• ঢাকা
  • ঢাকা, রবিবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৫
  • শেষ আপডেট ১৬ মিনিট পূর্বে
নিজস্ব প্রতিবেদক
বিডি২৪লাইভ ডট কম
প্রকাশিত : ২৪ আগস্ট, ২০২৫, ০৩:৪৫ দুপুর

গুন্ডা-বদমাশের মেলা করিনি, চাইলে পারতাম: রুমিন ফারহানা

ছবি: প্রতিনিধি, বিডি২৪লাইভ

ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেছেন, “আমি একজন কথা বলেছি, আর আমার পক্ষে একজন ডাক্তার কথা বলেছেন। আমি কোনো গুন্ডা-বদমাশের মেলা করিনি। করতে চাইলে করতে পারতাম। গুন্ডা আনতে চাইলে গুন্ডা আনা যায়।”

সোমবার (২৪ আগস্ট) ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ ও ৩ আসনের জন্য শুনানিতে অংশগ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। এর আগে প্রথম দিন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারের সামনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ ও ৩ আসনের জন্য শুনানিতে অংশ নেওয়া ব্যক্তিরা একপর্যায়ে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন।

তিনি বলেন, “অত্যন্ত দুঃখজনক ব্যাপার হলো, এখানে একটি মারামারি হয়েছে। আমি যেহেতু একজন আইনজীবী, আমি মনে করেছি আমার কেস আমি নিজেই উপস্থাপন করব। সো, আমার কেস আমি উপস্থাপন করেছি। আমি আশা করেছিলাম নির্বাচন কমিশনের সম্মানের দিকে তাকিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ৩ আসনের যারা আছে, তারা গুন্ডা-পান্ডা ঢোকাবে না নির্বাচন কমিশনে। আনফরচুনেটলি আমি দেখলাম ব্রাহ্মণবাড়িয়া তিনে যিনি প্রার্থী, তিনি তার সদলবলে ২০-২৫ জন মিলে গুন্ডা-পান্ডার মতো সেখানে আচার-আচরণ করছেন। অত্যন্ত দুঃখজনক, অত্যন্ত লজ্জাজনক এবং আমি মনে করি এটা কমিশনের গাম্ভীর্য এবং যে সম্মান, সেটার সঙ্গে এটা যায় না।”

মারামারি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “যেহেতু ওদের ১০-১২ জন মিলে কথা বলছে, সো আমি একজন কথা বলেছি আর আমার পক্ষে একজন ডাক্তার উনি কথা বলেছেন। আমি কোনো গুন্ডা-বদমাশের মেলা করিনি। করতে চাইলে করতে পারতাম। গুন্ডা আনতে চাইলে গুন্ডা আনা যায়। অসুবিধা হয় না। আমি ভদ্রলোক নিয়ে এসেছি। কিন্তু তারা যেহেতু গুন্ডা-পান্ডা নিয়ে এসেছে এবং আবল-তাবল লোক কথা বলেই যাচ্ছে, বলেই যাচ্ছে, আমি লাস্টে একটা কথা বলার জন্য দাঁড়িয়েছি এবং যেটা ১৫ বছরে হয়নি, সেটা আজকে হয়েছে। অলমোস্ট আমার গায়ে ধাক্কা দিয়ে আমাকে ফেলে দেওয়ার চেষ্টা করেছে। যেই বিএনপির নেতাকর্মীদের জন্য গত ১৫ বছর লড়াই করলাম, তারা আমাকে এখন ধাক্কা দেয়। তো ঠিক আছে, ধাক্কার বদলে তো ধাক্কা আসবেই।”

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ ও ৩ আসনের খসড়া সীমানা নিয়ে নির্বাচন ভবনে শুনানিতে পক্ষে-বিপক্ষে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়ে মারামারির ঘটনা ঘটে। নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা পরিস্থিতি সামলে শুনানি শেষ করেন। খসড়ার পক্ষে যুক্তি দেন ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা, আর বিপক্ষে অংশগ্রহণকারীরা বিজয়নগর উপজেলার তিন ইউনিয়ন (বুধস্তি, চান্দুয়া ও হরষপুর) আলাদা করার বিরোধিতা করেন। ভবনের বাইরে বিক্ষোভ হলে পুলিশ তা নিয়ন্ত্রণে আনে এবং জলকামানও প্রস্তুত রাখা হয়।

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পাঠকের মন্তব্য:

BD24LIVE.COM
bd24live.com is not only a online news portal. We are a family and work together for giving the better news around the world. We are here to give a nice and colorful media for Bangladesh and for the world. We are always going fast and get the live news from every each corner of the country. What ever the news we reached there and with our correspondents go there who are worked for bd24live.com.
BD24Live.com © ২০২০ | নিবন্ধন নং- ৩২
Developed by | EMPERORSOFT
এডিটর ইন চিফ: আমিরুল ইসলাম আসাদ
বাড়ি#৩৫/১০, রোড#১১, শেখেরটেক, ঢাকা ১২০৭
ই-মেইলঃ [email protected]
ফোনঃ (০২) ৫৮১৫৭৭৪৪
নিউজ রুমঃ ০৯৬০৩২০২৪৩৪
মফস্বল ডেস্কঃ ০১৫৫২৫৯২৫০২
বার্তা প্রধানঃ ০৯৬০৩১৫৭৭৪৪
ইমেইলঃ [email protected]