• ঢাকা
  • ঢাকা, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • শেষ আপডেট ১৪ সেকেন্ড পূর্বে
প্রচ্ছদ / জাতীয় / বিস্তারিত
নিউজ ডেস্ক
বিডি২৪লাইভ, ঢাকা
প্রকাশিত : ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:১৯ রাত

পুলিশকে শৃঙ্খলা ও পেশাদারিত্বে ফেরাতে কঠোর আইজিপি

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির দায়িত্ব নেওয়ার পর বাহিনীর শৃঙ্খলা, পেশাদারিত্ব, জনআস্থা ও সদস্যদের মনোবল পুনর্গঠনে গুরুত্ব দিচ্ছেন। একই সঙ্গে অপরাধ দমনে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো, সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় সক্ষমতা বৃদ্ধি, পুলিশ সদস্যদের জবাবদিহি নিশ্চিত করা এবং অনিয়ম-দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের মাধ্যমে বাহিনীর অভ্যন্তরে নতুন কর্মসংস্কৃতি গড়ে তোলার চেষ্টা করছেন বলে সাম্প্রতিক বিভিন্ন বক্তব্য ও কার্যক্রমে প্রতীয়মান হচ্ছে।

মো. আলী হোসেন ফকির ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ বাংলাদেশ পুলিশের ৩২তম আইজিপি হিসেবে দায়িত্ব নেন। এর আগে তিনি আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) অতিরিক্ত আইজি ও প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বাংলাদেশ পুলিশের সরকারি জীবনবৃত্তান্ত অনুযায়ী, তিন দশকের বেশি সময়ের কর্মজীবনে তিনি পুলিশ সুপার হিসেবে মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গুরুত্বপূর্ণ পদে কাজ এবং জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে দায়িত্ব পালন করেছেন।

‘পুরো বাহিনীকে দায়ী করা যাবে না’

বর্তমান আইজিপির নেতৃত্বের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, পুলিশের ভেতরে অপরাধ ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি অল্পসংখ্যক সদস্যের অপরাধের দায় পুরো বাহিনীর ওপর চাপানোর বিরুদ্ধেও তিনি অবস্থান নিয়েছেন।

সেপ্টেম্বরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে আইজিপি বলেন, পুলিশের কোনো সদস্য অপরাধে জড়িত হলে অবশ্যই তা সংবাদে প্রকাশ করতে হবে এবং তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে। তবে মিথ্যা অভিযোগ বা অপপ্রচারের মাধ্যমে পুরো বাহিনীর মনোবল ভেঙে দেওয়া উচিত নয়। তার বক্তব্য অনুযায়ী, বিশ্লেষণে দেখা গেছে, অপরাধে জড়িত পুলিশ সদস্যের সংখ্যা এক শতাংশেরও কম।

অর্থাৎ, তার নেতৃত্বে অপরাধী পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা এবং সৎ পুলিশ সদস্যদের প্রতি প্রতিষ্ঠানের আস্থা—দুই বিষয়কেই একই সঙ্গে এগিয়ে নেওয়ার বার্তা পাওয়া যাচ্ছে।

অতীতের রাজনৈতিক ব্যবহার থেকে পেশাদার পুলিশিং

বাংলাদেশ পুলিশের সাম্প্রতিক ইতিহাসে রাজনৈতিক প্রভাব এবং পুলিশের পেশাগত ভূমিকা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিতর্ক রয়েছে। মে ২০২৬-এর এক অনুষ্ঠানে আইজিপি আলী হোসেন ফকির নিজেই মন্তব্য করেন, আওয়ামী লীগ সরকারের দীর্ঘ সময়ের শাসনামলে পুলিশকে ‘মাসল ফোর্স’ হিসেবে ব্যবহারের অভিযোগে বাহিনী জনগণের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিল। বর্তমানে সেই ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধারের চেষ্টা চলছে বলেও তিনি জানান।

একই বক্তব্যে তিনি বলেন, বাহিনীর মধ্যে শৃঙ্খলা ধীরে ধীরে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হচ্ছে।

এই প্রেক্ষাপটে বর্তমান নেতৃত্বের সামনে চ্যালেঞ্জ শুধু অপরাধ দমন নয়; পুলিশ সদস্যদের মধ্যে রাজনৈতিক শক্তির প্রতিনিধি নয়, বরং রাষ্ট্র ও জনগণের আইনগত সেবক হিসেবে পেশাগত পরিচয় পুনঃপ্রতিষ্ঠা করাও গুরুত্বপূর্ণ।

জুলাই ২০২৬-এ বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমিতে ৫০০ প্রশিক্ষণার্থী এসআইয়ের সমাপনী অনুষ্ঠানে আইজিপি পুলিশকে জনগণের ‘servant’ হিসেবে কাজ করার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তিনি সততা, স্বচ্ছতা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের ওপর গুরুত্ব দেন।

শৃঙ্খলার পাশাপাশি প্রয়োজন জবাবদিহি

পুলিশের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে শুধু শাস্তিমূলক ব্যবস্থা যথেষ্ট নয়। এর পাশাপাশি প্রয়োজন স্বচ্ছ পদায়ন, যোগ্যতার মূল্যায়ন, নেতৃত্বের জবাবদিহি এবং অপরাধ করলে রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক পরিচয় নির্বিশেষে ব্যবস্থা নেওয়ার সংস্কৃতি।

আইজিপি দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই বলেন, সৎ, দক্ষ ও মেধাবী পুলিশ কর্মকর্তাদের যথাযথ মূল্যায়ন করা হবে। পাশাপাশি অনিয়ম ও দুর্নীতি কোনোভাবেই সহ্য করা হবে না।

এপ্রিল ২০২৬-এ তিনি আরও বলেন, কোনো পুলিশ সদস্য অপরাধে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। একই বক্তব্যে তিনি জানান, বাংলাদেশ পুলিশ জনআস্থা পুনর্গঠনে কাজ করছে এবং বাহিনী ‘আবার উঠে দাঁড়াবে’।

এ ধরনের বক্তব্যে পুলিশের প্রতি জনগণের আস্থা তৈরির পাশাপাশি পুলিশ সদস্যদের নিজেদের প্রতিষ্ঠান ও নেতৃত্বের ওপর আস্থা তৈরির বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে।

বদলি-পদায়নে স্বচ্ছতা কতটা গুরুত্বপূর্ণ

পুলিশের অভ্যন্তরীণ সংস্কারের অন্যতম সংবেদনশীল ক্ষেত্র হলো বদলি ও পদায়ন। কোনো কর্মকর্তা যদি মনে করেন যোগ্যতা, দক্ষতা ও কর্মদক্ষতার পরিবর্তে তদবির বা অর্থের মাধ্যমে পদায়ন নির্ধারিত হয়, তাহলে দীর্ঘমেয়াদে বাহিনীর পেশাগত মনোবল ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

সাম্প্রতিক মাসগুলোতে পুলিশ কর্মকর্তাদের বদলি ও পদায়নের ক্ষেত্রে আইজিপির স্বাক্ষরিত একাধিক আদেশ প্রকাশ হয়েছে। সর্বশেষ ২৩ সেপ্টেম্বরও সাতজন ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাকে নতুন কর্মস্থলে পদায়ন ও বদলি করা হয়েছে। ২২ সেপ্টেম্বর আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকির স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

তবে দীর্ঘমেয়াদে বদলি ও পদায়নকে আরও বিশ্বাসযোগ্য করতে যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা, কর্মদক্ষতা, অপরাধের ধরন, এলাকার চ্যালেঞ্জ এবং আগের কর্মসম্পাদনের ভিত্তিতে একটি স্বচ্ছ Posting Policy প্রয়োজন হতে পারে। এতে বদলি-বাণিজ্যের অভিযোগ কমার পাশাপাশি কর্মকর্তাদের মধ্যে পেশাগত প্রতিযোগিতা বাড়ার সুযোগ তৈরি হবে।

সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় বাড়ছে সক্ষমতা

বর্তমান আইজিপির নেতৃত্বে সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় একটি বিষয় বিশেষভাবে দৃশ্যমান—শুধু অভিযান নয়, দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

১৩ সেপ্টেম্বর পুলিশ স্টাফ কলেজে সাইবার অপরাধ তদন্তবিষয়ক ১০ দিনের Training of Trainers (ToT) কোর্স উদ্বোধন করেন আইজিপি। সেখানে তিনি বলেন, সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় পুলিশ সদস্যদের দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধির কোনো বিকল্প নেই।

AI, deepfake, encrypted communication এবং cloud computing-এর মতো প্রযুক্তি আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

প্রশিক্ষণটিতে ধাপে ধাপে ৩৩২ জন পুলিশ কর্মকর্তা অংশ নেবেন। পরবর্তী সময়ে তারা মাঠপর্যায়ের তদন্তকারীদের প্রশিক্ষণ দেবেন।

এর মাধ্যমে পুলিশিংয়ের একটি পরিবর্তিত চিত্রও সামনে আসছে। কারণ ভবিষ্যতের পুলিশিং শুধু রাস্তায় টহল বা প্রচলিত তদন্তের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। ডিজিটাল ফরেনসিক, AI, financial cybercrime, online fraud, deepfake, cryptocurrency এবং cross-border cyber investigation বিষয়ে দক্ষতা ছাড়া আধুনিক পুলিশিং পরিচালনা কঠিন।

এ কারণে আইজিপি FBI-এর সঙ্গে বাংলাদেশের পুলিশের সাইবার সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহযোগিতা চেয়েছেন। আলোচনায় cyber scam, financial crime, online fraud, misinformation এবং technology-driven investigation-এর পাশাপাশি PBI, CID, ATU ও CTTC-এর সক্ষমতা বাড়ানোর বিষয়ও উঠে এসেছে।

২২ সেপ্টেম্বর রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠকেও আইজিপি সাইবার নিরাপত্তা, বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ এবং পুলিশ সদস্যদের উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে সহযোগিতা চেয়েছেন। বৈঠকে দুই দেশের পুলিশ সদস্যদের মধ্যে নিয়মিত সংলাপ, উত্তম চর্চা ও তথ্য বিনিময়ের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়।

আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর উদ্যোগ

আইজিপির নেতৃত্বের আরেকটি দিক হলো আন্তর্জাতিক সহযোগিতাকে গুরুত্ব দেওয়া। যুক্তরাজ্য, আয়ারল্যান্ড, জাতিসংঘ, FBI এবং রাশিয়ার সঙ্গে সাম্প্রতিক যোগাযোগে পুলিশ সংস্কার, প্রশিক্ষণ, organised crime, human trafficking, money laundering, cybercrime এবং technology-based policing-এর মতো বিষয়গুলো গুরুত্ব পেয়েছে।

তবে এসব সহযোগিতাকে কার্যকর করতে শুধু বৈঠক বা প্রশিক্ষণের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে দীর্ঘমেয়াদি institutional knowledge transfer-এ রূপ দেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে।

সামনে যেসব বিষয় গুরুত্বপূর্ণ

পুলিশকে একটি নতুন পেশাদার সংস্কৃতিতে নিয়ে যেতে কয়েকটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে—

বদলি ও পদায়নে স্বচ্ছ ও measurable criteria প্রবর্তন;
প্রতিটি ইউনিটে internal accountability mechanism শক্তিশালী করা;
দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তে স্বাধীন ও পেশাদার ব্যবস্থা;
মাঠপর্যায়ের পুলিশকে নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও আধুনিক equipment দেওয়া;
সাইবার, financial crime ও digital forensic-এ specialised cadre তৈরি;
থানাগুলোকে আরও citizen-friendly ও technology-driven করা;
ভালো কাজের জন্য পুরস্কার এবং অপরাধের জন্য দ্রুত ও ন্যায়সংগত শাস্তি;
পুলিশ সদস্যদের আবাসন, চিকিৎসা, মানসিক স্বাস্থ্য ও welfare ব্যবস্থার উন্নয়ন;
মানবাধিকার ও আইনগত প্রক্রিয়া সম্পর্কে নিয়মিত প্রশিক্ষণ;
রাজনৈতিক পরিচয়ের পরিবর্তে আইন, প্রমাণ ও পেশাগত মানদণ্ডকে সিদ্ধান্তের ভিত্তি করা।

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাম্প্রতিক বৈঠকে আইজিপি পুলিশের মনোবল শক্তিশালী করা এবং বাহিনীকে আধুনিক ও ডিজিটাল করার বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরেছেন। একই বৈঠকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, cybercrime, misinformation, drugs, extortion এবং নাগরিক হয়রানি প্রতিরোধের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

কঠোরতা ও মানবিকতার সমন্বয়ই বড় পরীক্ষা

পুলিশকে শৃঙ্খলায় ফেরাতে কঠোরতা প্রয়োজন। তবে সেই কঠোরতা হতে হবে আইনভিত্তিক, প্রমাণনির্ভর ও বৈষম্যহীন। একইভাবে পুলিশ সদস্যদের মনোবল ফিরিয়ে আনতে অপরাধ আড়াল করা নয়, বরং সৎ ও দক্ষ সদস্যদের সুরক্ষা এবং যথাযথ মূল্যায়ন নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

আইজিপি আলী হোসেন ফকিরের সামনে তাই দ্বৈত দায়িত্ব রয়েছে। একদিকে অপরাধী পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান জবাবদিহি নিশ্চিত করা, অন্যদিকে লাখো মানুষের নিরাপত্তায় নিয়োজিত বৃহৎ বাহিনীকে আত্মবিশ্বাসী, দক্ষ ও পেশাদার প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করা।

সাম্প্রতিক কার্যক্রমে যে বিষয়টি স্পষ্ট হচ্ছে, তা হলো—তার নেতৃত্বে শৃঙ্খলা, পেশাদারিত্ব, প্রযুক্তি, প্রশিক্ষণ, জনআস্থা ও জবাবদিহিকে একই কাঠামোর অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে পুলিশের সংস্কার শুধু প্রশাসনিক নির্দেশে সীমাবদ্ধ না থেকে ধীরে ধীরে একটি নতুন professional policing culture-এ রূপ নিতে পারে।

শেষ পর্যন্ত পুলিশের শক্তি শুধু অস্ত্র, ইউনিফর্ম বা সাংগঠনিক ক্ষমতার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এর সঙ্গে জড়িত জনগণের আস্থা, সদস্যদের মনোবল, আইনের প্রতি আনুগত্য এবং পেশাগত সততা। সেই জায়গায় ফিরে যাওয়াই বাংলাদেশের পুলিশের সামনে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রাতিষ্ঠানিক চ্যালেঞ্জ।

বর্তমান আইজিপির নেতৃত্বে পুলিশের পুনর্গঠনের যে উদ্যোগগুলো দৃশ্যমান হচ্ছে, সেগুলোর স্থায়িত্ব ও ফলাফল শেষ পর্যন্ত নির্ভর করবে এগুলো কতটা প্রাতিষ্ঠানিক, স্বচ্ছ এবং ধারাবাহিকভাবে বাস্তবায়িত হয় তার ওপর।

সালাউদ্দিন/সাএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পাঠকের মন্তব্য:

BD24LIVE.COM
bd24live.com is not only a online news portal. We are a family and work together for giving the better news around the world. We are here to give a nice and colorful media for Bangladesh and for the world. We are always going fast and get the live news from every each corner of the country. What ever the news we reached there and with our correspondents go there who are worked for bd24live.com.
BD24Live.com © ২০২০ | নিবন্ধন নং- ৩২
Developed by | EMPERORSOFT
এডিটর ইন চিফ: আমিরুল ইসলাম আসাদ
বাড়ি#৩৫/১০, রোড#১১, শেখেরটেক, ঢাকা ১২০৭
ই-মেইলঃ [email protected]
ফোনঃ (০২) ৫৮১৫৭৭৪৪
নিউজ রুমঃ ০৯৬০৩২০২৪৩৪
মফস্বল ডেস্কঃ ০১৫৫২৫৯২৫০২
বার্তা প্রধানঃ ০৯৬০৩১৫৭৭৪৪
ইমেইলঃ [email protected]