বগুড়ার শেরপুরের “মেসার্স জুয়েল ক্যাপ ডিপ” ব্যবসায়িক পণ্যের নিজস্ব নকশা (ডিজাইন), নাম, ব্র্যান্ড ও লোগো অবৈধভাবে নকল ও অনুকরণ করে বাজারজাত করার অভিযোগে উঠেছে ধুনট উপজেলার মাসুদ শেখের ছেলে লিখন এর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় শেরপুর উপজেলার ‘মেসার্স জুয়েল ক্যাপ ডিপো’র স্বত্বাধিকারী মোঃ জুয়েল আহমেদ বাদী হয়ে শেরপুর ও ধুনট থানায় ১২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগটি দাখিল করেন।
অভিযুক্তরা হলেন: ধুনট ও শেরপুর এলাকার আলফার আলী (৩০),আশরাফ আলী (৩০),লিখন (৪০),আব্দুল বারেক (৪২),আশরাফ আলী (৬০),রাজু মিয়া (৩৫),মহসিন (৪৫), রুহুল আমীন (৪০),নয়ন আলী (৩৫),আব্দুর রাজ্জাক (৫০),আসাদুল ইসলাম মান্নান (৫৫) এবং আসাদুল ইসলাম (৪০)। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শেরপুর থানা এলাকার জুয়েল ক্যাপ ডিপো দীর্ঘদিন ধরে তাদের নিজস্ব তৈরি টুপি বাজারজাত করে আসছে। প্রতিষ্ঠানটির টুপি ব্যবসার ট্রেড লাইসেন্স নং ৮০ এবং টিন নং ২৮৫৩৭০৪৩৭১৬৫। এছাড়া তাদের নিজস্ব নকশা ও টুপি সুনির্দিষ্ট কপিরাইট নিবন্ধনের ব্যান্ডের নাম (রেজিস্ট্রেশন নং সি আর এ- ৩২৫৫৮) আওতাভুক্ত।
দীর্ঘদিন ধরে ধনুটে উপজেলার মাসুদ শেখ এর ছেলে লিখোন অনুমোদন ছাড়াই বেআইনিভাবে উক্ত নকশা, লোগো ও ব্র্যান্ডের নাম নকল করে নিম্নমানের টুপি তৈরি ও বিক্রি করে আসছিলেন। এতে মূল প্রতিষ্ঠান মেসার্স জুয়েল ক্যাপ ডিপো’র ব্যবসায়িক ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে। অভিযোগে আরো জানা যায় গত ২৫ সেপ্টেম্বর ধুনট বাজার এলাকায় নকল টুপি বাজারজাত করতে গেলে জুয়েল আহমেদ তাদের বাধা দেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে প্রাণ নাশের হুমকি প্রদান করে। বৃহস্পতিবার সকালে শেরপুর ঢাকা কোচ টার্মিনালে ধনুটে উপজেলার মাসুদ শেখ এর ছেলে লিখোন নকল ব্যান্ডের টুপির ২ বস্তা আটক করে থানা পুলিশকে খবর দিলে মাসুদ শেখ বস্তা রেখে পালিয়ে যায়। এ বিষয়ে শেরপুর থানা অফিসার ইনচার্জ এস এম মঈনুদ্দীন বলেন, অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সাজু/নিএ
সর্বশেষ খবর