ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে অবশ্যই মধ্যপ্রাচ্য থেকে সরে যেতে হবে। অঞ্চলটি তাদের ‘জঘন্য ও অপরাধমূলক উপস্থিতি’ থেকে মুক্ত- এ বাস্তবতা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে মেনে নিতে হবে বলে জানিয়েছে ইরানের এই সামরিক বাহিনী।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, আইআরজিসির এমন বক্তব্যের মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের জাতিসংঘবিষয়ক দূত মাইক ওয়াল্টজ জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে না দেওয়ার বিষয়ে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তবে ইরান আন্তরিকভাবে আলোচনায় ফিরতে চাইলে এখনো ‘আলোচনার টেবিলে’ ফেরার সুযোগ রয়েছে বলেও জানান তিনি।
এদিকে ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আলী আল-জায়েদি মার্কিন গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ইরান ইরাকি তেলবাহী ট্যাংকারগুলোকে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলের অনুমতি দিচ্ছে না। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এ কারণে ইরাক প্রায় ৬০ বিলিয়ন ডলার রাজস্ব হারিয়েছে এবং দেশটির মাসিক রপ্তানি আয়ের ৬০ শতাংশ কমেছে বলেও জানান তিনি।
অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট জানিয়েছেন, বুধবার থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ইরানের সব বিমান সংস্থার কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হবে। এর কয়েক ঘণ্টা পর ইরানের রাষ্ট্রীয় বিমান সংস্থা ইরান এয়ার জানায়, তেহরান, মাশহাদ ও ইসফাহান থেকে ইরাকের নাজাফে ফ্লাইট চলাচল অব্যাহত থাকবে।
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই এসব বক্তব্য ও পাল্টা পদক্ষেপের ঘটনা ঘটছে।
সাজু/নিএ
সর্বশেষ খবর
সারাবিশ্ব এর সর্বশেষ খবর