রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার কসবামাজাইল ইউনিয়নে গড়াই নদী সংস্কারের সময় পানি উন্নয়ন বোর্ডের উত্তোলন করা বালু অবৈধভাবে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় ইউপি সদস্য তানজিদ আহমেদের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত ইউপি সদস্যের দাবি, স্থানীয় সংসদ সদস্যের নির্দেশেই তিনি বালু বিক্রির কাজ করছেন। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন, পানি উন্নয়ন বোর্ড কিংবা রাজনৈতিক নেতৃত্বের কোনো অনুমোদন নেই বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কসবামাজাইল ইউনিয়নে নদী থেকে উত্তোলন করে রাখা বালু বিক্রির বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। বালু বিক্রির বৈধতা ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা।
এ বিষয়ে ইউপি সদস্য তানজিদ আহমেদের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি দাবি করেন, সংসদ সদস্যের নির্দেশেই বালু বিক্রি করা হচ্ছে এবং উপজেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বিষয়টি অবগত আছেন।
তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন পাংশা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাদ আহমেদ। তিনি জানান, এ বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না। পাংশা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রিফাতুল হকও একই কথা জানিয়ে বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে তিনি অবগত নন। তবে তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অভিযোগটি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রাজবাড়ী পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা মো. বশির আহম্মেদ জানান, বালু উত্তোলন ও বিক্রির বিষয়ে তাদের কোনো সম্পৃক্ততা বা তথ্য নেই।
এ বিষয়ে রাজবাড়ী-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. হারুন অর রশিদ বলেন, "এ ব্যাপারে আমার কিছুই জানা নেই। আমি বিষয়টি শুনেছি এবং ইতিমধ্যে পাংশা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) তদন্তপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছি।"
স্থানীয়রা এ ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করে জানিয়েছেন, বালু বিক্রির অনুমোদন ছিল কি না, সংসদ সদস্যের নাম ব্যবহারের দাবির সত্যতা কতটুকু এবং এর সঙ্গে কারা জড়িত, তা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
কুশল/সাএ
সর্বশেষ খবর
জেলার খবর এর সর্বশেষ খবর