প্রচ্ছদ / জাতীয় / বিস্তারিত

সম্পাদনা: শাহরিয়ার আলম

ডেস্ক এডিটর

গরমের তীব্রতা আরও বাড়বে!

২৬ এপ্রিল, ২০১৯ ১১:০৬:৪০

ছবি: ইন্টারনেট

দিন দিন তাপমাত্রা বাড়তে থাকায় প্রচন্ড গরমে অতীষ্ঠ হয়ে পড়েছে দেশের মানুষ। বৃহস্পতিবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এদিকে ১৭ এপ্রিলের পর দেশের কোথাও বৃষ্টি হয়নি। আবহাওয়া অফিস বলছে, আগামী ২৭ এপ্রিলের আগে দেশে কোথাও বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। বঙ্গোপসাগরে বিরাজ করছে উচ্চচাপ বলয়। বৃষ্টির পাশাপাশি দখিনা বাতাস না থাকায় তীব্র গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন।

বৃহস্পতিবার (২৫ এপ্রিল) দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মধ্য দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার কারণে তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে। এই মাসের শেষ অবধি চলবে রোদের এমন তেজ।

আবহাওয়া অফিসের দেওয়া তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, গত বছর বৈশাখের দ্বিতীয় সপ্তাহ অর্থাৎ এপ্রিলের চতুর্থ সপ্তাহে তাপমাত্রা ছিল গড়ে ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অথচ এ বছর সেটি গড়ে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অর্থাৎ দুই ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। গত বছর এই সময়ে প্রচুর বৃষ্টিও হয়েছিল। এর আগের বছর অর্থাৎ ২০১৭ সালেও ছিল একই চিত্র। এ সময়ে প্রচুর বৃষ্টি হয়েছিল ওই বছর। কিন্তু এ বছর ১৭ এপ্রিলের পর থেকে দেশের কোথাও বৃষ্টি হয়নি। এ মাসের মধ্যে বৃষ্টির আর সম্ভাবনাও দেখছেন না আবহাওয়াবিদরা। ফলে জনজীবনে যে হাঁসফাঁস চলছে, তা আরো কয়েক দিন অব্যাহত থাকতে পারে।

আবহাওয়া অফিসের পরিচালক শামসুদ্দিন আহমেদ গণমাধ্যমকে বলেন, এই মাসের শেষের দিকে সিলেটসহ বিচ্ছিন্নভাবে কয়েকটি স্থানে বৃষ্টি হবে। তবে এটি হবে খুবই কম। নিম্নচাপের প্রভাবে ৩ মে থেকে দেশের বেশির ভাগ এলাকায় বৃষ্টি হতে পারে। তার আগ পর্যন্ত মৃদু তাপপ্রবাহ চলবে।

আবহাওয়া অফিস বলছে, এ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে গতকাল রাজশাহীতে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঢাকাতে গতকাল তাপমাত্রা ছিল ৩৭.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ ছাড়া ফরিদপুর, ফেনী, যশোর, টাঙ্গাইলসহ আবহাওয়া অফিসের সব স্টেশনের তথ্য বলছে, ওই সব স্টেশনে তাপমাত্রা ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছুঁইছুঁই। আজ সেটি আরো বাড়তে পারে।

আবহাওয়াবিদ বজলুর রশীদ গলমাধ্যমকে বলেন, মাসের শেষের দিকে বৃষ্টি না হলেও আগামী মাসের শুরুর দিকে হতে পারে। তার আগ পর্যন্ত মৃদু তাপপ্রবাহ থাকবে।

এদিকে তপ্ত রোদে অস্বস্তিতে পড়েছে সাধারণ মানুষ। বিশেষ করে খেটে খাওয়া মানুষ। বৈশাখের এই গরমে ছাতা মাথায় নেমেছে অনেকে। কদর বেড়েছে জুস শরবতের। প্রচণ্ড গরমে শিশুরা ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছে। জরুরি কাজ ছাড়া অনেকে বাসা থেকে বের হচ্ছে না।

বিডি২৪লাইভ/এসএএস

বিডি টুয়েন্টিফোর লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মতামত: