নিজ বাড়িতে ছুরিকাঘাতে ২১ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থী ও মডেল নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার জিম ট্রেনার ইমরানকে সন্দেহ করছে পুলিশ। অভিযোগ, ছুরি দিয়ে হামলার পর তিনি ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বুধবার (২৬ আগস্ট) ভারতের রাজধানীর পশ্চিম দিল্লির তিলক নগরের একটি ভবনের দ্বিতীয় তলায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত তরুণীর নাম মুসকান। ঘটনার সময় তিনি বাড়িতে একাই ছিলেন।
প্রতিবেশীরা জানান, মুসকানের চিৎকার শুনে তারা তার বাসায় ছুটে যান। সেখানে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, হামলার পর অভিযুক্ত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসিপি) অভিষেক গুপ্তা বলেন, অভিযুক্তকে খুঁজে বের করতে অভিযান চালানো হচ্ছে। পাশাপাশি ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিকে শনাক্ত করতে আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করা হচ্ছে।
মুসকানের বন্ধু আমান জানান, তিন বোনের মধ্যে মুসকান ছিলেন সবচেয়ে ছোট। ঘটনার সময় তার বড় বোন চণ্ডীগড়ে ছিলেন। তিনি ফোন করে আমানকে দ্রুত মুসকানের বাসায় যেতে বলেন।
আমানের দাবি, মুসকানের বোনেরা তাকে জানিয়েছিলেন যে ইমরান আগে থেকেই তাকে হয়রানি করতেন। অতীতেও এমন ঘটনা ঘটেছিল বলে দাবি করেন তিনি। এ কারণে হত্যাকাণ্ডের পর ইমরানের ওপর সন্দেহ আরও জোরালো হয়।
তবে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ এবং ইমরানের সঙ্গে মুসকানের সম্পর্কের বিষয়টি এখনো তদন্তাধীন। পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজসহ বিভিন্ন আলামত বিশ্লেষণ করে ঘটনার রহস্য উদঘাটনের চেষ্টা করছে।
সাজু/নিএ
সর্বশেষ খবর