চট্টগ্রাম-১ (মীরসরাই) আসনে এক স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়নপত্রে প্রয়োজনীয় ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষরের মধ্যে একজন মৃত ব্যক্তির স্বাক্ষর পাওয়া গেছে। এ কারণে তাঁর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। একইসঙ্গে নানা অনিয়মের কারণে আরও দুই প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।
শুক্রবার (২ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট মনোনয়নপত্র বাছাই কার্যক্রমে এই মনোনয়ন বাতিল করা হয়।
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ আশরাফ ছিদ্দিকির মনোনয়নপত্রে দাখিল করা ভোটারদের সাক্ষরের তালিকায় একজন মৃত ব্যক্তির নাম ও সাক্ষর পাওয়া যায়। বিষয়টি যাচাই করে নিশ্চিত হওয়ার পর তার মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করা হয়।
এছাড়া বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) বিদ্রোহী প্রার্থী শহিদুল ইসলাম চৌধুরীর দলীয় মনোনয়ন না থাকায় তার প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছে। অপরদিকে জাতীয় পার্টি (জাকের) প্রার্থী মোহা. এরশাদ উল্ল্যা নিজেই নিজের প্রস্তাবকারী হওয়ায় নির্বাচন বিধিমালা লঙ্ঘনের অভিযোগে তার মনোনয়নও বাতিল হয়।
রিটার্নিং কর্মকর্তার তথ্যমতে, মনোনয়নপত্রে সাক্ষরের বিষয়ে সাতজন প্রার্থী স্বাক্ষর প্রদানের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন, যা যাচাই-বাছাইয়ের সময় গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা হয়েছে।
এদিকে যাচাই-বাছাই শেষে সাতজন প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। বৈধ প্রার্থীরা হলেন- জাতীয় পার্টির সৈয়দ শাহাদাত হোসেন, বাংলাদেশ মুসলিম লীগ (বিএমএল-রেজি-৪০) শেখ জুলফিকার বুলবুল চৌধুরী, বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নুরুল আমিন, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি) এ কে এম আবু ইউসুফ, জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ ছাইফুর রহমান, ইনসানিয়াত বিপ্লবের রেজাউল করিম এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ফেরদৌস আহমদ চৌধুরী।
চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক ও চট্টগ্রাম-২ আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা জানান, বাতিল হওয়া প্রার্থীরা আগামী ৪ জানুয়ারির পর পরবর্তী চারদিনের মধ্যে আপিল করার সুযোগ পাবেন।
উল্লেখ্য, চট্টগ্রাম-১ আসনে মোট ১৩ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করলেও জমা দেন ১০ জন। যাচাই-বাছাই শেষে তিনজনের মনোনয়ন বাতিল এবং সাতজনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
মাসুম/সাএ
সর্বশেষ খবর