• ঢাকা
  • ঢাকা, শনিবার, ৩১ জানুয়ারি, ২০২৬
  • শেষ আপডেট ১৮ সেকেন্ড পূর্বে
নিউজ ডেস্ক
বিডি২৪লাইভ, ঢাকা
প্রকাশিত : ৩১ জানুয়ারী, ২০২৬, ১০:২৭ দুপুর

পশ্চিমবঙ্গে ২ গুদামে আগুন, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৮

ছবি: সংগৃহীত

পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী কলকাতার পূর্বাঞ্চলীয় শহরতলী এলাকা আনন্দপুরের নাজিরাবাদে পাশাপাশি দু’টি গুদামে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ২৭ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশের বরাতে জানা গেছে এ তথ্য।

গত রোববার (২৫ জানুয়ারি) আনন্দপুরের নাজিরাবাদে পাশাপাশি দুই গুদামে ভয়াবহ আগুন লাগে। এই গুদাম দুটির একটি ছিলো ডেকোরেটরসের এবং অন্যটি মোমো ও কোমল পানীয় তৈরির কারখানার।

পুলিশের বরাতে জানা গেছে, ২৫ জানুয়ারি রাতে ডেকোরেটরসের গুদামের কর্মীরা পিকনিক করছিল। মোমো কারখানার কর্মীরাও কাজ করছিল। মোমো কারখানার গুদামটিতে ছিলো প্রচুর পরিমাণে দাহ্য পদার্থ।

অভিযোগ উঠেছে, দুই গুদামে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত মোমো কারখানা থেকে। তবে মোমো কারখানার মালিকপক্ষ এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তাদের দাবি, পাশের ডেকোরেটরসের গুদাম থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে।

আনন্দপুর অঞ্চলটি কলকাতার কাছাকাছি হলেও আসলে এটি দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার বারুইপুর মহকুমার (উপজেলা) অন্তর্গত। বারুইপুরের পুলিশ সুপার শুভেন্দ্র কুমার শুক্রবার সন্ধ্যায় জানান, ঘটনার সময় ঘটনাস্থলে ঠিক কত জন ছিলেন, তা এখনও নিশ্চিত নয়। দগ্ধ দেহাংশ দেখে পরিচয় জানার উপায় নেই। ডিএনএ পরীক্ষা করে পরিচয় নিশ্চিত করা হবে।

যাদের মরদেহ ও দেহাংশ উদ্ধার করা হয়েছে, তাদের নাম-পরিচয় এখনও জানা যায়নি বলেও উল্লেখ করেছেন তিনি।

আগুন লাগার সময়ে গুদাম দু’টিতে কতজন ছিল- এখনও জানা যায়নি। সামনে লাশের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

আগুন কীভাবে লাগল— তাও এখনও স্পষ্ট নয়। জোড়া গুদামে আদৌ কোনও অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ছিল কি না, সে প্রশ্ন জোরেশোরে উঠেছে। মঙ্গলবার ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়েছিলেন পশ্চিমবঙ্গ ফায়ার সার্ভিস বিভাগের ডিজি রণবীর কুমার। তিনি জানান, অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা নিয়ে ফায়ারসার্ভিসের পক্ষ থেকে ওই গুদামদু’টিকে অতীতে কোনো অনুমোদন বা ছাড়পত্র দেওয়া হয়নি। ফায়ার সার্ভিসের অনুমোদন ছাড়াই কী ভাবে দিনের পর দিন ওই গুদাম চলছিল, সেই প্রশ্নও উঠেছে।

অগ্নিকাণ্ডের পর এই দুই গুদামের মালিক গঙ্গাধর দাস পালিয়ে যান। কিন্তু মঙ্গলবার গভীর রাতে দক্ষিণ ২৪ পরগনার নরেন্দ্রপুর থানার পুলিশ এই দুই গুদামের মালিক গঙ্গাধর দাসকে গ্রেপ্তার করে। গঙ্গাধর দাবি করেন, মোমো কারখানা থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে।

ধৃত গোডাউনের মালিক গঙ্গাধর দাসের বাড়ি পূর্ব মেদিনীপুরের খেজুরিতে। তিনি ৪০ বছর ধরে ডেকোরেটরসের ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত।

পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সরকার এবং ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে ঘটনায় গভীর শোক জানানো হয়েছে। নিহতদের প্রত্যেকের পরিবারকে ১০ লাখ রুপি করে ক্ষতিপূরণ প্রদানের ঘোষণা দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সরকার। আর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দপ্তর থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর তহবিল থেকে প্রত্যেক নিহতের পরিবারকে ২ লাখ রুপি এবং আহতদের চিকিৎসার জন্য ৫০ হাজার রুপি সহায়তা প্রদান করা হবে।

মাসুম/সাএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পাঠকের মন্তব্য:

BD24LIVE.COM
bd24live.com is not only a online news portal. We are a family and work together for giving the better news around the world. We are here to give a nice and colorful media for Bangladesh and for the world. We are always going fast and get the live news from every each corner of the country. What ever the news we reached there and with our correspondents go there who are worked for bd24live.com.
BD24Live.com © ২০২০ | নিবন্ধন নং- ৩২
Developed by | EMPERORSOFT
এডিটর ইন চিফ: আমিরুল ইসলাম আসাদ
বাড়ি#৩৫/১০, রোড#১১, শেখেরটেক, ঢাকা ১২০৭
ই-মেইলঃ [email protected]
ফোনঃ (০২) ৫৮১৫৭৭৪৪
নিউজ রুমঃ ০৯৬০৩২০২৪৩৪
মফস্বল ডেস্কঃ ০১৫৫২৫৯২৫০২
বার্তা প্রধানঃ ০৯৬০৩১৫৭৭৪৪
ইমেইলঃ [email protected]