সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন বেতন কাঠামো চলতি মাসেই মন্ত্রিসভার অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হতে পারে। সোমবার অনুষ্ঠিত সংশ্লিষ্ট কমিটির সভায় এ বিষয়ে এমন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
সভা-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, নবম জাতীয় বেতন কমিশনের প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে সরকারের জন্য চূড়ান্ত সুপারিশ তৈরির লক্ষ্যে আগামী সপ্তাহে কমিটির আরেকটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এরপর সচিব কমিটি সুপারিশ চূড়ান্ত করে তা পরবর্তী সপ্তাহে মন্ত্রিসভার সভায় উপস্থাপন করবে। মন্ত্রিসভা প্রয়োজন মনে করলে সুপারিশে পরিবর্তন, সংযোজন বা বিয়োজন করতে পারবে। অনুমোদনের পর গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর হবে।
সরকার এরই মধ্যে ঘোষণা দিয়েছে, চলতি মাসের ১ তারিখ থেকেই নবম বেতন কাঠামো বাস্তবায়ন করা হবে। তবে বাস্তবায়নের পদ্ধতি ও কাঠামো নির্ধারণে ‘জাতীয় বেতন কমিশন-২০২৫’ একাধিক বৈঠক করেছে।
কমিটির সদস্যরা চলতি অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে নতুন মূল বেতন এবং আগামী অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে বিভিন্ন ভাতা কার্যকরের পক্ষে মত দিয়েছেন। তবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে মন্ত্রিসভা।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, সরকারের প্রধান লক্ষ্য হলো নিম্ন গ্রেডের কর্মচারীদের ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধি করা। এ কারণে ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের জন্য তুলনামূলক বেশি হারে বেতন বৃদ্ধির সুপারিশ আসতে পারে। অন্যদিকে, ১ম থেকে ৯ম গ্রেডের কর্মকর্তাদের বেতনও উল্লেখযোগ্য হারে বাড়লেও সেই বৃদ্ধি তুলনামূলক সীমিত হতে পারে।
অর্থ বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ১ম থেকে ৯ম গ্রেড পর্যন্ত বেতন ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে। আর ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের ক্ষেত্রে বেতন বৃদ্ধি ৯০ থেকে ১০০ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে।
কুশল/সাএ
সর্বশেষ খবর