দেখতে তারা গ্রুপ বাইকার৷ বেশভূষা আর বাইক চালনায় বুঝার উপায় নেই এই বাইকাররা বহন করছিল বিপুল পরিমানে ইয়াবা। অবশেষে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-৭ এর জালে একে একে ধরা পড়ে সংঘবদ্ধ বাইকার গ্রুপের ৬ সদস্য৷ উদ্ধার হয় ১ লাখ পিস ইয়াবা৷
র্যাব-৭ চট্টগ্রামের কাছে গোপন সংবাদ ছিল একদল বাইকার বিপুল পরিমান মাদক নিয়ে কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে মোটরসাইকেলের বহরসহ যাত্রা করেছে।
সেই তথ্যের ভিত্তিতে আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে পটিয়া সরকারি কলেজ জামে মসজিদের বিপরীত পাশে, সুলতান হোটেলের সামনে বসানো হয় র্যাবের অস্থায়ী চেকপোস্ট।
চেক পোস্ট বসানোর খানক পরেই সেখানে পৌছাতে থাকে ৫টি মোটরসাইকেলের একটি বহর৷ র্যাব তাদের সংকেত দিয়ে থামানোর পর বাইকারদের আচরণে সন্দেহ ঘনীভূত হলে শুরু হয় তল্লাশি।
এসময় বাইকারদের সঙ্গে থাকা কাঁধের ব্যাগ এবং মোটরসাইকেলের বিশেষ বক্সে তল্লাশি করতেই বেরিয়ে আসে বিপুল পরিমাণ ইয়াবার ছোট বড় প্যাকেট। বিশেষ কৌশলে স্কচটেপ পেঁচিয়ে রাখা এসব প্যাকেটে সর্বমোট রাখা ছিল ১ লাখ পিস ইয়াবা, যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৩ কোটি টাকা।
ঘটনাস্থল থেকেই আটক করা হয় বাইকার গ্যাংয়ের ৬ সক্রিয় সদস্যকে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তাদের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে।
আটককৃতরা হলেন-মো. বশির (৩৮), বেলাল উদ্দিন (৩২), নুরুল মোস্তফা (২৭), মো. সাইফুল (২৪), মো. হাসান (৩৯) এবং মো. হোসেন (৩৭)। এসময় তাদের ব্যবহৃত ৫টি বাইকও জব্দ করা হয়৷
অভিযানের প্রসঙ্গে র্যাব-৭, চট্টগ্রামের সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এ. আর. এম. মোজাফ্ফর হোসেন জানান, সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতেই এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। আটককৃত সবার বাড়ি কক্সবাজার জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায়। তারা ছদ্মবেশে দীর্ঘদিন ধরে বাইকে করে বিভিন্ন রুটে মাদকের চালান পৌঁছানোর কাজ করে আসছিল।
সংঘবদ্ধ এই মাদকচক্রটি বাইকের গতি ও রাইডারদের ছদ্মবেশকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছিল। উদ্ধারকৃত মাদক ও মোটরসাইকেল জব্দের পাশাপাশি গ্রেপ্তার ৬ জনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের ও পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানান র্যাব-৭ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) মোজাফ্ফর হোসেন
রোহান/সা.এ.
সর্বশেষ খবর
জেলার খবর এর সর্বশেষ খবর