আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে সারা দেশের মতো চট্টগ্রামেও আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হয়েছে। জেলা শহর ও বিভিন্ন উপজেলায় বিএনপি, জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ ২৫টি রাজনৈতিক দলের মোট ১১৩ জন প্রার্থী ভোটের মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। প্রতীক বরাদ্দ পাওয়ার পর বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) থেকেই তারা প্রচারে নেমেছেন প্রার্থীরা।
বাবা মায়ের কবর জিয়ারত করে গণসংযোগ শুরু করেন চট্টগ্রাম-১১ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় উত্তর কাট্টলি নাজির বাড়ি তার পিতা সাবেক মন্ত্রী মরহুম মাহমুদুন্নবী চৌধুরী ও মাতা মরহুমা মেহেরুন্নেসা চৌধুরীর কবর জিয়ারত করেন ও দোয়া মোনাজাত করেন। পরে তিনি ২৯ নং ওয়ার্ড কদমতলী থেকে গণসংযোগ শুরু করেন। এ সময় বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী, সাধারণ জনগণ ও মহিলা গণসংযোগে অংশ নেন। গণসংযোগে তিনি বলেন, জনগণের ঢল নেমেছে রাস্তায়, ধানের শীষের জোয়ার শুরু হয়েছে। মানুষের এর জন্য অপেক্ষা করেছে। সবচেয়ে জনপ্রিয় দল হিসেবে বিএনপি জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছে। এখন মানুষ বিএনপির ত্যাগের প্রতিদান দিচ্ছে, জনগণ বিএনপির পাশে দাঁড়িয়েছে। ১৬-১৭ বছর বিএনপির নেতাকর্মীরা গুম খুন জেলে নির্যাতনের শিকার হয়েছে। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের যে ত্যাগ তার প্রতিদান বাংলাদেশের মানুষ আজকে দিচ্ছে। যেখানেই যাচ্ছি দেশের মানুষ তার স্বীকৃতি দিচ্ছে এবং তাদের আস্থা বিএনপির উপর।
অন্যদিকে একই আসনে গণসংযোগ করেন চট্টগ্রাম-১১ আসনের জামায়াত প্রার্থী শফিউল আলম। সকালে তিনি নগরের মুন্সিপাড়া থেকে গণসংযোগ শুরু করেন। এরপর পর্যায়ক্রমে ছত্তার হাজি বাড়ি, ধোপাপাড়া হয়ে চান্দা পাড়া, উত্তর জেলে পাড়া ও দক্ষিণ জেলে পাড়ায় সাধারণ মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এসময় স্থানীয় বাসিন্দারা তাদের দীর্ঘদিনের সমস্যা, প্রত্যাশা ও এলাকার উন্নয়ন সংক্রান্ত নানা কথা সরাসরি প্রার্থীর সামনে তুলে ধরেন।
গণসংযোগকালে শফিউল আলম বলেন, “এই এলাকার মানুষ দীর্ঘদিন ধরে অবহেলা ও বৈষম্যের শিকার। আমি ক্ষমতার জন্য নয়, মানুষের অধিকার ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য নির্বাচনে এসেছি। আপনাদের ভালোবাসা ও সমর্থনই আমার শক্তি।”
চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া) আসনে বিএনপির প্রার্থী হুমাম কাদের চৌধুরী গণসংযোগ শুরু করেন উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজার ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে। এসময় হুম্মাম কাদের চৌধুরী বলেন, রাঙ্গুনিয়ার বড় সমস্যা মাদক নির্মূল করা হবে। রাঙ্গুনিয়াকে একটি আদর্শ, পরিচ্ছন্ন ও বসবাসযোগ্য জনপদ হিসেবে গড়ে তোলা হবে। তিনি ধানের শীষের ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।
এদিকে সকাল ১০টায় নগরের শুলকবহর আরকান সোসাইটি থেকে চট্টগ্রাম–১০ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অধ্যক্ষ শামসুজ্জামান হেলালী আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেন। প্রচারণায় চট্টগ্রাম নগর জামায়াতের আমীর মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেন, চট্টগ্রাম–১০ আসনের কাংঙ্খিত ও টেকসই উন্নয়নের জন্য দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের কোনো বিকল্প নেই। দীর্ঘদিন ধরে এই এলাকার মানুষ অবহেলিত। সৎ, যোগ্য ও জনবান্ধব নেতৃত্ব ছাড়া প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব নয় জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় গেলে দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন, ন্যায়বিচারভিত্তিক সমাজ ও জনগণের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা হবে। অধ্যক্ষ শামসুজ্জামান হেলালী একজন শিক্ষিত, সৎ ও আদর্শবান মানুষ। তাকে নির্বাচিত করলে চট্টগ্রাম–১০ আসন একটি মডেল আসনে পরিণত হবে ইনশাআল্লাহ।
বিকেলে নগরের আন্দরকিল্লা শাহী জামে মসজিদ থেকে চট্টগ্রাম-৯ আসনের দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী ডা. এ কে এম ফজলুল হক নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেন। এসময় তিনি বলেন, আজকের বাংলাদেশ দীর্ঘ ৫৪ বছর পর ২৪ এর ৩৬ জুলাই য়ে শহীদের রক্তের বিনিময়ে নতুন স্বাধীনতা অর্জন করেছি। বাংলাদেশ বিশ্বের দরবারে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত হবার জন্য আগামী নির্বাচনে মাধ্যমে অপেক্ষা করছে।
চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেছেন, আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নির্বাচনী প্রচারে কোনো ধরনের পোস্টার ব্যবহার করা যাবে না। নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী লিফলেট বিতরণ করা যাবে। মাইকিংয়ের সময়সীমা, মাইকের সংখ্যা এবং প্রচারের পদ্ধতি নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে মোটরসাইকেল, মাইক্রোবাস, ট্রাক, বাস কিংবা লঞ্চে কোনো ধরনের শোডাউন করা যাবে না বলেও জানান তিনি।
চট্টগ্রামের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন চৌধুরী বলেন, নির্বাচনে অংশ নিতে মোট ১৪৩ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে ৪১ জনের প্রার্থিতা বাতিল করা হয় এবং ১০২ জনকে বৈধ ঘোষণা করা হয়। পরে নির্বাচন কমিশনে আপিল করে আরও ১১ জন প্রার্থী তাদের প্রার্থিতা ফিরে পান। সব মিলিয়ে চট্টগ্রামের ১৬টি আসনে এখন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ১১৩ জন প্রার্থী।
চট্টগ্রামের ১৬টি সংসদীয় আসনে ১১১ জন প্রার্থী চূড়ান্ত ভোটযুদ্ধে অবতীর্ণ হচ্ছেন। এর মধ্যে তিনজন বিদ্রোহী প্রার্থীর সঙ্গে লড়তে হবে বিএনপির মনোনীত ধানের শীষের দুই প্রার্থীকে। এছাড়া, জামায়াতে ইসলামী একটি আসনে এনসিপিকে সমর্থন দিয়ে তাদের প্রার্থী নির্বাচন করবেন না বলে জানালেও মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার না করায় ব্যালটে থেকে যাচ্ছেন সেই প্রার্থী।
চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই) আসনে ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপির নুরুল আমিন, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে জামায়াতে ইসলামী মোহাম্মদ ছাইফুর রহমান, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল- জেএসডির একেএম আবু ইউছুপ (তারা), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ফেরদৌস আহমদ চৌধুরী (হাতপাখা), ইনসানিয়াত বিপ্লবের রেজাউল করিম (আপেল), বাংলাদেশ মুসলিম লীগের শেখ জুলফিকার বুলবুল চৌধুরী (হাত পাঞ্জা), জাতীয় পার্টির সৈয়দ শাহাদাৎ হোসেন (লাঙ্গল)।
চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি)-এ আসনে বিএনপি মনোনয়ন দিয়েছিল সরোয়ার আলমগীরকে। তার মনোনয়নপত্রের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে আপিল করেছিলেন একই আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোহাম্মদ নুরুল আমিন। শুনানি শেষে নির্বাচন কমিশন বিএনপি প্রার্থী সরোয়ার আলমগীরের মনোনয়ন বাতিল করেছে। এ আসনে বর্তমানে জামায়াতে ইসলামী ছাড়া প্রার্থী আছে জনতার দলের মোহাম্মদ গোলাম নওশের আলী (কলম), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোহাম্মদ জুলফিকার আলী মান্নান (হাতপাখা), গণঅধিকার পরিষদের রবিউল হাসান (ট্রাক), বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি- বিএসপি’র শাহজাদা সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমেদ (একতারা), দুই স্বতন্ত্র প্রার্থী আহমদ কবির (ফুটবল) ও জিন্নাত আকতার (হরিণ)।
চট্টগ্রাম-৩ (সন্দ্বীপ উপজেলা) আসনে জামায়াতে ইসলামীর মুহাম্মদ আলাউদ্দিন (দাঁড়িপাল্লা), বিএনপির মোস্তফা কামাল পাশা (ধানের শীষ), ইসলামী আন্দোলনের মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন (হাতপাখা) ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মোয়াহেদুল মাওলা (ফুটবল)।
চট্টগ্রাম- ৪ (সীতাকুণ্ড ও নগরীর একাংশ) বিএনপির আসলাম চৌধুরী (ধানের শীষ), জামায়াতে ইসলামীর মো. আনোয়ার ছিদ্দিক (দাঁড়িপাল্লা), বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি- সিপিবি’র মো. মছিউদদৌলা (কাস্তে), গণ অধিকার পরিষদের এটিএম পারভেজ (ট্রাক), গণসংহতি আন্দোলনের জাহিদুল আলম (মাথাল), নেজামে ইসলামী পার্টির মো. জাকারিয়া খালেদ (বই), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের দিদারুল মাওলা (হাতপাখা), বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি- বিএসপি’র শহীদুল ইসলাম চৌধুরী (একতারা), ইসলামী ফ্রন্টের সিরাজুদ্দৌলা (মোমবাতি)।
চট্টগ্রাম- ৫ (হাটহাজারী ও নগরীর একাংশ) আসনে বিএনপির মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন (ধানের শীষ), ইসলামী আন্দোলনের মতিউল্লাহ নূরী (হাতপাখা), ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম (চেয়ার), লেবার পার্টির মো. আলা উদ্দিন (আনারস), খেলাফত মজলিসের মো. নাসির উদ্দিন (রিক্সা), স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ ইমাম উদ্দিন রিয়াদ (ফুটবল)।
চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) আসনে বিএনপির গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী (ধানের শীষ), জামায়াতের মো. শাহাজাহান মঞ্জু (দাঁড়িপাল্লা), গণসংহতি আন্দোলনের নাছির উদ্দীন তালুকদার (মাথাল), ইসলামী ফ্রন্টের মোহাম্মদ ইলিয়াছ নূরী (মোমবাতি)।
চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া) আসনে জামায়াতে ইসলামীর এটিএম রেজাউল করিম (দাঁড়িপাল্লা), বিএনপির হুমাম কাদের চৌধুরী (ধানের শীষ), সিপিবির প্রমোদ বরণ বড়ুয়া (কাস্তে), ইসলামী আন্দোলনের আব্দুল্লাহ আল হারুন (হাতপাখা), ইসলামী ফ্রন্টের মুহাম্মদ ইকবাল হাছান (মোমবাতি), এবি পার্টির মো. আবদুর রহমান (ঈগল), গণঅধিকার পরিষদের মো. বেলাল উদ্দিন (ট্রাক), জাতীয় পার্টির মো. মেহেদী রাসেদ (লাঙ্গল)।
চট্টগ্রাম- ৮ (বোয়ালখালী উপজেলা ও নগরীরেএকাংশ) আসনে ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপির এরশাদ উল্রাহ, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে জামায়াতের আবু নাছের, এনসিপির মো. জোবাইরুল হাসান আরিফ (শাপলা কলি), ইনসানিয়াত বিপ্লবের মোহাম্মদ এমদাদুল হক (আপেল), ইসলামী আন্দোলনের মোহাম্মদ নুরুল আলম (হাতপাখা) ও ইসলামী ফ্রন্টের সৈয়দ মুহাম্মদ হাসান (মোমবাতি)। এ আসনে জামায়াত এনসিপিকে সমর্থন দিলেও তাদের প্রার্থী আবু নাছের মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহার না করায় তিনি প্রার্থী হিসেবে থেকে যাচ্ছেন।
চট্টগ্রাম-৯ (কোতোয়ালি-বাকলিয়া) আসনে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জেএসডির আবদুল মোমেন চৌধুরী (তারা), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আব্দুস শুক্কুর (হাতপাখা), জামায়াতের একেএম ফজলুল হক (দাঁড়িপাল্লা), ইসলামিক ফ্রন্টের মুহাম্মদ ওয়াহেদ মুরাদ (চেয়ার), বিএনপির আবু সুফিয়ান (ধানের শীষ), ইনসানিয়াত বিপ্লবের মোহাম্মদ নঈম উদ্দিন (আপেল), নাগরিক ঐক্যের নুরুল আবছার মজুমদার (কেটলি), বাসদ (মার্কসবাদী) মো. শফিউদ্দিন কবির (কাঁচি), জনতার দল হায়দার আলী চৌধুরী (কলম), গণসংহতি আন্দোলনের সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান মারুফ (মাথাল)।
চট্টগ্রাম- ১০ (পাহাড়তলী- ডবলমুরিং-হালিশহর) আসনে বিএনপির সাঈদ আল নোমান (ধানের শীষ), জামায়াতের শামসুজ্জামান হেলালী (দাঁড়িপাল্লা), জাতীয় পার্টির মুহাম্মদ এমদাদ হোসাইন চৌধুরী (লাঙ্গল), বাসদ (মার্কসবাদী) আসমা আকতার (কাঁচি), ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের মো. লিয়াকত আলী (চেয়ার), ইসলামী আন্দোলনের মাহাম্মদ জান্নাতুল ইসলাম (হাতপাখা), ইনসানিয়াত বিপ্লবের সাবিনা খাতুন (আপেল), লেবার পার্টির ওসমান গণি (আনারস), স্বতস্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ আরমান আলী (ফুটবল)।
চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর-পতেঙ্গা-সদরঘাট) আসনে বিএনপির আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী (ধানের শীষ), জামায়াতের মোহাম্মদ শফিউল আলম (দাঁড়িপাল্লা), জাতীয় পার্টির আবু তাহের (লাঙ্গল), বাসদ (মার্কসবাদী) দীপা মজুমদার (কাঁচি), গণফোরামের উজ্জ্বল ভৌমিক (উদীয়মান সূর্য), ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের আবু তাহের (চেয়ার), বাসদের মো. নিজামুল হক আল কাদেরী (মই), ইনসানিয়াত বিপ্লবের মো. আজিজ মিয়া (আপেল), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নুর উদ্দিন (হাতপাখা) ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর ভূঁইয়া (সূর্যমুখী ফুল)।
চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনে বিএনপির এনামুল হক এনাম (ধানের শীষ), জামায়াতের মোহাম্মদ ফরিদুল আলম (দাঁড়িপাল্লা), ইসলামী আন্দোলনের এসএম বেলাল নূর (হাতপাখা), ইসলামী ফ্রন্টের ছৈয়দ এয়ার মোহাম্মদ পেয়ারু (মোমবাতি), জাতীয় পার্টির ফরিদ আহম্মদ চৌধুরী (লাঙ্গল), ইনসানিয়াত বিপ্লবের মোহাম্মদ আবু তালেব হেলালী (আপেল) ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মুহাম্মদ শাখাওয়াত হোসাইন (ফুটবল)।
চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ার, কর্ণফুলী উপজেলা) আসনে জাতীয় পার্টির আবদুর রব চৌধুরী (লাঙ্গল), ইসলামী ফ্রন্টের এসএম শাহজাহান (মোমবাতি), জামায়াতের মাহমুদুল হাসান (দাঁড়িপাল্লা), ইনসানিয়াত বিপ্লবের মু. রেজাউল মোস্তফা (আপেল), জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন- এনডিএম’র মোহাম্মদ এমরান (সিংহ), গণঅধিকার পরিষদের মো. মুজিবুর রহমান চৌং (ট্রাক) বিএনপি’র সরোয়ার জামাল নিজাম (ধানের শীষ)।
চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ উপজেলা ও সাতাকানিয়া আংশিক) বিএনপির জসীম উদ্দীন আহমেদ (ধানের শীষ), ইনসানিয়াত বিপ্লবের এইচএম ইলিয়াছ (আপেল), এলডিপি’র ওমর ফারুক (ছাতা), ইসলামী আন্দোলনের মোহাম্মদ আবদুল হামিদ (হাতপাখা), জাতীয় পার্টির মোহাম্মদ বাদশা মিয়া (লাঙ্গল), ইসলামী ফ্রন্টের মো. সোলাইমান (মোমবাতি), স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ মিজানুল হক চৌধুরী (ফুটবল). শফিকুল ইসলাম রাহী (মোটর সাইকেল)। এ আসনে জোটভুক্ত এলডিপির প্রার্থী থাকায় জামায়াত প্রার্থী দেয়নি।
চট্টগ্রাম-১৫ (লোহাগাড়া উপজেলা ও সাতকানিয়া আংশিক) আসনে বিএনপির নাজমুল মোস্তফা আমীন (ধানের শীষ), ইসলামী আন্দোলনের শরীফুল আলম চৌধুরী (হাতপাখা) ও জামায়াত ইসলামীর শাহজাহান চৌধুরী (দাঁড়িপাল্লা)।
চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) আসনে বিএনপির মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী (ধানের শীষ), জামায়াতের মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম (দাঁড়িপাল্লা), ইসলামিক ফ্রন্টের আবদুল মালেক (চেয়ার), মুসলিম লীগের এহছানুল হক (হারিকেন), গণঅধিকার পরিষদের মো, আরিফুল হক (ট্রাক), ইসলামী আন্দোলনের হাফেজ রুহুল্লাহ (হাতপাখা) ও স্বতন্ত্র প্রাথী মোহাম্মদ লেয়াকত আলী (ফুটবল)।
সাজু/নিএ
সর্বশেষ খবর