পটুয়াখালীর বাউফলে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে তেঁতুলিয়া নদীতে মা ইলিশ ধরার সময় আট শিশুসহ ২৩ জনকে আটক করেছে মৎস্য অধিদপ্তর।পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত ১৫ জেলেকে ১৯ দিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন। আটক বাকি আট শিশু অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় মুচলেকা নিয়ে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। এসময় সময় মাছ ধরার বিপুল পরিমাণ জাল ও কয়েকটি নৌকা জব্দ করা হয়।
রোববার (১১ অক্টোবর) দিনব্যাপী অভিযানে তেঁতুলিয়া নদীর বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে তাদেরকে আটক করা হয়। পরে রাতে ভ্রাম্যমাণ আদালতে তাদের সাজা দেওয়া হয়।
কারাদণ্ডে সাজাপ্রাপ্ত জেলেরা হলেন উপজেলার মমিনপুর গ্রামের কাশেম সিকদারের ছেলে রিপন সিকদার (২৫), ধুলিয়া গ্রামের হেলাল উদ্দিনের ছেলে জামাল হাওলাদার (২৭), বাকেরগঞ্জ উপজেলার ইসমাইল খানের ছেলে ছালাম খান (৪০), ধুলিয়া গ্রামের জব্বার হাওলাদারের ছেলে জাকির (২০), বাকেরগঞ্জ উপজেলার আবুল সরদারের ছেলে গনি সরদার (২৯), ধুলিয়া গ্রামের হারুন খানের ছেলে আবুল কালাম (২২), ধুলিয়া গ্রামের হেলাল হাওলাদারের ছেলে পারভেজ (২৯), চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের জাহাঙ্গীর ফকিরের ছেলে আরিফ ফকির (২২), একই ইউনিয়নের ইসমাইল প্যাদার ছেলে রমিজ প্যাদা (২৪), মতলেব খন্দকারের ছেলে ইসমাইল খন্দকার (২৫), আলমগীর হাওলাদারের ছেলে ফিরোজ হাওলাদার, ধুলিয়া গ্রামের সেলিম মিয়ার ছেলে কবির (৪০), মমিনপুর গ্রামের জালাল সিকদারের ছেলে সোলাইমান (২২), জালাল ফকিরের ছেলে ইলিয়াস ফকির (২৬) ও সাইদুল আহমেদের ছেলে জাহিদুল (২০)।
অপরদিকে, সাজাপ্রাপ্ত জেলেদের সহযোগী অপ্রাপ্তবয়স্ক আট শিশুকে মুচলেকা রেখে পরিবারের জিম্মায় মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বাউফল উপজেলা সিনিয়র মৎস্য অফিসার এম এম পারভেজ জানান, আইন অমান্য করে কিছু অসাধু জেলে নিয়মিত আমাদের চোখ ফাঁকি দিয়ে মাছ শিকারের চেষ্টা করে। এসময় মৎস্য অধিদপ্তরের অভিযানে ২৩ জনকে আটক করা হয়। পরে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাইয়েদ মাহমুদ বুলবুল ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ১৫ জনকে ১৯ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের সাজা দেন এবং অপ্রাপ্তবয়স্ক আটজনকে মুচলেকায় মুক্তি দেওয়া হয় বলে জানান তিনি।
কুশল/সাএ
সর্বশেষ খবর
জেলার খবর এর সর্বশেষ খবর