযোগ রয়েছে। প্রচলিত আইন অনুযায়ী এসব অপরাধের বিচার করার সুযোগ রয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাম্প্রতিক বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে আমিনুল ইসলাম বলেন, ৪ জুলাই এক স্মরণসভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দল হিসেবে আওয়ামী লীগের বিচারের কথা বলেছেন। বিষয়টি গণমাধ্যমে যেভাবে এসেছে, তিনিও সেভাবেই জেনেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, স্বাধীনতার পর ১৯৭৩ সালে আওয়ামী লীগ সরকার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন প্রণয়ন করে। পরে ২০১০ সালে ওই আইনের আওতায় ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয় এবং ২০১৩ সালে আইন সংশোধন করে ‘অর্গানাইজেশন’ বা সংগঠনকে বিচারের আওতায় আনার বিধান যুক্ত করা হয়।

তিনি আরও বলেন, ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার সন্ত্রাসবিরোধী আইন প্রণয়ন করে, যেখানে ব্যক্তি ছাড়াও কোনো সংগঠনের বিরুদ্ধে বিচার পরিচালনার সুযোগ রাখা হয়েছে।

জামায়াতে ইসলামীকে নিষিদ্ধ করার প্রসঙ্গ তুলে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ২০২৪ সালের ১ আগস্ট সন্ত্রাসবিরোধী আইনের ১৮ ধারা ব্যবহার করে আওয়ামী লীগ সরকারই জামায়াতে ইসলামীকে নিষিদ্ধ করেছিল। অর্থাৎ কোনো রাজনৈতিক দল বা সংগঠনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আইনগত কাঠামো আওয়ামী লীগ সরকারই তৈরি করেছিল।

তিনি বলেন, বর্তমানে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন-১৯৭৩ অনুযায়ী মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার চলছে। ফলে একই আইনের আওতায় দল হিসেবে আওয়ামী লীগের বিচারও সম্ভব।

মো. আমিনুল ইসলাম অভিযোগ করেন, ২০০৯ সালে ক্ষমতায় আসার পর আওয়ামী লীগ দেশে একটি ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করেছিল। এ সময় জনগণের রাজনৈতিক অধিকার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং রাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান দুর্বল হয়ে পড়ে।

তিনি আরও বলেন, ছাত্রলীগ, যুবলীগসহ আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধেও বিভিন্ন সহিংস কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে। বিশেষ করে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের সময় ছাত্র-জনতার ওপর হামলা ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সংগঠনটির ভূমিকা নিয়ে তদন্ত চলছে।

চিফ প্রসিকিউটর জানান, আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে আসা অভিযোগগুলো আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে। পাশাপাশি সন্ত্রাসবিরোধী আইনের আওতায়ও পৃথক তদন্তের সুযোগ রয়েছে। তদন্ত শেষে প্রাথমিক প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কুশল/সাএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পাঠকের মন্তব্য:


BD24LIVE.COM
bd24live.com is not only a online news portal. We are a family and work together for giving the better news around the world. We are here to give a nice and colorful media for Bangladesh and for the world. We are always going fast and get the live news from every each corner of the country. What ever the news we reached there and with our correspondents go there who are worked for bd24live.com.
BD24Live.com © ২০২০ | নিবন্ধন নং- ৩২
Developed by | EMPERORSOFT
এডিটর ইন চিফ: আমিরুল ইসলাম আসাদ
বাড়ি#৩৫/১০, রোড#১১, শেখেরটেক, ঢাকা ১২০৭
ই-মেইলঃ [email protected]
ফোনঃ (০২) ৫৮১৫৭৭৪৪
নিউজ রুমঃ ০৯৬০৩২০২৪৩৪
মফস্বল ডেস্কঃ ০১৫৫২৫৯২৫০২
বার্তা প্রধানঃ ০৯৬০৩১৫৭৭৪৪
ইমেইলঃ [email protected]