চট্টগ্রামের বাঁশখালী থানায় শিশু বলাৎকার মামলার প্রধান আসামী রমিজ উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৭, চট্টগ্রাম৷
র্যাব-৭, চট্টগ্রাম জানিয়েছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার (৩ আগস্ট) দুপুর ২টায় র্যাব-৭, চট্টগ্রাম এর একটি দল চট্টগ্রাম জেলার আনোয়ারা থানাধীন কর্ণফুলী টানেল সংলগ্ন চায়না রোডস্থ বৈরাগ এলাকায় অভিযান পরিচালানা করে মামলার এজাহারনামীয় প্রধান পলাতক আসামি মুহাম্মদ রমিজ উদ্দীন (৩১) কে প্রেপ্তার করে৷ তিনি বাঁশখালী উপজেলার উত্তর সরল ইউনিয়নের মৃত মতিউর রহমানের ছেলে৷
এজাহার সূত্রে জানা যায়, ৮ বছর বয়সি ভিকটিম গত ৬/৭ মাস পূর্বে স্থানীয় বাঁশখালী দারুচ্ছুন্নাহ খাইরিয়া মাদরাসা ও এতিমখানার নাজেরা বিভাগে ভর্তি হয়ে পড়ালেখা করে আসছে। অভিযুক্ত মুহাম্মদ রমিজ উদ্দীন উক্ত মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক এবং ভিকটিম উক্ত মাদ্রাসায় ভর্তি হওয়ার পর থেকে শিশুটিকে দেখে তার অস্বাভাবিক যৌনলালসা চরিতার্থ করার জন্য বিভিন্নভাবে চেষ্টা করতে থাকে। বিবাদী ইতিপূবে বিভিন্ন সময় একাধিকবার ভিকটিমের সাথে উক্ত মাদ্রাসার ওয়াশরুমে জোর পূর্বক মুখ চেপে ধরে ধর্ষণ (বলাৎকার) করে।
জানা যায়, সর্বশেষ গত ২৩ জুলাই ২০২৬ইং তারিখ বিকাল অনুমান সাড়ে চারটায় মাদ্রাসার ক্লাস ছুটি হওয়ায় অন্যান্য শিক্ষার্থীরা মাঠে খেলতে যাওয়ার সুযোগে অভিযুক্ত রমিজ উদ্দিন ভিকটিমকে মাদ্রাসার এতিমখানার হেফজ বিভাগের ২য় তলার ক্লাসরুমে একাকী ডেকে নিয়ে জোরপূর্বক পায়ুপথে ধর্ষণ (বলাৎকার) করে এবং এ বিষয়ে কাউকে না বলার জন্য বিভিন্ন রকম ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। পরবর্তীতে শিশুটি বাড়িতে এসে তার মায়ের কাছে অঝোরে কান্নাকাটি করে বলতে থাকে আর কখনো সে মাদ্রাসায় যাবেনা। ভিকটিমের মা তাকে কান্নাকাটির কারণ জিজ্ঞাসা করলে শিশুটি উল্লেখিত ঘটনার বিষয়টি খুলে বলে।
এই ঘটনায় ভিকটিমের পিতা বাদী হয়ে চট্টগ্রাম বাঁশখালী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং-৪০, তারিখ-২৯ জুলাই ২০২৬ইং, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০(সংশোধন-২০২৫) এর ৯(১) তৎসহ ৫০৬ পেনাল কোড৷
গ্রেপ্তারকৃত আসামীকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে৷
বাপ্পি/সা.এ
সর্বশেষ খবর
জেলার খবর এর সর্বশেষ খবর