কাকতাড়ুয়া পাপেট থিয়েটারের আয়োজনে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দুই দিনব্যাপী ‘পুতুলনাট্য উৎসব ২০২৬’।
আগামী ২৭ ও ২৮ আগস্ট (বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার) শিল্পকলা একাডেমির স্টুডিও থিয়েটার হলে অনুষ্ঠিত হবে এ উৎসব।
সংবাদ সম্মেলনে আয়োজকেরা জানান, বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বিকেল ৫টায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে উৎসব শুরু হবে। এতে উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত থাকবেন পাপেটশিল্পী অধ্যাপক রশীদ হারুন।
উৎসবের প্রথম দিন সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় ইনভেন্টর’স পাপেটের ‘ইন্টারঅ্যাক্টিভ পাপেট’ ও কাকতাড়ুয়া পাপেট থিয়েটারের ‘বনভ্রমণ’ মঞ্চস্থ হবে।
দ্বিতীয় দিন সকাল ১১টায় যুগ পাপেট থিয়েটারের ‘ইন্টারঅ্যাক্টিভ পাপেট’ ও কাকতাড়ুয়া পাপেট থিয়েটারের ‘লিচু চোর’ পরিবেশিত হবে। বিকেল ৫টায় অপুতুল পাপেটের ‘চিকেন খাই না’ ও কাকতাড়ুয়া পাপেট থিয়েটারের ‘নোলক’ মঞ্চস্থ হবে।
পরে সন্ধ্যা ৭টায় ইউনিভার্সেল পাপেটের ‘সবুজ দেশের বিপদ’ ও কাকতাড়ুয়া পাপেট থিয়েটারের ‘বীরপুরুষ’ পরিবেশন করা হবে।
উৎসবে কাকতাড়ুয়া পাপেট থিয়েটারের ‘লিচু চোর’, ‘নোলক’ ও ‘বীরপুরুষ’ পুতুলনাট্য তিনটি একই নামের কবিতা থেকে অনুপ্রাণিত। ‘লিচু চোর’ লিখেছেন রাসেল ইসলাম, ‘নোলক’ শরণ এহসান এবং ‘বীরপুরুষ’ শোভন চক্রবর্তী।
এ ছাড়া ‘বনভ্রমণ’ পুতুলনাটকটি শরণ এহসানের রচনায় এর আগে অমর একুশে বইমেলা ২০২৬-এর শিশুপহরে মঞ্চস্থ করেছিল কাকতাড়ুয়া পাপেট থিয়েটার।
কাকতাড়ুয়া পাপেট থিয়েটারের প্রতিষ্ঠাতা আসাদুজ্জামান আশিক বলেন, “পাপেটের শক্তিকে কাজে লাগিয়ে গল্পের মাধ্যমে শিশুদের নৈতিক ও মানবিক গুণাবলীর বার্তা দিচ্ছি। আমরা চাই, আনন্দের মাধ্যমে দেওয়া এই শিক্ষাগুলো শিশুদের মস্তিষ্কে অনেক দিন থেকে যাক। পাপেটের শক্তিকে কাজে লাগিয়ে শিশু শিক্ষার অন্যতম উপকরণ হিসেবে এই পাপেটের ব্যবহার এবং পুতুলনাট্য শিল্পকে বিশ্বের দরবারে তুলে ধরতে চাই।”
উল্লেখ্য, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে ২০১৯ সালে কাকতাড়ুয়া পাপেট থিয়েটারের যাত্রা শুরু হয়। বর্তমানে শিশুদের আনন্দদায়ক শিক্ষার পাশাপাশি জনসচেতনতা, বয়স্ক শিক্ষা, পাপেট থেরাপি, অটিজম ও প্যালিয়েটিভ কেয়ারসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাজ করছে সংগঠনটি। এবারের উৎসবটি পুতুলনাট্যশিল্পী মোস্তফা মনোয়ারকে উৎসর্গ করা হয়েছে।
বাপ্পি/সা.এ
সর্বশেষ খবর
ক্যাম্পাস এর সর্বশেষ খবর