চট্টগ্রাম ওয়াসা মোড় এলাকার এস এইচ খান এন্ড সন্স সিএনজি রি-ফিউলিং স্টেশন৷ ঘড়ির কাটাতে তখন রাত ১টা বেজে ১২ মিনিট৷ গ্যাসের অপেক্ষায় থাকা গাড়ির একটি লাইন ওয়াসার মোড় থেকে লালখান বাজার আরেকটি দামপাড়া পুলিশ লাইন অব্দি পৌছে গেছে৷
স্টেশনের রি-ফুয়েলিং মেশিনের সামনে গত তিনদিন ধরে ঠাঁয় দাঁড়িয়ে আছে বেশ কয়েকটি প্রাইভেট কার ও সিএনজি চালিত অটোরিকশা৷ আর এই চিত্র জানান দিচ্ছে গত তিনদিনে একটিবারের জন্যেও এই সিএনজি স্টেশনে গ্যাসের দেখা পাওয়া যায়নি৷ গাড়ির চালকেরা গ্যাসের আশায় থাকলেও সার্বিক পরিস্থিতি আরো একটি বা একাধিক দিন অপেক্ষায় থাকার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে৷
জানা গেছে, তিনদিন যাবৎ সিএনজি স্টেশনে টানা অপেক্ষায় থাকা গাড়ি গুলোর ফুয়েল সিসটেমে ত্রুটির কারণে এই গাড়ি গুলো সিএনজি গ্যাস ছাড়া চলার বিকল্প কোন সুযোগ নেই৷ গাড়ি গুলোর গ্যাস সম্পূর্ণ ফুরিয়ে যাওয়ায় বিগত তিনদিন যাবৎ এই স্টেশনেই পড়ে আছে৷ স্টেশনের দ্বায়িত্বরতরা বলছেন, এই গাড়ি গুলো আমাদের স্টেশনে এসেছিল গ্যাস নিতে৷ কিন্তু গত তিনদিন যাবৎ আমরা কোন গ্যাস সরবরাহ না পাওয়ায় গাড়ি গুলোতে গ্যাস দিতে পারিনি৷ গাড়ির মালিকেরাও গাড়িতে জ্বালানি না থাকায় এখানেই অপেক্ষায় আছে৷
বর্তমানে চট্টগ্রামের গ্যাস পরিস্থিতি অনেকটাই তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে৷ আজ ১৫ আগস্ট এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত (রাত ২টা ৩০ মিনিট) ঐ সিএনজি স্টেশনে গ্যাসের দেখা মেলেনি৷ আশংকা করা হচ্ছে আর কয়েক ঘন্টা পার হলে ৪র্থ দিনের আলোর দেখা মিললেও কাঙ্খিত সিএনজি গ্যাসের দেখা পাওয়ার সম্ভাবনা অনেকটাই ক্ষীণ৷ সচেতন মহল বলছে, এমন ঘটনা দেশে নজির বিহীন৷ বাংলাদেশে সিএনজি গ্যাস যুগের সূচনা হওয়ার পর এমন চিত্র আগে কেউ দেখেনি৷ এই যুগে যুদ্ধাবস্থা ছাড়া জ্বালানির জন্য এতো দীর্ঘ অপেক্ষা কল্পনাতীত।
সর্বশেষ খবর
জেলার খবর এর সর্বশেষ খবর