• ঢাকা
  • ঢাকা, সোমবার, ১৩ জুলাই, ২০২৬
  • শেষ আপডেট ৩১ সেকেন্ড পূর্বে
নিউজ ডেস্ক
বিডি২৪লাইভ, ঢাকা
প্রকাশিত : ১৩ জুলাই, ২০২৬, ০৬:২৫ বিকাল

বন্ধ হরমুজ: দেশে জ্বালানি তেল মজুত আছে ৩৪ দিনের

ছবি: সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা এবং হরমুজ প্রণালিতে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায় বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি)-এর দাম বাড়লে দেশের আমদানি ব্যয় ও ভর্তুকির চাপ আরও বৃদ্ধি পেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।  

সরকারি সূত্র বলছে, ডিসেম্বর পর্যন্ত সরকার-টু-সরকার (জি-টু-জি) চুক্তির আওতায় প্রায় ১৬ লাখ টন ডিজেল, অকটেন, ফার্নেস অয়েল ও জেট ফুয়েল আমদানির প্রস্তুতি প্রায় শেষ। সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে প্রাথমিক সমঝোতাও সম্পন্ন হয়েছে। আলোচনার মাধ্যমে পরিবহন ব্যয় বা প্রিমিয়াম কমিয়ে আনতে পারায় উন্মুক্ত দরপত্রের তুলনায় প্রায় ৭০০ কোটি টাকা সাশ্রয়ের সুযোগ তৈরি হয়েছে।

তবে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় এলএনজি সরবরাহ না থাকায় বর্তমানে স্পট মার্কেট থেকেই গ্যাস কিনতে হচ্ছে বাংলাদেশকে। এ কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে দামের ওঠানামার প্রভাব সরাসরি দেশের আমদানি ব্যয়ে পড়ছে। মার্চে যেখানে প্রতি ইউনিট এলএনজি কিনতে প্রায় ২৮ ডলার ব্যয় হয়েছিল, যুদ্ধবিরতির পর তা ১৬ থেকে ১৭ ডলারে নেমে আসে। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে দাম আবার বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

পেট্রোবাংলার কর্মকর্তাদের মতে, হরমুজ প্রণালি দীর্ঘ সময় অচল থাকলে বিশ্ববাজারে তেল ও এলএনজির মূল্য আরও বাড়তে পারে। সে ক্ষেত্রে বাংলাদেশের জ্বালানি আমদানির খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাবে। এতে ভোগান্তির মধ্যে পরবে সাধারণ জনগণ।

এদিকে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) জানিয়েছে, দেশে বর্তমানে প্রায় ৪ লাখ ১৪ হাজার টন ডিজেল মজুত রয়েছে, যা দিয়ে প্রায় ৩৪ দিনের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব। অকটেনের মজুতও প্রায় ৪০ দিনের জন্য যথেষ্ট। চলতি মাসে আরও কয়েকটি জ্বালানিবাহী জাহাজ দেশে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

তবে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে উচ্চমূল্যে জ্বালানি আমদানি করে কম দামে বিক্রি করায় সরকারের ওপর বড় আর্থিক চাপ তৈরি হয়েছে। মার্চ থেকে জুন পর্যন্ত শুধু তেল আমদানিতেই বিপিসির প্রায় ২১ হাজার কোটি টাকা অতিরিক্ত ব্যয় হয়েছে। একই সময়ে তেল ও এলএনজি মিলিয়ে সরকারের মোট আর্থিক চাপ প্রায় ৩১ হাজার কোটি টাকায় পৌঁছেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

বিপিসির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গত কয়েক মাসে জ্বালানি ভর্তুকির অর্থ না পাওয়ায় উন্নয়ন প্রকল্পের বরাদ্দ থেকেই আমদানি ব্যয় মেটাতে হয়েছে। সংস্থাটি অর্থ বিভাগের কাছে একাধিকবার ভর্তুকি চাইলেও এখন পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, আপাতত দেশের জ্বালানি মজুত স্বাভাবিক থাকলেও আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে নতুন করে মূল্যচাপ ও সরবরাহ-সংকটের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। তাই পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে সরকার।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এমন পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে সরকারের সক্রিয় থাকতে হবে।

বাপ্পি/সা.এ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পাঠকের মন্তব্য:

BD24LIVE.COM
bd24live.com is not only a online news portal. We are a family and work together for giving the better news around the world. We are here to give a nice and colorful media for Bangladesh and for the world. We are always going fast and get the live news from every each corner of the country. What ever the news we reached there and with our correspondents go there who are worked for bd24live.com.
BD24Live.com © ২০২০ | নিবন্ধন নং- ৩২
Developed by | EMPERORSOFT
এডিটর ইন চিফ: আমিরুল ইসলাম আসাদ
বাড়ি#৩৫/১০, রোড#১১, শেখেরটেক, ঢাকা ১২০৭
ই-মেইলঃ [email protected]
ফোনঃ (০২) ৫৮১৫৭৭৪৪
নিউজ রুমঃ ০৯৬০৩২০২৪৩৪
মফস্বল ডেস্কঃ ০১৫৫২৫৯২৫০২
বার্তা প্রধানঃ ০৯৬০৩১৫৭৭৪৪
ইমেইলঃ [email protected]