• ঢাকা
  • ঢাকা, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • শেষ আপডেট ৩ সেকেন্ড পূর্বে
এহসানুল হক মিয়া
ফরিদপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:২১ রাত

মধুমতীকে ‘শাসন’ নয়, স্বাভাবিক প্রবাহে চায় আলফাডাঙ্গার মানুষ

ছবি: প্রতিনিধি, বিডি২৪লাইভ

এক তীর রক্ষায় অন্য তীর যেন ভাঙনের মুখে না পড়ে—দাবি স্থানীয়দের ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় মধুমতী নদী শাসন বা স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের উদ্যোগে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন নদীতীরবর্তী এলাকার বাসিন্দারা। তাদের আশঙ্কা, নদীর স্বাভাবিক প্রবাহে কৃত্রিম হস্তক্ষেপ করা হলে স্রোতের গতিপথ পরিবর্তিত হয়ে আলফাডাঙ্গার চরখোলাবাড়ীয়া ও চরমাকড়াইল এলাকায় নতুন করে ভাঙন দেখা দিতে পারে। এতে ঝুঁকিতে পড়তে পারে কৃষিজমি ও বসতভিটা।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) উপজেলার চরখোলাবাড়ীয়া ও চরমাকড়াইল এলাকার দক্ষিণ সীমানায় মধুমতী নদীর তীরে আয়োজিত মানববন্ধনে এসব কথা বলেন স্থানীয়রা। ‘আলফাডাঙ্গা উপজেলার চরখোলাবাড়ীয়া মৌজার দক্ষিণ সীমানায় নদী শাসন প্রতিরোধ প্রসঙ্গে’ লেখা ব্যানার নিয়ে তারা কর্মসূচিতে অংশ নেন। মানববন্ধনে স্থানীয়রা বলেন, মধুমতী নদী তার নিজস্ব গতিপথে প্রবাহিত হলে পানি ও স্রোতের স্বাভাবিক ভারসাম্য বজায় থাকে। কিন্তু নদী শাসনের নামে বাঁধ, ব্লক বা অন্য কোনো স্থাপনা নির্মাণ করে প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করা হলে স্রোতের চাপ অন্যদিকে সরে যেতে পারে। এর ফলে যে এলাকা রক্ষার জন্য প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে, তার বিপরীত তীর বা আশপাশের এলাকায় ভাঙনের তীব্রতা বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, ‘নদীভাঙনে আমাদের অনেক জমি ইতোমধ্যে বিলীন হয়েছে। এখনো ভাঙনের আতঙ্কে দিন কাটে। নদীর স্রোতের গতিপথ পরিবর্তন করা হলে আমাদের এলাকায় নতুন করে ভাঙন শুরু হতে পারে।’

স্থানীয় কৃষক আলম হাদী বলেন, ‘চরমাকড়াইল ও চরখোলাবাড়ীয়া এলাকায় নদী শাসন করা হলে মধুমতীর স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হতে পারে। স্রোত ঘুরে আলফাডাঙ্গার অংশে আঘাত করলে নতুন করে ফসলি জমি ও বসতভিটা নদীগর্ভে চলে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।’

কৃষক জামাল বলেন, ‘আমরা নদীভাঙন চাই না, আবার নদী শাসনের কারণে নতুন ভাঙনের ঝুঁকিও নিতে চাই না। কোনো প্রকল্প গ্রহণের আগে নদীর গতিপথ, পানির প্রবাহ ও স্রোতের গতিবিধি নিয়ে বৈজ্ঞানিকভাবে সমীক্ষা করা প্রয়োজন।’

স্থানীয় বাসিন্দা জয়নাল শেখ বলেন, ‘এক জায়গা রক্ষা করতে গিয়ে অন্য জায়গার মানুষ ভাঙনের শিকার হোক—এটা আমরা চাই না। মধুমতীকে তার প্রাকৃতিক গতিতে চলতে দিতে হবে। মানুষের বসতভিটা ও কৃষিজমি রক্ষায় নদীর গতিপ্রকৃতি বিবেচনায় নিয়ে কার্যকর ও বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে।’

এলাকাবাসীর দাবি, নদী শাসন কিংবা স্থায়ী কোনো অবকাঠামো নির্মাণের আগে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ মধুমতীর গতিপথ, স্রোতের প্রবাহ ও দুই তীরের ভৌগোলিক পরিস্থিতি নিয়ে পূর্ণাঙ্গ কারিগরি সমীক্ষা করুক। এক এলাকার সুরক্ষা নিশ্চিত করতে গিয়ে যেন অন্য এলাকার মানুষ নতুন করে নদীভাঙনের শিকার না হন—এমন পরিকল্পনা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তারা।

সালাউদ্দিন/সাএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পাঠকের মন্তব্য:

BD24LIVE.COM
bd24live.com is not only a online news portal. We are a family and work together for giving the better news around the world. We are here to give a nice and colorful media for Bangladesh and for the world. We are always going fast and get the live news from every each corner of the country. What ever the news we reached there and with our correspondents go there who are worked for bd24live.com.
BD24Live.com © ২০২০ | নিবন্ধন নং- ৩২
Developed by | EMPERORSOFT
এডিটর ইন চিফ: আমিরুল ইসলাম আসাদ
বাড়ি#৩৫/১০, রোড#১১, শেখেরটেক, ঢাকা ১২০৭
ই-মেইলঃ [email protected]
ফোনঃ (০২) ৫৮১৫৭৭৪৪
নিউজ রুমঃ ০৯৬০৩২০২৪৩৪
মফস্বল ডেস্কঃ ০১৫৫২৫৯২৫০২
বার্তা প্রধানঃ ০৯৬০৩১৫৭৭৪৪
ইমেইলঃ [email protected]