ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নতুন নিষেধাজ্ঞা ও অর্থনৈতিক চাপের উদ্যোগ ব্যর্থ হবে। তিনি ট্রাম্পের ঘোষিত তথাকথিত ‘ইকোনমিক ডি-ডে’কে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ সমস্যা থেকে মানুষের দৃষ্টি সরানোর একটি কৌশল হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন কোনো সমঝোতায় পৌঁছানো সম্ভব না হওয়ায় ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে নজিরবিহীন ‘কঠোর অর্থনৈতিক অভিযান’ শুরুর ঘোষণা দিয়েছেন। একই সঙ্গে তেহরানকে অর্থনৈতিকভাবে সহায়তা করা যেকোনো দেশের বিরুদ্ধেও কঠোর আর্থিক ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
আরাগচি ট্রাম্পের এই পদক্ষেপকে প্রত্যাখ্যান করে বলেন, তথাকথিত ‘ইকোনমিক ডি-ডে’ যুক্তরাষ্ট্রের জন্য আরও একটি পরাজয় বয়ে আনবে। তাঁর দাবি, ইরানের ওপর সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগের নীতি অতীতেও কাঙ্ক্ষিত ফল দেয়নি এবং এবারও তা ব্যর্থ হবে।
এদিকে ট্রাম্প জানিয়েছেন, কোনো এক সময় ওয়াশিংটন আবারও তেহরানের সঙ্গে আলোচনা শুরু করতে পারে। তিনি বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান দাবি হলো—তেহরান যেন পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে না পারে।
অন্যদিকে ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্য থেকে ‘সম্মানজনকভাবে বের হওয়ার পথ’ খুঁজছে। একই সঙ্গে ওয়াশিংটন অঞ্চলটিতে একটি ‘নতুন আঞ্চলিক ব্যবস্থা’ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনার মধ্যেই ট্রাম্পের নতুন অর্থনৈতিক চাপ এবং তেহরানের পাল্টা অবস্থান দুই দেশের সম্পর্ককে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে।
সাজু/নিএ
সর্বশেষ খবর
সারাবিশ্ব এর সর্বশেষ খবর