• ঢাকা
  • ঢাকা, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬
  • শেষ আপডেট ১৫ সেকেন্ড পূর্বে
নিউজ ডেস্ক
বিডি২৪লাইভ, ঢাকা
প্রকাশিত : ১৬ অক্টোবর, ২০২৬, ০১:৫৯ দুপুর

শেষকৃত্যের সময় কফিন থেকে উঠে বসল ‘মৃত’ কিশোরী

ছবি: ভিডিও থেকে সংগৃহীত

শোকের পরিবেশে চলছিল শেষ বিদায়ের আয়োজন। কফিনে শোয়ানো হয়েছিল ১৫ বছরের কিশোরীকে। কিন্তু হঠাৎ কফিনের ভেতরে নড়াচড়া শুরু করে সে। কিছুক্ষণের মধ্যেই উঠে বসে কিশোরী। মুহূর্তে কান্না আর শোকের পরিবেশ বদলে যায় বিস্ময় ও স্বস্তিতে। গুয়াতেমালার এই ঘটনার ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।

নিজের শেষকৃত্য চলাকালে কফিনের ভেতর থেকে উঠে বসার ঘটনাটি ঘটেছে গুয়াতেমালার এল জোকোতে গ্রামে। কিশোরীর নাম ইউলেইদি ইকস্কোটোয়াক (Yuleidy Ixcotoyac)। পরিবারের সদস্যরা তাকে মৃত বলে ধরে নেওয়ার পর শেষকৃত্যের আয়োজন করেছিলেন। তবে তার মৃত্যুর বিষয়টি কোনো চিকিৎসক নিশ্চিত করেননি। খবর প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম UOL, ও দ্য সান।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১০ অক্টোবর শনিবার সকালে ইউলেইদি বুকে তীব্র ব্যথা অনুভব করে অসুস্থ হয়ে পড়ে। তার বাবা আব্রাহাম ইকস্কোটোয়াক তোজিন তাকে গাড়িতে করে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাচ্ছিলেন।

পথে কিশোরী অচেতন হয়ে পড়লে বাবা গাড়ি থামিয়ে তার শ্বাস-প্রশ্বাস ও নাড়ি পরীক্ষা করেন। কিন্তু তিনি কোনো সাড়া বা শ্বাসের লক্ষণ অনুভব করতে পারেননি। এতে মেয়েকে মৃত বলে ধরে নেন তিনি।

আব্রাহাম পেশায় একজন ইভাঞ্জেলিক্যাল যাজক। মেয়ের অবস্থা দেখে তিনি হাসপাতালে নেওয়ার পরিবর্তে বাড়িতে ফিরে যান। পরিবারের পক্ষ থেকে একটি কফিনের ব্যবস্থা করা হয় এবং শেষকৃত্যের আয়োজন শুরু হয়। তবে ইউলেইদির মৃত্যুর বিষয়ে কোনো চিকিৎসকের পরীক্ষা বা আনুষ্ঠানিক মৃত্যুসনদ ছিল না।

পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা যখন শেষ বিদায়ের জন্য জড়ো হয়েছিলেন, তখনই ঘটে অপ্রত্যাশিত ঘটনা। ইউলেইদির মা লেসভিয়া রিওস কফিনের কাছে গিয়ে মেয়ের শরীরে নড়াচড়া লক্ষ্য করেন। তিনি মেয়েকে জীবিত বলে দাবি করতে থাকেন।

একপর্যায়ে কফিনের ভেতরে নড়াচড়া করতে থাকা ইউলেইদি চোখ খোলে এবং উঠে বসে। উপস্থিত স্বজনেরা হতবাক হয়ে যান। পরে তারা তাকে কফিন থেকে বের হতে সহায়তা করেন।

ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। কেউ ঘটনাটিকে অলৌকিক বলে অভিহিত করছেন, আবার অনেকে চিকিৎসকের মাধ্যমে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত না করেই শেষকৃত্যের আয়োজন করার বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন।

প্রতিবেদনগুলোতে বলা হয়েছে, অচেতন হওয়ার আগে ইউলেইদি বুকে তীব্র ব্যথা ও ভারী অনুভূতির কথা জানিয়েছিল। এরপর সে জ্ঞান হারায়। তবে ঠিক কী কারণে সে অচেতন হয়ে পড়েছিল এবং তার শ্বাস-প্রশ্বাস ও নাড়ি শনাক্ত করা যায়নি বলে পরিবারের ধারণা হয়েছিল, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

ঘটনার পর কিশোরীকে চিকিৎসা মূল্যায়নের জন্য নেওয়া হয়। তার অচেতন হয়ে পড়ার প্রকৃত কারণ নির্ধারণে পরীক্ষা-নিরীক্ষার কথা জানানো হয়েছে।

এদিকে, গুয়াতেমালার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ঘটনাটি খতিয়ে দেখছে বলে সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। কিশোরীর মৃত্যুর ভুল ধারণা কীভাবে তৈরি হলো এবং চিকিৎসা সহায়তা নেওয়ার ক্ষেত্রে কী ঘটেছিল, তা তদন্তের বিষয় হয়ে উঠেছে।

এই ঘটনা আবারও মনে করিয়ে দেয়, কাউকে অচেতন অবস্থায় পাওয়া গেলে শুধু শ্বাস-প্রশ্বাস বা নাড়ি অনুভব করতে না পেরে তাকে মৃত ধরে নেওয়া বিপজ্জনক। এমন পরিস্থিতিতে দ্রুত জরুরি চিকিৎসাসেবা নিতে হবে এবং প্রশিক্ষিত চিকিৎসাকর্মীর মাধ্যমে ব্যক্তির অবস্থা যাচাই করাতে হবে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি চমক তৈরি করলেও, ইউলেইদির অচেতন হওয়ার প্রকৃত কারণ সম্পর্কে চিকিৎসা-সংক্রান্ত নিশ্চিত তথ্য এখনো প্রকাশিত হয়নি। তাই ঘটনাটিকে অলৌকিক পুনর্জীবন হিসেবে নিশ্চিতভাবে বর্ণনা না করে, পরিবার তাকে মৃত বলে ভুলভাবে ধরে নিয়েছিল—এভাবেই ঘটনাটি উপস্থাপন করা অধিকতর তথ্যনিষ্ঠ।

বাপ্পি/সা.এ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পাঠকের মন্তব্য:

BD24LIVE.COM
bd24live.com is not only a online news portal. We are a family and work together for giving the better news around the world. We are here to give a nice and colorful media for Bangladesh and for the world. We are always going fast and get the live news from every each corner of the country. What ever the news we reached there and with our correspondents go there who are worked for bd24live.com.
BD24Live.com © ২০২০ | নিবন্ধন নং- ৩২
Developed by | EMPERORSOFT
এডিটর ইন চিফ: আমিরুল ইসলাম আসাদ
বাড়ি#৩৫/১০, রোড#১১, শেখেরটেক, ঢাকা ১২০৭
ই-মেইলঃ [email protected]
ফোনঃ (০২) ৫৮১৫৭৭৪৪
নিউজ রুমঃ ০৯৬০৩২০২৪৩৪
মফস্বল ডেস্কঃ ০১৫৫২৫৯২৫০২
বার্তা প্রধানঃ ০৯৬০৩১৫৭৭৪৪
ইমেইলঃ [email protected]