ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুরে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন যুবলীগের নেতা সন্দেহে আটক হায়দার আলী (৪৫) নামে এক ব্যক্তিকে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ। পরে জামায়াতের নেতারা দাবি করেন, হায়দার তাদের দলের সক্রিয় কর্মী। এ দাবির পক্ষে দলীয় চাঁদা দেওয়ার রসিদ ও বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের প্রমাণ উপস্থাপন করা হলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়।
বুধবার (২১ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে উপজেলার কুশনা ইউনিয়নের তালসার গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে হায়দার আলীকে আটক করা হয়। প্রায় তিন ঘণ্টা পর রাত ৯টার দিকে তিনি থানা থেকে ছাড়া পান। হায়দার ওই গ্রামের মৃত দলিল উদ্দিনের ছেলে।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) কোটচাঁদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান গণমাধ্যমকে জানান, গোপন সূত্রে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তালসার পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) তবিবুর রহমান হায়দার আলীকে আটক করেন। তিনি ৪ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক বলে তথ্য পাওয়া গিয়েছিল।
পরে স্থানীয় জামায়াতের নেতারা থানায় গিয়ে দাবি করেন, হায়দার আলী ২০২২ সাল থেকে তাদের দলের সক্রিয় কর্মী। এ দাবির পক্ষে তারা দলীয় চাঁদা দেওয়ার রসিদ এবং বিভিন্ন সভা-সমাবেশে অংশগ্রহণের প্রমাণ উপস্থাপন করেন।
ওসি মেহেদী হাসান বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে হায়দার আলীকে জামায়াতের নেতাদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় তথ্যদাতার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
হায়দার আলীকে ছাড়িয়ে নিতে থানায় উপস্থিত ছিলেন কোটচাঁদপুর উপজেলা জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত আমির আজিজুর রহমান, জেলা জামায়াতের শুরা সদস্য ও যুব বিভাগের সম্পাদক শরিফুল ইসলামসহ স্থানীয় নেতারা।
কোটচাঁদপুর পৌর জামায়াতের আমির আবদুল কাইয়ুম বলেন, তারা থানায় গিয়ে হায়দার আলীর জামায়াতের সঙ্গে সম্পৃক্ততার বিষয়টি পুলিশকে জানান। পুলিশ তার পক্ষে কাগজপত্র চাইলে ২০২২ সাল থেকে দলের সঙ্গে সম্পৃক্ততার প্রমাণ হিসেবে বিভিন্ন নথি জমা দেওয়া হয়। পরে সেগুলো যাচাই-বাছাই শেষে পুলিশ তাকে উপজেলা জামায়াতের আমিরের হাতে তুলে দেয়।
সাজু/নিএ
সর্বশেষ খবর
জেলার খবর এর সর্বশেষ খবর