শীতলক্ষ্যা নদীতে একটি জাহাজের ধাক্কায় অর্ধশতাধিক যাত্রী নিয়ে লঞ্চডুবির ঘটনায় ২০ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যায় লঞ্চ ডুবির যাওয়ার ভিডিও ইতোমধ্যে ভাইরাল হয়েছে। এ দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৫ নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ রবিবার (৪ এপ্রিল) সন্ধ্যায় শীতলক্ষ্যা নদী কার্গো জাহাজের ধাক্কায় শতাধিক যাত্রী নিয়ে ডুবে যায় রাবিতা আল হাসান নামে লঞ্চটি।
নারায়ণগঞ্জ পুলিশ সুপার জায়েদুল আলম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকারী দল কাজ শুরু করেছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রোববার সন্ধ্যা ৬টার দিকে সাবিত আল হাসান নামের একটি যাত্রীবাহী লঞ্চ শতাধিক যাত্রী নিয়ে নারায়ণগঞ্জ থেকে মুন্সিগঞ্জের দিকে রওনা দেয়। ওইসময় মালবাহী দ্রুতগামী একটি জাহাজ ধাক্কা দিলে মুহূর্তের মধ্যে লঞ্চটি ডুবে যায়। তাদের অনেকেই সাঁতরে তীরে উঠেছেন। তবে অনেকেই নিখোঁজ রয়েছেন।
ডুবে যাওয়া লঞ্চটি ও নিখোঁজ যাত্রীদের উদ্ধারে উদ্ধারে কাজ চালাচ্ছে উদ্ধারকারী জাহাজ প্রত্যয়, নৌবাহিনী, নৌ-পুলিশ, কোস্টগার্ড, ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। এদিকে লঞ্চডুবির ঘটনা তদন্তে বিআইডব্লিউটিএ এর পরিচালককে প্রধান করে ৪ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে।
জানা গেছে, নারায়ণগঞ্জ-মুন্সিগঞ্জ রুটে যাত্রী নিয়ে চলাচল করে লঞ্চটি। প্রতিদিনের মতো নারায়ণগঞ্জ লঞ্চ টার্মিনাল থেকে শতাধিক যাত্রী নিয়ে লঞ্চটি মুন্সিগঞ্জ টার্মিনালে যাওয়ার পথে শীতলক্ষ্যা নদীতে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি জাহাজের সাথে ধাক্কা লেগে লঞ্চটি ডুবে যায়।
এই ঘটনার বিষয়ে মুক্তারপুর নৌ স্টেশনের ইনচার্জ কবির হোসেন জানান, লঞ্চটিতে ধারণ ক্ষমতার অনেক বেশি যাত্রী ছিলো। এদিকে নিখোঁজ যাত্রীদের স্বজনরা মুন্সিগঞ্জ লঞ্চঘাট ভিড় করেছে। নারায়ণগঞ্জ জেলা লঞ্চ মালিক সমিতির সহ-সভাপতি মনিরুজ্জামান রাজা জানান, লঞ্চটিতে অর্ধশতাধিক যাত্রী ছিল। লঞ্চটি ৫টা ৫৬ মিনিটে নারায়ণগঞ্জ টার্মিনাল থেকে ছেড়ে যায়। আনুমানিক সোয়া ৬টার দিকে এসকে থ্রি নামক কোস্টার জাহাজ পেছন থেকে লঞ্চে ধাক্কা দেয়৷ ডুবে যাওয়া লঞ্চের মালিকের নাম আলাল হোসেন।
বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পাঠকের মন্তব্য: