প্রচ্ছদ / রাজনীতি / বিস্তারিত

মোঃ সাইফুল ইসলাম

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

‘এইখানেও জামায়াত-বিএনপির কোনো কু-মতলব আছে’

১৪ জুন, ২০১৮ ১৬:২৭:১১

ছবি: ইন্টারনেট

‘তারা (বিএনপি) শুধুমাত্র ইউনাউটেড হাসপাতালেই বেগম জিয়ার চিকিৎসা করতে চাচ্ছেন, অন্য কোথাও নয়- এর মানে নিশ্চয়ই এইখানেও জামায়াত-বিএনপির কোনো কু-মতলব আছে।’ বলে নিজের ফেসবুকে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপপ্রেস সচিব আশরাফুল ইসলাম খোকন।

বৃহস্পতিবার (১৪ জুন) দুপুরে আশরাফুল ইসলাম খোকন তার ফেসবুকে এই স্ট্যাটাস দেন।

তিনি আরো লিখেন, ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে না হয় বুঝলাম নামের কারণে ওনাদের সমস্যা কিন্তু সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ( সিএমএইচ) সমস্যা কী। বেগম জিয়াতো সারাজীবন বিদেশে অথবা সিএমএইচেই চিকিৎসা করেছেন। তাহলে এখন সমস্যা কেন?’

বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বা সিএমএইচ যে কোনো বেসরকারি হাসপাতালের চেয়ে ভালো উল্লেখ করে খোকন লেখেন, ‘চিকিৎসার মানের দিক থেকেও এখনো এই হাসপাতালগুলোকে কোনো বেসরকারি হাসপাতাল অতিক্রম করতে পারেনি।’

‘বেগম জিয়ার চিকিৎসা ইউনাইটেড হসপিটালেই করতে হবে। বিএনপি নেতারা কিছুদিন ধরে এই চিৎকারই করে যাচ্ছেন। কেন ইউনাইটেড হাসপাতালই হতে হবে অন্য হসপিটালে নয় কেন - এর কোনো যুক্তি তারা দিচ্ছেন না।’

খালেদা জিয়া কারাবন্দী হওয়ায় তার চিকিৎসা এবং নিরাপত্তার দুইটারই দায়িত্বই সরকারের উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রীর উপপ্রেস সচিব আরও লেখেন, ‘এখানেই বন্দী কিংবা তার লোকজনদের কোনো ইচ্ছার মূল্য নেই। কারণ, চিকিৎসারত অবস্থায় বন্দীর কোনো প্রকার সমস্যা হলে সবাই সরকারকেই দায়ী করবে। সুতরাং সরকারই ভালো বুঝবে কোথায় নিরাপত্তাসহ চিকিৎসা দেয়া যাবে।’

গত ৮ ফেব্রুয়ারি কারাগারে বন্দী হওয়া খালেদা জিয়ার অসুস্থতার খবর শোনা যায় ২৮ মার্চ। সে সময় বিএনপি তাদের নেত্রীকে বিদেশে পাঠানোর দাবি জানায়। আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এতে সম্মতি জানান। বিষয়টি নিয়ে সে সময় রাজনৈতিক অঙ্গনে গুঞ্জন ছড়ায়। পরে বিএনপি তাদের নেত্রীকে বেসরকারি হাসপাতাল ইউনাইটেডে নেয়ার দাবি জানায়।

গত ১০ জুন খালেদা জিয়াকে আবার বঙ্গবন্ধু মেডিকেলে আনার প্রস্তুতি নেয় কারা কর্তৃপক্ষ। কিন্তু তিনি এবার এই হাসপাতালে আনবেন না বলে জানিয়ে দেন। আর দুইদিন পর তকে সিএমএইচে যাওয়ার প্রস্তাব দেয়া হয়। আর এটিও প্রত্যাখ্যান করেছেন বিএনপি নেত্রী।

বিডি২৪লাইভ/এসআই/এমআর

বিডি টুয়েন্টিফোর লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মতামত: