ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর (ডিআরসি) লেক টাঙ্গানিকায় যাত্রীবাহী একটি নৌযান ডুবে অন্তত ৪১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় ৪৯ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। এখনও কয়েকজন নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানা গেছে।
বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) ডিআরসির টাঙ্গানিকা প্রদেশের পরিবহনমন্ত্রী নরিস মুলঙ্গোয়ি এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, নিখোঁজ যাত্রীদের উদ্ধারে অভিযান চলছে।
আল জাজিরা ও অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের (এপি) প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নৌযানটিতে প্রায় ১০০ জন যাত্রী ও পণ্য ছিল। এটি ডিআরসির কালেমি শহরের উদ্দেশে তানজানিয়ার কিগোমা বন্দর থেকে যাত্রা করেছিল। পরে কঙ্গোর মাপেরা গ্রামের কাছে লেক টাঙ্গানিকায় নৌযানটি ডুবে যায়।
দুর্ঘটনার সময় নৌযানে থাকা অ্যানি মোয়োনি নামে এক যাত্রী রেডিও ওকাপিকে জানান, রাত ১টার দিকে যাত্রীদের ঘুম থেকে জাগানো হয়। তখন তারা দেখতে পান, নৌযানটি একদিকে কাত হয়ে গেছে।
নৌযানটি কেন ডুবে গেছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে এপি জানিয়েছে, ডিআরসিতে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে নৌদুর্ঘটনায় শত শত মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। দেশটির অনেক নৌযানে অতিরিক্ত যাত্রী বহন করা হয় এবং পর্যাপ্ত লাইফ জ্যাকেটও থাকে না।
ডিআরসিতে যোগাযোগের অন্যতম সাশ্রয়ী মাধ্যম হলো নৌপথ। দেশটির বিশাল জনসংখ্যার তুলনায় সড়কসহ অন্যান্য অবকাঠামো পর্যাপ্ত নয়। ফলে অনেক মানুষ যাতায়াতের জন্য নৌযানের ওপর নির্ভরশীল।
এদিকে, এক মাসেরও কম সময়ের মধ্যে কিগোমা-কালেমি রুটে এটি দ্বিতীয় বড় নৌদুর্ঘটনা। গত ২৮ আগস্ট কিগোমা বন্দরে জ্বালানি তোলার সময় কঙ্গোর নৌযান এমভি প্যাসিফিক-এ আগুন ধরে বিস্ফোরণ ঘটে। ওই ঘটনায় ছয়জন ক্রু নিহত হন এবং আরও একজন নিখোঁজ হন বলে রেডিও ওকাপি জানিয়েছে।
সাজু/নিএ
সর্বশেষ খবর