• ঢাকা
  • ঢাকা, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • শেষ আপডেট ২২ সেকেন্ড পূর্বে
আরিফ জাওয়াদ
ঢাবি প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ০৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৯:০৭ রাত

ঢাবিতে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা অধ্যাপক তিতুমীরকে সংবর্ধনা

ছবি: প্রতিনিধি, বিডি২৪লাইভ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের অধ্যাপক ও সাবেক চেয়ারম্যান এবং প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীরকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) ‘সেলিব্রেটিং লিডারশিপ, শেইপিং ফিউচার্স: ডায়ালগ অন বাংলাদেশ’স ইকোনমি অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ’ শীর্ষক এক নীতি সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়। বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান ভবনের অধ্যাপক মোজাফফর আহমেদ চৌধুরী মিলনায়তনে উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের উদ্যোগে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের চেয়ারপার্সন অধ্যাপক ড. নায়িম সুলতানার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন জাতীয় অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান, সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)-এর ফেলো অধ্যাপক ড. মোস্তাফিজুর রহমান, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক কাজী মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান এবং সাবেক ডিন অধ্যাপক ড. তৈয়েবুর রহমান।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব লাভ করায় অধ্যাপক ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীরকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। পরে অতিথিদের ফুল ও উপহার দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী পর্বে অধ্যাপক ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীরের জীবন, শিক্ষা, গবেষণা ও কর্মের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন অধ্যাপক ড. আবু ইউসুফ। উন্নয়ন অধ্যয়ন শাস্ত্রের বিকাশ, গুরুত্ব ও বাংলাদেশের উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় তাঁর ভূমিকা নিয়ে বক্তব্য দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান।

প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব লাভ করায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীরকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান।

উপাচার্য বলেন, অধ্যাপক রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর কেবল একজন প্রাজ্ঞ শিক্ষক নন; তিনি বাংলাদেশের অর্থনীতি ও উন্নয়ন ভাবনার একজন অগ্রগণ্য গবেষক। বাংলাদেশের অর্থনীতির ক্রান্তিকালে তাঁর মতো দূরদর্শী, সৎ ও প্রাজ্ঞ ব্যক্তিত্বকে রাষ্ট্রের নীতি নির্ধারণী পর্যায়ে পাওয়া অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে একটি ঐতিহাসিক রূপান্তর ও নতুন অর্থনৈতিক বাস্তবতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা, প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা, বৈষম্য দূর করা এবং টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের মজবুত ভিত্তি তৈরি করা আমাদের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ।

উপাচার্য আরও বলেন, একটি দেশের টেকসই রূপান্তর তখনই সম্ভব, যখন একাডেমিক গবেষণা ও রাষ্ট্রের নীতি নির্ধারণের মধ্যে শক্তিশালী ও কার্যকর যোগসূত্র তৈরি হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর থেকেই দেশের প্রতিটি জাতীয় সংকট মোকাবিলা ও নীতি নির্ধারণে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। এক্ষেত্রে উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগও অত্যন্ত গৌরবময় ভূমিকা পালন করছে। দেশের অর্থনৈতিক, সামাজিক ও পরিবেশগত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এই বিভাগ বস্তুনিষ্ঠ গবেষণা ও তাত্ত্বিক দিকনির্দেশনা দিয়ে আসছে।

দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি প্রসঙ্গে উপাচার্য বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সীমাহীন দুর্নীতির কারণে দেশে ব্যাংকিং খাতের তারল্য সংকট, মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বচাপ, ঋণ ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর চাপসহ নানা অর্থনৈতিক সমস্যা রয়েছে। তবে এসব সংকট চিরস্থায়ী নয়। সঠিক নীতি, গবেষণাভিত্তিক সিদ্ধান্ত এবং দেশের বিপুল মানবসম্পদকে যথাযথভাবে কাজে লাগানোর মাধ্যমে বাংলাদেশ আবারও উচ্চ প্রবৃদ্ধির ধারায় ফিরে যেতে সক্ষম হবে।

উদ্বোধনী পর্ব শেষে নীতি সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বক্তব্য রাখেন।

অধ্যাপক ড. তিতুমীর বলেন, জনগণের দপ্তর থেকে দায়িত্ব পাওয়া ব্যক্তিদের জনগণের যেকোনো প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। জবাবদিহিতার সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা এবং নিজেকেও জবাবদিহির আওতায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

লোকজ জ্ঞান ও অভিজ্ঞতার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, অভিজ্ঞতালব্ধ জ্ঞানকে ছোট করে দেখার সুযোগ নেই। মানুষের জীবন ও বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে অর্জিত জ্ঞান নতুন ধরনের বিজ্ঞান ও বাস্তবসম্মত সমাধান তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। উন্নয়ন ও নীতি প্রণয়নের ক্ষেত্রে স্থানীয় বাস্তবতা ও লোকজ জ্ঞানকে যথাযথ গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।

তিনি বলেন, সমাজে কোনো কাজই ছোট নয়। পরিচ্ছন্নতাকর্মী থেকে শুরু করে বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত মানুষের সম্মিলিত শ্রমেই একটি দেশ পরিচালিত হয়। সকল কর্মের মর্যাদা ও সম্মান নিশ্চিত করা একটি মানবিক সমাজের অন্যতম ভিত্তি।

নীতি সংলাপে বাংলাদেশের অর্থনীতি ও উন্নয়ন ভাবনা, জবাবদিহিতা, নীতি প্রণয়নে গবেষণার ভূমিকা এবং উন্নয়ন অধ্যয়ন শাস্ত্রের ভবিষ্যৎসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

অনুষ্ঠানে উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, গবেষক এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

বাপ্পি/সা.এ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পাঠকের মন্তব্য:

BD24LIVE.COM
bd24live.com is not only a online news portal. We are a family and work together for giving the better news around the world. We are here to give a nice and colorful media for Bangladesh and for the world. We are always going fast and get the live news from every each corner of the country. What ever the news we reached there and with our correspondents go there who are worked for bd24live.com.
BD24Live.com © ২০২০ | নিবন্ধন নং- ৩২
Developed by | EMPERORSOFT
এডিটর ইন চিফ: আমিরুল ইসলাম আসাদ
বাড়ি#৩৫/১০, রোড#১১, শেখেরটেক, ঢাকা ১২০৭
ই-মেইলঃ [email protected]
ফোনঃ (০২) ৫৮১৫৭৭৪৪
নিউজ রুমঃ ০৯৬০৩২০২৪৩৪
মফস্বল ডেস্কঃ ০১৫৫২৫৯২৫০২
বার্তা প্রধানঃ ০৯৬০৩১৫৭৭৪৪
ইমেইলঃ [email protected]