• ঢাকা
  • ঢাকা, সোমবার, ০৫ অক্টোবর, ২০২৬
  • শেষ আপডেট ২ সেকেন্ড পূর্বে
প্রচ্ছদ / জাতীয় / বিস্তারিত
নিউজ ডেস্ক
বিডি২৪লাইভ, ঢাকা
প্রকাশিত : ০৫ অক্টোবর, ২০২৬, ০৭:২৮ বিকাল

এলপিজি ও অটোগ্যাসের দাম বাড়ানোর কারণ জানাল বিইআরসি

ফাইল ফটো

খুচরা পর্যায়ে ১২ কেজি এলপিজির দাম একলাফে ২৫২ টাকা বাড়িয়ে এক হাজার ৮৩৭ টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। সেইসঙ্গে যানবাহনে ব্যবহৃত অটোগ্যাসের দামও লিটারে বাড়ানো হয়েছে প্রায় ১২ টাকা।

রোববার (৫ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টা থেকেই নতুন দাম কার্যকর হয়।

হঠাৎ এমন দাম বাড়ানোর পেছনে বিইআরসির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সৌদি আরামকোর অক্টোবরের জন্য প্রোপেন ও বিউটেনের সৌদি কনট্রাক্ট প্রাইস বা সৌদি সিপি অনুযায়ী নতুন দাম সমন্বয় করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, অক্টোবরে প্রোপেনের সৌদি সিপি প্রতি টন ৬৮০ ডলার এবং বিউটেনের ৭৩০ ডলার। দাম সমন্বয়ের ক্ষেত্রে প্রোপেন ও বিউটেনের অনুপাত ৩৫:৬৫ ধরে গড় সৌদি সিপি প্রতি টন ৭১২ দশমিক ৫০ ডলার বিবেচনায় নিয়েছে বিইআরসি।

সেপ্টেম্বরে প্রোপেনের সৌদি সিপি ছিল প্রতি টন ৬২৫ ডলার ও বিউটেন ৬৬০ ডলার। ওই মাসে গড় সৌদি সিপি ছিল প্রতি টন ৬৪৭ দশমিক ৭৫ ডলার। সে হিসাবে এক মাসে গড় সৌদি সিপি প্রতি টনে ৬৪ দশমিক ৭৫ ডলার বেড়েছে।

অক্টোবরের মূল্য সমন্বয়ে এলপিজি আমদানিতে জাহাজ ভাড়া ও ব্যবসায়ীর প্রিমিয়াম টনপ্রতি ২৫০ ডলার বিবেচনায় নিয়েছে বিইআরসি। যদিও সেপ্টেম্বরে এ খাতে ধরা হয়েছিল টনপ্রতি ১৬০ ডলার। সে হিসাবে মাসের ব্যবধানে এলপিজির দাম হিসাবের ক্ষেত্রে জাহাজ ভাড়া ও ব্যবসায়ীর প্রিমিয়াম প্রতি টনে ৯০ ডলার বেড়েছে।

অক্টোবরের দাম নির্ধারণে প্রতি ডলারের গড় বিনিময় মূল্য ১২৩ টাকা ১৮ পয়সা ধরা হয়েছে। সেপ্টেম্বরে তা ছিল ১২৩ টাকা ৩০ পয়সা।

এলপিজির সঙ্গে অটোগ্যাসের দামও বাড়িয়ে ৭৩ টাকা ৯ পয়সা থেকে ৮৪ টাকা ৬২ পয়সা করা হয়েছে।

এদিকে এলপিজির দাম বাড়ার পরও বাজারে সরবরাহ সংকট কাটেনি। বেশিরভাগ জায়গাতেই প্রতিটা ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডার এখনও বিক্রি হচ্ছে ২২০০-২৫০০ টাকায়। এলপিজির সঙ্গে অটোগ্যাসের দাম বাড়ায় সংকট সৃষ্টি হয়েছে পরিবহন খাতেও।

এলপিজির অত্যধিক বাড়তি দামের কারণে শুধু বাসাবাড়ির গ্রাহক নন, চাপে পড়েছেন বাণিজ্যিক ব্যবহারকারীরাও।

এলপিজির বাজারে এমন অস্থিরতার পেছনে একে অপরকে দায়ী করছেন ব্যবসায়ী ও আমদানিকারকরা। এলপিজি ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির অভিযোগ, ২০ সেপ্টেম্বরের পর আমদানিকারকরা সরবরাহ প্রায় ৮০ শতাংশ কমিয়ে দিয়েছে। ২৫ সেপ্টেম্বরের পর কয়েকটি ডিপো থেকেও সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন তারা। অন্যদিকে কৃত্রিম সংকট তৈরির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন আমদানিকারকরা। অভিযোগ করা হচ্ছে, কৃত্রিম সংকট তৈরি করছেন ডিলার এবং খুচরা ব্যবসায়ীরাই।

সালাউদ্দিন/সাএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পাঠকের মন্তব্য:

BD24LIVE.COM
bd24live.com is not only a online news portal. We are a family and work together for giving the better news around the world. We are here to give a nice and colorful media for Bangladesh and for the world. We are always going fast and get the live news from every each corner of the country. What ever the news we reached there and with our correspondents go there who are worked for bd24live.com.
BD24Live.com © ২০২০ | নিবন্ধন নং- ৩২
Developed by | EMPERORSOFT
এডিটর ইন চিফ: আমিরুল ইসলাম আসাদ
বাড়ি#৩৫/১০, রোড#১১, শেখেরটেক, ঢাকা ১২০৭
ই-মেইলঃ [email protected]
ফোনঃ (০২) ৫৮১৫৭৭৪৪
নিউজ রুমঃ ০৯৬০৩২০২৪৩৪
মফস্বল ডেস্কঃ ০১৫৫২৫৯২৫০২
বার্তা প্রধানঃ ০৯৬০৩১৫৭৭৪৪
ইমেইলঃ [email protected]