• ঢাকা
  • ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬
  • শেষ আপডেট ১ মিনিট পূর্বে
শাহাদুল ইসলাম সাজু
জয়পুরহাট প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ২৭ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৪১ দুপুর

নিখোঁজের পর আখখেতে ফরিদের কঙ্কাল, গ্রেপ্তার প্রধান আসামি

ছবি: প্রতিনিধি, বিডি২৪লাইভ

জয়পুরহাট সদর উপজেলার জিতারপুর মোড়ের একটি আখখেত থেকে উদ্ধার হওয়া কঙ্কালটি নিখোঁজ ইজিবাইক চালক ফরিদ হোসেনের (৪১) বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলার প্রধান আসামি সাগর হোসেনকে (২৭) বুধবার বিকেলে নওগাঁর আত্রাই রেলস্টেশন এলাকা থেকে র‌্যাব ও পুলিশ যৌথভাবে গ্রেপ্তার করেছে। কঙ্কাল থেকে ডিএনএ পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহের পর সেটি ফরিদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে কঙ্কালটি দাফন করেছে তার পরিবার।

ফরিদের বাবা আবদুল কুদ্দুস জানান, তাঁর ছেলে ২০ আগস্ট সকালে ইজিবাইক নিয়ে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর আর ফিরে আসেনি। আখখেতে কঙ্কাল পাওয়ার খবর শুনে সেখানে গিয়ে পোশাক দেখে তাঁরা সেটি তাঁদের ছেলে ফরিদের বলে শনাক্ত করেন। তিনি দ্রুত হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত ২০ আগস্ট সকাল ১০টার দিকে ক্ষেতলাল উপজেলার হোপপীরহাট গ্রামের বাড়ি থেকে ইজিবাইক নিয়ে বের হন ফরিদ। এরপর তাঁর আর কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। পরদিন তাঁর বাবা আবদুল কুদ্দুস ক্ষেতলাল থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। জিডির সূত্র ধরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় সোমবার জয়পুরহাট সদর উপজেলার পাকার মাথা এলাকার একটি গ্যারেজ থেকে ফরিদের ইজিবাইক উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় রবিউল ও জাকির হোসেন নামের দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

একই দিন ফরিদের বাবা বাদী হয়ে ক্ষেতলাল থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলায় হোপীরহাট গ্রামের সাগর হোসেনকে প্রধান আসামি করে অজ্ঞাতনামা আরও তিন-চারজনকে আসামি করা হয়। মামলা হওয়ার পরদিন মঙ্গলবার ভোরে জিতারপুর মোড়ের একটি আখখেত থেকে শেয়াল মানুষের হাড়গোড় সড়কের ওপর টেনে আনলে স্থানীয় লোকজনের নজরে আসে। পরে তাঁরা আখখেতের ভেতরে গিয়ে একটি কঙ্কাল দেখতে পান।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে কঙ্কালটি উদ্ধার করে। ফরিদের নিখোঁজ হওয়ার খবর জানতে পেরে তাঁর স্বজনেরাও সেখানে যান। কঙ্কালের সঙ্গে থাকা পোশাক দেখে তাঁরা সেটি ফরিদের বলে শনাক্ত করেন। পরে জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতালে কঙ্কালের ময়নাতদন্ত শেষে ডিএনএ পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ করা হয়। নমুনা সংগ্রহের পর পুলিশ কঙ্কালটি ফরিদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে। ওই রাতেই পরিবারের সদস্যরা কঙ্কালটি দাফন করেন।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, নিখোঁজ হওয়ার মাত্র পাঁচ দিনের মধ্যে একটি মরদেহ কঙ্কালে পরিণত হওয়ার কথা নয়। পুলিশের ধারণা, ফরিদকে হত্যার পর দাহ্য পদার্থ ব্যবহার করে মরদেহের অধিকাংশ অংশ নষ্ট করে ফেলা হয়ে থাকতে পারে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

ক্ষেতলাল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবদুল করিম বলেন, কঙ্কালের সঙ্গে থাকা পোশাক দেখে ফরিদের মা-বাবা সেটি তাঁদের ছেলের বলে শনাক্ত করেছিলেন। ডিএনএ পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহের পর কঙ্কালটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

জয়পুরহাটের পুলিশ সুপার শাহনাজ বেগম বলেন, ফরিদ হোসেন নিখোঁজের ঘটনায় করা মামলার প্রধান আসামি সাগর হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কিভাবে দ্রুত সময়ের মধ্যে লাশটি কঙ্কালে পরিণত হয়েছে, তা আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদ করে রহস্য উদ্ঘাটন করা হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

রোহান/সা.এ.

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পাঠকের মন্তব্য:

BD24LIVE.COM
bd24live.com is not only a online news portal. We are a family and work together for giving the better news around the world. We are here to give a nice and colorful media for Bangladesh and for the world. We are always going fast and get the live news from every each corner of the country. What ever the news we reached there and with our correspondents go there who are worked for bd24live.com.
BD24Live.com © ২০২০ | নিবন্ধন নং- ৩২
Developed by | EMPERORSOFT
এডিটর ইন চিফ: আমিরুল ইসলাম আসাদ
বাড়ি#৩৫/১০, রোড#১১, শেখেরটেক, ঢাকা ১২০৭
ই-মেইলঃ [email protected]
ফোনঃ (০২) ৫৮১৫৭৭৪৪
নিউজ রুমঃ ০৯৬০৩২০২৪৩৪
মফস্বল ডেস্কঃ ০১৫৫২৫৯২৫০২
বার্তা প্রধানঃ ০৯৬০৩১৫৭৭৪৪
ইমেইলঃ [email protected]