• ঢাকা
  • ঢাকা, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর, ২০২৬
  • শেষ আপডেট ১১ সেকেন্ড পূর্বে
নিউজ ডেস্ক
বিডি২৪লাইভ, ঢাকা
প্রকাশিত : ০৩ নভেম্বর, ২০২৬, ১০:১৩ দুপুর

মজুরি বোর্ড গঠনের পরও থামেনি বিক্ষোভ, ৬৮১ কারখানায় উৎপাদন ব্যাহত

ছবি: সংগৃহীত

পোশাক শ্রমিকদের বেতন বৃদ্ধির দাবিতে চলমান আন্দোলনের প্রভাব ছড়িয়ে পড়েছে দেশের শিল্পাঞ্চলগুলোতে। শ্রমিকদের বিক্ষোভ, কর্মবিরতি ও নিরাপত্তা শঙ্কায় সোমবার (২ নভেম্বর) অন্তত ৬৭৯টি তৈরি পোশাক কারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে। এ ছাড়া আরও দুটি কারখানায় উৎপাদন বন্ধ থাকায় মোট ৬৮১টি কারখানা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

এর আগের দিন রোববার ৫২৯টি পোশাক কারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হয়েছিল। অর্থাৎ, এক দিনের ব্যবধানে উৎপাদন ব্যাহত হওয়া পোশাক কারখানার সংখ্যা বেড়েছে ১৫০টি।

মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে গত সপ্তাহ থেকে সাভার, গাজীপুরসহ বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে আন্দোলন করছেন শ্রমিকেরা। রোববার শ্রমিকদের নতুন ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে মজুরি বোর্ড গঠন করে শ্রম মন্ত্রণালয়। তবে বোর্ড গঠনের পরও শ্রমিক অসন্তোষ কমেনি। সোমবার গাজীপুর, সাভার, আশুলিয়া ও নারায়ণগঞ্জে বিক্ষোভ করেন শ্রমিকেরা। বিভিন্ন স্থানে পুলিশের সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনাও ঘটে।

তৈরি পোশাকশিল্পের মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর তথ্য অনুযায়ী, সোমবার ৬৭৯টি পোশাক কারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে। এসব কারখানার শ্রমিকেরা কাজ বন্ধ করে কর্মস্থল থেকে বেরিয়ে যান। এর মধ্যে মিরপুরের ৬৫টি, গাজীপুর ও ময়মনসিংহ অঞ্চলের ৩৮২টি, সাভার-আশুলিয়া ও জিরানী এলাকার ২২৩টি এবং নারায়ণগঞ্জের ৯টি কারখানা রয়েছে। এসব কারখানায় কর্মরত শ্রমিকের সংখ্যা প্রায় ১৬ লাখ ৯২ হাজার ৭৮২ জন।

এ ছাড়া গাজীপুরের কালিয়াকৈরে একটি দেশীয় জুতার কারখানায় উৎপাদন শুরু হলেও সকাল ৯টার দিকে আন্দোলনকারীদের চাপে শ্রমিকদের ছুটি দিতে বাধ্য হয় কর্তৃপক্ষ। আশুলিয়ার পিকার্ড বাংলাদেশেও উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে।

শিল্পাঞ্চলের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সোমবার সকালে সচিবালয়ে পোশাক কারখানার মালিকপক্ষের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। পরে বিকেলে শ্রমিকনেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। বৈঠকগুলোতে শ্রমিক অসন্তোষ, কারখানার নিরাপত্তা এবং উৎপাদন স্বাভাবিক রাখার বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

বিজিএমইএর সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বলেন, কারখানা বন্ধ রাখার কোনো ইচ্ছা মালিকদের নেই। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে উৎপাদন চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হচ্ছে না। মঙ্গলবার কারখানা চালু রাখার চেষ্টা করবেন তাঁরা। পরিস্থিতির উন্নতি না হলে কারখানা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিতে হতে পারে। শ্রমিকনেতাসহ সংশ্লিষ্ট সবার প্রচেষ্টায় পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

শ্রমিকদের মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের পরও আন্দোলন অব্যাহত থাকায় শিল্পাঞ্চলগুলোতে উৎপাদন ও রপ্তানি কার্যক্রম নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। মঙ্গলবার কারখানাগুলো চালু রাখা সম্ভব হবে কি না, তা অনেকটাই নির্ভর করছে শিল্পাঞ্চলের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার ওপর।

স্বাধীন/সা.এ.

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পাঠকের মন্তব্য:

BD24LIVE.COM
bd24live.com is not only a online news portal. We are a family and work together for giving the better news around the world. We are here to give a nice and colorful media for Bangladesh and for the world. We are always going fast and get the live news from every each corner of the country. What ever the news we reached there and with our correspondents go there who are worked for bd24live.com.
BD24Live.com © ২০২০ | নিবন্ধন নং- ৩২
Developed by | EMPERORSOFT
এডিটর ইন চিফ: আমিরুল ইসলাম আসাদ
বাড়ি#৩৫/১০, রোড#১১, শেখেরটেক, ঢাকা ১২০৭
ই-মেইলঃ [email protected]
ফোনঃ (০২) ৫৮১৫৭৭৪৪
নিউজ রুমঃ ০৯৬০৩২০২৪৩৪
মফস্বল ডেস্কঃ ০১৫৫২৫৯২৫০২
বার্তা প্রধানঃ ০৯৬০৩১৫৭৭৪৪
ইমেইলঃ [email protected]