ম্যাচের শুরু থেকেই কেনিয়ার আক্রমণাত্মক ও গতিময় খেলার সামনে দাঁড়াতে পারেনি বাংলাদেশ নারী কাবাডি দল। কেনিয়ার দীর্ঘদেহী রেইডার লাভেন্দা ওধিয়াম্বোর দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে বাংলাদেশের রক্ষণভাগ বারবার ভেঙে পড়ে। একাই ২৫ পয়েন্ট অর্জন করেন এই রেইডার, যা বাংলাদেশের পুরো দলের সংগ্রহ করা পয়েন্টের সমান।
ম্যাচের প্রথমার্ধে ১২-৭ ব্যবধানে পিছিয়ে ছিল বাংলাদেশ। পুরো ম্যাচে চারবার অলআউট হওয়ায় শেষ পর্যন্ত পরাজয় এড়াতে পারেনি দলটি।
বাংলাদেশের হয়ে আঞ্জুয়ারা রাত্রি ও শ্রাবণী মল্লিক ৭ পয়েন্ট করে এবং বৃষ্টি বিশ্বাস ৫ পয়েন্ট অর্জন করেন। বোনাস পয়েন্টের মাধ্যমে ব্যবধান কমানোর চেষ্টা করলেও রেইডিংয়ে দুর্বলতা ও রক্ষণভাগের ব্যর্থতায় হারের ব্যবধান কমানো সম্ভব হয়নি।
একসময় এশিয়ান নারী কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপ ও নারী কাবাডি বিশ্বকাপসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় পদক জিতে দেশের সুনাম বাড়ানো বাংলাদেশ দল এখন সাফল্যের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে হিমশিম খাচ্ছে।
টুর্নামেন্টের ‘বি’ গ্রুপে কেনিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের পরও ইংল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা ও স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে খেলার সুযোগ রয়েছে বাংলাদেশের। ফলে ঘুরে দাঁড়ানোর সম্ভাবনা এখনো শেষ হয়ে যায়নি। ইরান ও থাইল্যান্ডের মতো শক্তিশালী দলগুলো এবারের আসরে অংশ না নেওয়ায় পদকের আশা থাকলেও কেনিয়ার কাছে এই হার দলের প্রস্তুতি ও সামগ্রিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। ম্যাচ শেষে কাবাডি ফেডারেশনের নীরবতা ও উদাসীনতা নিয়েও সমালোচনা তৈরি হয়েছে।
কুশল/সাএ
সর্বশেষ খবর