• ঢাকা
  • ঢাকা, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • শেষ আপডেট ৫৮ সেকেন্ড পূর্বে
নিউজ ডেস্ক
বিডি২৪লাইভ, ঢাকা
প্রকাশিত : ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:০৪ দুপুর

আ.লীগের কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ সরকার নেবে: যুক্তরাষ্ট্র

ফাইল ফটো

মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ড পাওয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিষয়ে বাংলাদেশ ও ভারত আলোচনার মাধ্যমে একটি সমাধানে পৌঁছাবে বলে আশা প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। একই সঙ্গে আওয়ামী লীগের কার্যক্রমের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার হবে কিনা; সে সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ সরকারের বলে জানিয়েছে ওয়াশিংটন।

যদিও হাসিনার সঙ্গে কী হওয়া উচিত, সে বিষয়ে ওয়াশিংটন এখনো কোনো নির্দিষ্ট অবস্থান নেয়নি বলে জানিয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

নিউইয়র্কে এক ‘অন-ব্যাকগ্রাউন্ড’ ব্রিফিংয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের এ অবস্থান তুলে ধরেছিলেন মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা। গত বুধবার নিউইয়র্ক ফরেন প্রেস সেন্টারে ‘একটি স্থিতিশীল, সমৃদ্ধ ও সার্বভৌম দক্ষিণ এশিয়ার সমর্থনে মার্কিন নীতি’ শিরোনামে ব্রিফিংটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল ও শ্রীলঙ্কার সাংবাদিকরা অংশগ্রহণ করেন।

২০২৪ সালের আন্দোলনে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকে ভারতে অবস্থান করছেন শেখ হাসিনা। আন্দোলন দমাতে প্রাণঘাতী দমন-পীড়নের নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগে গত নভেম্বরে শেখ হাসিনাকে তার অনুপস্থিতিতেই মৃত্যুদণ্ড দেয় বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

ফাঁসির রায় মাথায় নিয়ে আগামী ডিসেম্বর নাগাদ দেশে ফিরে আদালতে আত্মসমর্পণের ঘোষণা দিয়েছেন শেখ হাসিনা। তবে তার আগে তিনি নিজের নিরাপত্তা চেয়েছেন। নিজের অনুপস্থিতিতে চলা বিচার চ্যালেঞ্জ করার সুযোগও চেয়েছেন তিনি।

এমন প্রেক্ষাপটে বুধবারের ব্রিফিংয়ে শেখ হাসিনার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান জানতে চাওয়া হয়।

জবাবে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওই কর্মকর্তা বলেন, এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক অবস্থান নেয়নি। আমরা বুঝতে পারছি যে, বিষয়টি ভারত ও বাংলাদেশের বৈরিতার একটি বড় কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

তিনি আরও বলেন, তাই আমরা আশা করছি, তারা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে একটি সমাধানে পৌঁছাবে। আর হাসিনার সঙ্গে কী হওয়া উচিত, তা আমরা এখনো নির্দিষ্ট করে জানাইনি।

আওয়ামী লীগের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ সরকারের

ব্রিফিংয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কিংবা তার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাক্ষাতের সম্ভাবনা নিয়েও প্রশ্ন করা হয়। পাশাপাশি আওয়ামী লীগের কার্যক্রমের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং যুক্তরাষ্ট্র-চীন সম্পর্ক নিয়েও প্রশ্ন ওঠে।

আওয়ামী লীগের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান জানতে চাইলে ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি নিয়ে কিছু বলতে চাই না। তবে এটা বলতে চাই, বাংলাদেশের সঙ্গে, বিএনপির সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক খুবই চমৎকার অবস্থায় রয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা নির্বাচিত সরকারের সঙ্গে কাজ চালিয়ে যেতে চাই। বাংলাদেশকে আরও শক্তিশালী ও নিরাপদ করার যে কাজ চলছে, আমরা তার পাশে রয়েছি। বাংলাদেশকে আরও সমৃদ্ধ করতে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো কার্পণ্য নেই। তাই বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি নিয়ে কিছু বলাটা সমীচীন মনে করছি না।’

আওয়ামী লীগের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের ব্যাপারটি এক সাংবাদিক নির্দিষ্ট করে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘সেই সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ সরকারকেই নিতে হবে।’

তিন বৃহৎ শক্তির সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান

ব্রিফিংয়ে এক সাংবাদিক বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র, ভারত ও চীনের সঙ্গে বাংলাদেশ সুসম্পর্ক বজায় রাখার চেষ্টা করছে। তিন বৃহৎ শক্তির মধ্যে যেকোনো একটিকে বেছে না নিয়ে কীভাবে সবার সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখা সম্ভব? এটাকে যুক্তরাষ্ট্র কীভাবে নিচ্ছে?’

জবাবে ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘ভৌগোলিকভাবে বাংলাদেশ বিশ্বের একটি জটিল অংশে পড়েছে। আপনার পয়েন্ট হচ্ছে, তারা যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে অনেক বড় প্রতিবেশী দেশের পাশে অবস্থিত। আমরা সবসময় উৎসাহ দিই, প্রতিটি দেশ যেন তাদের পরিমণ্ডলে অবস্থান করে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা আপনাদের সার্বভৌমত্বকে সুসংহত রাখতে সহায়তা দিতে চাই; আপনাদের ব্যবস্থাকে নিরাপদ রাখতে সহযোগিতা দিতে চাই।’

তিনি বলেছেন, ‘আমরা বিকল্প কিছু তুলে ধরতে চাই। আমরা বলছি না যে, আপনাকে কাউকে বেছে নিতে হবে; আমরা বরং এসব দেশের জন্য বিকল্প হতে চাই।’

নিউইয়র্কে তারেক-ট্রাম্প সাক্ষাৎ নিয়ে যা বলল যুক্তরাষ্ট্র

ব্রিফিংয়ে এক সাংবাদিক বলেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বাংলাদেশের ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে চিঠি লিখেছিলেন। তিনি তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকের আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন। নিউ ইয়র্কে দুই নেতার মধ্যে কোনো সাক্ষাতের সম্ভাবনা আছে কি না?

জবাবে ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘প্রেসিডেন্টের সময়সূচির ব্যাপারে আমি কিছু বলতে পারব না। তবে তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সঙ্গে এ সপ্তাহে খুবই সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য সাক্ষাতের সুযোগ পেয়েছিলেন। প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ছবি তোলাও সম্ভব হয়েছে। প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সব পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাক্ষাৎ অথবা ছবি তোলার সুযোগ ছিল না।’

এ ব্রিফিংয়ের আগে নিউ ইয়র্কে ফরেন প্রেস সেন্টারে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দক্ষিণ ও সেন্ট্রাল এশিয়া সম্পর্কিত উপ-সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিথানী মরিসন দক্ষিণ এশিয়ায় বিরাজমান পরিস্থিতি এবং ট্রাম্প প্রশাসনের নীতির আলোকে বক্তব্য দেন। এরপর তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে ফটো সেশনে অংশগ্রহণ করেন।

রোহান/সা.এ.

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পাঠকের মন্তব্য:

BD24LIVE.COM
bd24live.com is not only a online news portal. We are a family and work together for giving the better news around the world. We are here to give a nice and colorful media for Bangladesh and for the world. We are always going fast and get the live news from every each corner of the country. What ever the news we reached there and with our correspondents go there who are worked for bd24live.com.
BD24Live.com © ২০২০ | নিবন্ধন নং- ৩২
Developed by | EMPERORSOFT
এডিটর ইন চিফ: আমিরুল ইসলাম আসাদ
বাড়ি#৩৫/১০, রোড#১১, শেখেরটেক, ঢাকা ১২০৭
ই-মেইলঃ [email protected]
ফোনঃ (০২) ৫৮১৫৭৭৪৪
নিউজ রুমঃ ০৯৬০৩২০২৪৩৪
মফস্বল ডেস্কঃ ০১৫৫২৫৯২৫০২
বার্তা প্রধানঃ ০৯৬০৩১৫৭৭৪৪
ইমেইলঃ [email protected]