নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল করে কিশোরগঞ্জ-৩ (করিমগঞ্জ-তাড়াইল) আসনের আলোচিত স্বতন্ত্র প্রার্থী স্বাস্থ্য সুরক্ষা আন্দোলন-বাংলাদেশ এর আহ্বায়ক এ কে এম আলমগীর তাঁর প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। বৃহস্পতিবার বিকেলে ইসিতে শুনানি শেষে তাঁর আপিল আবেদন মঞ্জুর করা হয়। সন্ধ্যায় এ কে এম আলমগীর নিজে সাংবাদিকদের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, এক শতাংশ ভোটারের সমর্থন তালিকায় কয়েকজন ভোটারের স্বাক্ষরের গড়মিল থাকার কারণে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে তাঁর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছিল। পরে তিনি নির্বাচন কমিশনে আপিল করলে কমিশন তাঁর মনোনয়নপত্রকে বৈধ ঘোষণা করেন। এ কে এম আলমগীর বলেন, চাইলে রিটার্নিং কর্মকর্তা এই সামান্য বিষয়টি সমাধান করতে পারতেন, ঢাকায় গিয়ে আপিল করাটা বাড়তি হয়রানি।
গত ৪ জানুয়ারি কিশোরগঞ্জে দ্বিতীয় দিনের যাচাই-বাছাইয়ে জেলার ছয় আসনের মধ্যে মোট ৩২ জন প্রার্থীর মধ্যে ৮ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। এর মধ্যে কিশোরগঞ্জ-৩ (করিমগঞ্জ-তাড়াইল) আসনে স্বাস্থ্য সুরক্ষা আন্দোলনের এ কে এম আলমগীরসহ ৪ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছিল। এই আসনে বাতিল হওয়া অন্য প্রার্থীরা হলেন জাতীয় পার্টির একাংশের নেতা মুজিবুল হক চুন্নু, গণতন্ত্রী পার্টির দিলোয়ার হোসাইন ভূঁইয়া ও স্বতন্ত্র প্রার্থী (বিএনপি বিদ্রোহী) জাহাঙ্গীর আলম মোল্লা। এদের মধ্যে নির্বাচন কমিশনে আপিল করে মুজিবুল হক চুন্নু ছাড়া বাকি সবাই প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন।
কিশোরগঞ্জ-৩ (করিমগঞ্জ-তাড়াইল) আসনে মোট ১০ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। বাতিল হওয়া চারজনের মধ্যে তিনজনের মনোনয়ন বৈধ হওয়ায় এই আসনে এ নিয়ে ৯ প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ হলো। এ আসনে বাকি বৈধ প্রার্থীরা হলেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ড. এম ওসমান ফারুক, জামায়াতের প্রার্থী ডা. জেহাদ খান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. আলমগীর হোসাইন তালুকদার, জাতীয় পার্টির (জিএম কাদের) প্রার্থী আবু বকর সিদ্দিক, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম এবং খেলাফত মজলিসের আতাউর রহমান শাহান।
স্বতন্ত্র প্রার্থী এ কে এম আলমগীর একজন মালয়েশিয়া প্রবাসী। দীর্ঘদিন ধরে তিনি তাঁর সংগঠন 'স্বাস্থ্য সুরক্ষা আন্দোলন-বাংলাদেশ' এর মাধ্যমে এলাকায় সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে কাজ করছেন। এ কারণে এলাকায় তাঁর একটা পরিচিতি রয়েছে।
সালাউদ্দিন/সাএ
সর্বশেষ খবর
জেলার খবর এর সর্বশেষ খবর