ব্রিকস সম্মেলনের ফাঁকে ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) মধ্যে উচ্চপর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের মধ্যে ভারত দুই দেশের মধ্যে সংলাপ ও সংযমের বার্তা জোরদারে ভূমিকা রাখছে।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) নয়াদিল্লিতে ব্রিকস সম্মেলনের ফাঁকে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান ও আবুধাবির ক্রাউন প্রিন্স শেখ খালেদ বিন মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের মধ্যে বৈঠক হয়। ইরানি দূতাবাস এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, দুই নেতা বৈঠক ও আলোচনা করেছেন। এ সময় তাদের একসঙ্গে একটি ছবিও প্রকাশ করা হয়।
ফেব্রুয়ারিতে মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার পর ইরান ও ইউএইর মধ্যে এটিই সর্বোচ্চ পর্যায়ের যোগাযোগ বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলার পর তেহরান উপসাগরীয় দেশগুলোতে মার্কিন ঘাঁটিতে পাল্টা হামলা চালায়। এর মধ্যে ইউএইও ছিল।
বৈঠকের পর ইরান ও ইউএইসহ ব্রিকসের সদস্য দেশগুলো মধ্যপ্রাচ্যে সর্বোচ্চ সংযমের আহ্বান জানিয়ে একটি ঘোষণায় সমর্থন দেয়। ভারত একই সঙ্গে ইরান ও আবুধাবির সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখার পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গেও সম্পর্ক ধরে রাখার চেষ্টা করছে।
এর আগে বৃহস্পতিবার ইরানের সেনাবাহিনী দাবি করে, কুয়েতের আহমদ আল-জাবের বিমানঘাঁটি এবং ইউএইর আল মিনহাদ বিমানঘাঁটিতে মার্কিন সামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে।
ইরানের সেনাবাহিনীর বিবৃতিতে বলা হয়, কুয়েতের ঘাঁটিতে স্যাটেলাইট যোগাযোগ ব্যবস্থা, সরঞ্জামের গুদাম ও যুদ্ধবিমান রাখার হ্যাঙ্গার লক্ষ্য করা হয়েছে। একই সঙ্গে ইউএইর আল মিনহাদ বিমানঘাঁটিতে মার্কিন সেনাদের অবস্থান ও রাডার ব্যবস্থা লক্ষ্য করেও হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করা হয়।
মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত ইউএইকে কূটনৈতিকভাবে কঠিন অবস্থানে ফেলেছে। দেশটি ইরান ও সৌদি আরবের সঙ্গে ব্রিকসের সদস্য হলেও চলমান যুদ্ধে তিন দেশের অবস্থান এক নয়।
সূত্র-ndtv
সাজু/নিএ
সর্বশেষ খবর
সারাবিশ্ব এর সর্বশেষ খবর